ঢাকা , শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশের জালে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী, উদ্ধার হেরোইন সাভার প্রেস ক্লাবের জন্য জমিসহ নতুন ভবন নির্মাণের ঘোষণা গরমে শরীরের নীরব সংকেত: অবহেলা করলেই বাড়ছে মারাত্মক ঝুঁকি দুইদিন পর উৎপাদনে ফিরলো বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট, কমবে লোডশেডিং বাংলাদেশে হাম পরিস্থিতি ‘উচ্চঝুঁকিপূর্ণ’: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতা, বাড়ছে শিশুমৃত্যু মেধাভিত্তিক জনপ্রশাসন গড়ার ওপর জোর প্রধানমন্ত্রীর তীব্র গরমে লোডশেডিংয়ের দাপট: কবে মিলবে স্বস্তি? আঙিনায় টবভর্তি গাঁজা, বরিশালে মাদক ব্যবসার নতুন কৌশল ফাঁস দেশে তেলের সংকট নেই, কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা: মির্জা ফখরুল ধামরাইয়ে ঘরে ঢুকে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে নৃশংসভাবে হত্যা
ধামরাই ও সাভারে পৃথক অভিযানে সাফল্য; একাধিক মামলার আসামিও আটক

ডিবি (উত্তর) এর জোড়া অভিযানে ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

ঢাকা জেলার ধামরাই ও সাভার এলাকায় পৃথক পৃথক বিশেষ অভিযানে ২২১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির নগদ ২০ হাজার টাকাসহ তিনজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি-উত্তর)।

ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমানের নির্দেশনায় পরিচালিত এ অভিযানে ডিবি (উত্তর) এর অফিসার ইনচার্জ সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে একাধিক টিম অংশ নেয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২১ এপ্রিল রাত সাড়ে ৮টার দিকে ধামরাই থানাধীন থানা স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মিঠু (২৮) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ১৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, যার আনুমানিক মূল্য ৪৫ হাজার টাকা, এবং মাদক বিক্রির নগদ ২০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মিঠুর বাড়ি নড়াইল জেলার নড়াগাতি থানার কলাবাড়িয়া পশ্চিমপাড়া এলাকায়।

এরপর আরেকটি পৃথক অভিযানে ২২ এপ্রিল রাত ১২টা ১৫ মিনিটে সাভার মডেল থানার মইস্তাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাদিকুল ইসলাম শ্রাবণ (২০) ও তার পিতা নাহিদুল ইসলাম মালু (৪৫) কে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৭১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ২১ হাজার ৩০০ টাকা। তাদের বাড়ি সাভার উপজেলার বাগনীবাড়ি এলাকায়।

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদের মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান মিঠুর বিরুদ্ধে পূর্বে একটি মামলা এবং সাদিকুল ইসলাম শ্রাবণের বিরুদ্ধে একটি মাদক মামলা রয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর) জানায়, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

সর্বাধিক পঠিত

আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশের জালে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী, উদ্ধার হেরোইন

ধামরাই ও সাভারে পৃথক অভিযানে সাফল্য; একাধিক মামলার আসামিও আটক

ডিবি (উত্তর) এর জোড়া অভিযানে ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

আপডেট সময়: ০৩:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা জেলার ধামরাই ও সাভার এলাকায় পৃথক পৃথক বিশেষ অভিযানে ২২১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির নগদ ২০ হাজার টাকাসহ তিনজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি-উত্তর)।

ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমানের নির্দেশনায় পরিচালিত এ অভিযানে ডিবি (উত্তর) এর অফিসার ইনচার্জ সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে একাধিক টিম অংশ নেয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২১ এপ্রিল রাত সাড়ে ৮টার দিকে ধামরাই থানাধীন থানা স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মিঠু (২৮) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ১৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, যার আনুমানিক মূল্য ৪৫ হাজার টাকা, এবং মাদক বিক্রির নগদ ২০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মিঠুর বাড়ি নড়াইল জেলার নড়াগাতি থানার কলাবাড়িয়া পশ্চিমপাড়া এলাকায়।

এরপর আরেকটি পৃথক অভিযানে ২২ এপ্রিল রাত ১২টা ১৫ মিনিটে সাভার মডেল থানার মইস্তাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাদিকুল ইসলাম শ্রাবণ (২০) ও তার পিতা নাহিদুল ইসলাম মালু (৪৫) কে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৭১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ২১ হাজার ৩০০ টাকা। তাদের বাড়ি সাভার উপজেলার বাগনীবাড়ি এলাকায়।

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদের মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান মিঠুর বিরুদ্ধে পূর্বে একটি মামলা এবং সাদিকুল ইসলাম শ্রাবণের বিরুদ্ধে একটি মাদক মামলা রয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর) জানায়, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।