ঢাকা , সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
চাঁদ দেখা, ভৌগোলিক অবস্থান ও ঋতুর প্রভাবে সময়ের তারতম্য

বিশ্বের কোন দেশে রোজার সময় সবচেয়ে বেশি, আর কোথায় কম?

আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা—শুরু হতে যাচ্ছে মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে পবিত্র মাস রমজান। চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে কোনো দেশে ১৮ ফেব্রুয়ারি, আবার কোথাও ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা শুরু হবে। তবে বিশ্বের সব মুসলমান একই সময় রোজা রাখবেন না; কারণ সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের পার্থক্যের জন্য দেশভেদে রোজার সময় কমবেশি হবে।

চন্দ্রবর্ষের কারণে এগিয়ে এলো রমজান
ইসলামিক ক্যালেন্ডার চন্দ্রবর্ষ ভিত্তিক হওয়ায় প্রতি বছর রমজান প্রায় ১০–১১ দিন আগে আসে। সেই হিসেবে গত বছরের তুলনায় এবারও আগে শুরু হচ্ছে রমজান।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, এ বছর পৃথিবীর অধিকাংশ অঞ্চলে রোজার সময় তুলনামূলক কম হবে—
সর্বনিম্ন প্রায় ১১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট
সর্বোচ্চ প্রায় ১৫ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।

উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে সময়ের পার্থক্য
ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী দিনের দৈর্ঘ্য ভিন্ন হওয়ায় রোজার সময়েও বড় পার্থক্য দেখা যায়।

উত্তর গোলার্ধ
উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত দেশগুলোতে রোজার সময় তুলনামূলক কম থাকবে
(প্রায় ১২–১৩ ঘণ্টা), যা ধীরে ধীরে বাড়বে।

দক্ষিণ গোলার্ধ
দক্ষিণ গোলার্ধে রোজার সময় হবে বেশি
(প্রায় ১৪–১৫ ঘণ্টা), যা ধীরে ধীরে কমে আসবে।

কোন দেশে বেশি, কোথায় কম রোজা?
আন্তর্জাতিক ইসলামিক সময়সূচি সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী—দীর্ঘতম রোজা, নিউজিল্যান্ড, চিলি, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা।

স্বল্পতম রোজা
ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, গ্রিনল্যান্ড, ফিনল্যান্ড।

আরব অঞ্চলে> প্রায় ১২.৫ – ১৩ ঘণ্টা।
বাংলাদেশে> প্রায় ১২ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট থেকে ১৩ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।

ঋতুর কারণে এবার রোজা হবে তুলনামূলক আরামদায়ক
ধীরে ধীরে শীত মৌসুমের দিকে রমজান চলে আসায় বিশ্বের বেশিরভাগ অঞ্চলে আবহাওয়া তুলনামূলক শীতল থাকবে। ফলে রোজা পালন অনেকটাই স্বস্তিদায়ক হবে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

কেন সময়ের এত পার্থক্য?
বিশেষজ্ঞদের মতে —
নিরক্ষরেখা থেকে কোনো দেশ যত দূরে, দিনের দৈর্ঘ্যের পার্থক্য তত বেশি। তাই মেরু অঞ্চলের কাছাকাছি দেশগুলোতে রোজার সময়ের ব্যবধানও সবচেয়ে বেশি হয়।

সর্বাধিক পঠিত

সাভার-আশুলিয়ায় ডিবির পৃথক অভিযান: ১৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৪

চাঁদ দেখা, ভৌগোলিক অবস্থান ও ঋতুর প্রভাবে সময়ের তারতম্য

বিশ্বের কোন দেশে রোজার সময় সবচেয়ে বেশি, আর কোথায় কম?

আপডেট সময়: ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা—শুরু হতে যাচ্ছে মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে পবিত্র মাস রমজান। চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে কোনো দেশে ১৮ ফেব্রুয়ারি, আবার কোথাও ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা শুরু হবে। তবে বিশ্বের সব মুসলমান একই সময় রোজা রাখবেন না; কারণ সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের পার্থক্যের জন্য দেশভেদে রোজার সময় কমবেশি হবে।

চন্দ্রবর্ষের কারণে এগিয়ে এলো রমজান
ইসলামিক ক্যালেন্ডার চন্দ্রবর্ষ ভিত্তিক হওয়ায় প্রতি বছর রমজান প্রায় ১০–১১ দিন আগে আসে। সেই হিসেবে গত বছরের তুলনায় এবারও আগে শুরু হচ্ছে রমজান।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, এ বছর পৃথিবীর অধিকাংশ অঞ্চলে রোজার সময় তুলনামূলক কম হবে—
সর্বনিম্ন প্রায় ১১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট
সর্বোচ্চ প্রায় ১৫ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।

উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে সময়ের পার্থক্য
ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী দিনের দৈর্ঘ্য ভিন্ন হওয়ায় রোজার সময়েও বড় পার্থক্য দেখা যায়।

উত্তর গোলার্ধ
উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত দেশগুলোতে রোজার সময় তুলনামূলক কম থাকবে
(প্রায় ১২–১৩ ঘণ্টা), যা ধীরে ধীরে বাড়বে।

দক্ষিণ গোলার্ধ
দক্ষিণ গোলার্ধে রোজার সময় হবে বেশি
(প্রায় ১৪–১৫ ঘণ্টা), যা ধীরে ধীরে কমে আসবে।

কোন দেশে বেশি, কোথায় কম রোজা?
আন্তর্জাতিক ইসলামিক সময়সূচি সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী—দীর্ঘতম রোজা, নিউজিল্যান্ড, চিলি, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা।

স্বল্পতম রোজা
ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, গ্রিনল্যান্ড, ফিনল্যান্ড।

আরব অঞ্চলে> প্রায় ১২.৫ – ১৩ ঘণ্টা।
বাংলাদেশে> প্রায় ১২ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট থেকে ১৩ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।

ঋতুর কারণে এবার রোজা হবে তুলনামূলক আরামদায়ক
ধীরে ধীরে শীত মৌসুমের দিকে রমজান চলে আসায় বিশ্বের বেশিরভাগ অঞ্চলে আবহাওয়া তুলনামূলক শীতল থাকবে। ফলে রোজা পালন অনেকটাই স্বস্তিদায়ক হবে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

কেন সময়ের এত পার্থক্য?
বিশেষজ্ঞদের মতে —
নিরক্ষরেখা থেকে কোনো দেশ যত দূরে, দিনের দৈর্ঘ্যের পার্থক্য তত বেশি। তাই মেরু অঞ্চলের কাছাকাছি দেশগুলোতে রোজার সময়ের ব্যবধানও সবচেয়ে বেশি হয়।

✒️ আরও পড়ুন 📖  জুমার দিনের বিশেষ আমল ও আদব: মুসলমানদের সাপ্তাহিক ঈদের মহিমা