ইসলাম ধর্মে কেয়ামতের দিনকে একটি অবশ্যম্ভাবী সত্য হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। পবিত্র কুরআন ও হাদিসে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে, একদিন পৃথিবীর সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাবে এবং আল্লাহ তায়ালা সমস্ত মানুষকে পুনরুজ্জীবিত করবেন তাদের আমল অনুযায়ী হিসাব নেওয়ার জন্য।
একজন বিশিষ্ট আলেম বলেন, “কেয়ামতের দিন এমন এক দিন, যখন কেউ কারও কোনো কাজে আসবে না। সেদিন কেবল সৎকর্মই মানুষের পরিত্রাণের পথ হবে।”
কুরআনে আল্লাহ বলেন, “নিশ্চয়ই কেয়ামতের জ্ঞ্যান একমাত্র আল্লাহর কাছেই রয়েছে।” (সূরা লুকমান: ৩৪)
বড় আলামত প্রকাশের পূর্বাভাস
ইসলামি শিক্ষায় বলা হয়েছে, কেয়ামতের আগে কিছু বড় আলামত দেখা দেবে—দাজ্জালের আবির্ভাব, ঈসা (আ.)-এর আগমন, ইয়াজুজ-মাজুজের ফিতনা, সূর্যের পশ্চিম দিক থেকে উদয়, এবং আকাশে ধোঁয়ার আবির্ভাব।
আলেমদের পরামর্শ
আলেমরা মুসলিমদের সতর্ক করে বলেন, এখনই তওবা করে সৎকর্মে মনোনিবেশ করার সময়। “নামাজ, রোজা, যাকাতসহ সব ফরজ ইবাদত পালন করতে হবে এবং গুনাহ থেকে বাঁচতে হবে, কারণ কেয়ামতের দিন কবে হবে তা কেবল আল্লাহই জানেন,” বলেন আরেকজন খ্যাতনামা আলেম।
মুমিনদের করণীয়
ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা মনে করিয়ে দেন যে, প্রতিটি মানুষ তার আমল অনুযায়ী জান্নাত বা জাহান্নামের প্রতিদান পাবে। তারা বলেন, “এই দুনিয়া ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু আখিরাত চিরস্থায়ী—তাই সবার উচিত নেক আমল বাড়ানো এবং গুনাহ থেকে বিরত থাকা।”

বাংলাদেশ খবর ডেস্ক 


