ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকারের বড় পদক্ষেপ

১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন তারেক রহমান

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময়: ১২:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 211

১৩ জেলায় পাইলট কার্যক্রম; ঈদের আগেই হতদরিদ্রদের হাতে কার্ড পৌঁছে দিতে গঠিত মন্ত্রিসভা কমিটি

আগামী ১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রেস উইং এক বার্তায় জানায়, প্রাথমিকভাবে দেশের ১৩টি জেলায় একটি করে ওয়ার্ডে পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলট ভিত্তিতে) এই কার্ড বিতরণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে সারা দেশে কর্মসূচিটি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর অন্যতম প্রধান নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি। সরকার গঠনের পরপরই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সামাজিক সুরক্ষা বলয়ের আওতায় আনতেই এ উদ্যোগ।

ঈদের আগেই হতদরিদ্র মানুষের হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দিতে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সরকার একটি উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করে। এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড প্রদানসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।

কমিটির সভাপতি করা হয়েছে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে। তার নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের এ কমিটিতে রয়েছেন—
সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন
উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
উপদেষ্টা মাহদী আমিন
উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ
মন্ত্রিপরিষদ সচিব
মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব
নির্বাচন কমিশন সচিব
অর্থ সচিব
তথ্য সচিব
স্থানীয় সরকার সচিব
পরিকল্পনা সচিব
সমাজকল্যাণ সচিব

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ধারী পরিবারগুলো ভর্তুকিমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, আর্থিক সহায়তা ও অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা পাওয়ার সুযোগ পাবে। এর মাধ্যমে প্রকৃত উপকারভোগী শনাক্ত করে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পদ্ধতিতে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হলে এ কর্মসূচি দেশের নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সর্বাধিক পঠিত

গুণগত মানে জোর, বাতিল নিম্নমানের চামড়া

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকারের বড় পদক্ষেপ

১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন তারেক রহমান

আপডেট সময়: ১২:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

১৩ জেলায় পাইলট কার্যক্রম; ঈদের আগেই হতদরিদ্রদের হাতে কার্ড পৌঁছে দিতে গঠিত মন্ত্রিসভা কমিটি

আগামী ১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রেস উইং এক বার্তায় জানায়, প্রাথমিকভাবে দেশের ১৩টি জেলায় একটি করে ওয়ার্ডে পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলট ভিত্তিতে) এই কার্ড বিতরণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে সারা দেশে কর্মসূচিটি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর অন্যতম প্রধান নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি। সরকার গঠনের পরপরই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সামাজিক সুরক্ষা বলয়ের আওতায় আনতেই এ উদ্যোগ।

ঈদের আগেই হতদরিদ্র মানুষের হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দিতে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সরকার একটি উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করে। এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড প্রদানসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।

কমিটির সভাপতি করা হয়েছে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে। তার নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের এ কমিটিতে রয়েছেন—
সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন
উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
উপদেষ্টা মাহদী আমিন
উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ
মন্ত্রিপরিষদ সচিব
মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব
নির্বাচন কমিশন সচিব
অর্থ সচিব
তথ্য সচিব
স্থানীয় সরকার সচিব
পরিকল্পনা সচিব
সমাজকল্যাণ সচিব

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ধারী পরিবারগুলো ভর্তুকিমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, আর্থিক সহায়তা ও অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা পাওয়ার সুযোগ পাবে। এর মাধ্যমে প্রকৃত উপকারভোগী শনাক্ত করে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পদ্ধতিতে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হলে এ কর্মসূচি দেশের নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।