ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন নীতিমালা অনুযায়ী ২০২৬ শিক্ষাবর্ষেও ডিজিটাল লটারি পদ্ধতিতে ভর্তি

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির নতুন নীতিমালা প্রকাশ, লটারি পদ্ধতি বহাল

বাংলাদেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নতুন নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) জারি করা নীতিমালায় আগামী শিক্ষাবর্ষে আগের মতোই ডিজিটাল লটারি পদ্ধতিতে ভর্তি বহাল রাখা হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী—অ্যান্ট্রি (প্রবেশ) শ্রেণিতে এবং আসন শূন্য থাকলে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সব শ্রেণিতে ভর্তি করা যাবে। ‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০’ অনুযায়ী ৬ বছরের বেশি বয়সী শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে। তবে নির্ধারিত শিক্ষাবর্ষের ১ জানুয়ারি সর্বনিম্ন বয়স ৫ বছর এবং ৩১ ডিসেম্বর সর্বোচ্চ বয়স ৭ বছর হতে পারবে।

ডিজিটাল লটারি অনুষ্ঠিত হবে কেন্দ্রীয়ভাবে, সময় ও ফি নির্ধারণ করবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ (মাউশি)। ভর্তির সম্পূর্ণ কার্যক্রম মাউশি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে পরিচালনা করবে।

একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ৫টি বিদ্যালয় পর্যন্ত পছন্দক্রম দিতে পারবে। ডাবল শিফট স্কুলের উভয় শিফট বাছাই করলে দুটি পছন্দ হিসেবে গণ্য হবে।

অনলাইন প্রক্রিয়ায় বাড়তি স্বচ্ছতা আনতে শিক্ষার্থীর পছন্দকৃত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য থেকে অবশ্যই একটি প্রতিষ্ঠান চূড়ান্ত করতে হবে—এটি সফটওয়্যারে বাধ্যতামূলক থাকবে।

ঢাকা মহানগরের ৪৪টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় তিনটি গ্রুপে ভাগ থাকবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন সর্বোচ্চ ৩টি থানা ক্যাচমেন্ট এরিয়া হিসেবে নির্ধারণ করা যাবে। ক্যাচমেন্ট এরিয়ার শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০% আসন সংরক্ষিত থাকবে।

বিভিন্ন কোটার হার: ক্যাচমেন্ট কোটা: ৪০%, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান: ৫%, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন: ২%, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মচারীদের সন্তান: মোট ১%, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী: ০.৫%,

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারী: ০.৫%, যমজ: ৩% থেকে কমিয়ে ২%, সহোদর: ২% থেকে বাড়িয়ে ৩%, যমজ–সহোদর কোটায় এক দম্পতির সর্বোচ্চ ৩ সন্তান পর্যন্ত সুবিধা পাবেন।

ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম পাস শিক্ষার্থীদের জন্য ১০% আসন সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক।

ঢাকা মহানগরে: মাউশির মহাপরিচালকের নেতৃত্বে ভর্তি কমিটি, জেলা পর্যায়ে: জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা পর্যায়ে: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), আবেদন ও লটারির সম্ভাব্য সময়সূচি

মাউশির প্রাক্কলিত সময়সূচি অনুযায়ী—১৯ নভেম্বরের মধ্যে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি, ২১ নভেম্বর–৭ ডিসেম্বর: অনলাইন আবেদন, ১৪ ডিসেম্বর: ডিজিটাল লটারি, ১৭–২১ ডিসেম্বর: নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি।

সর্বাধিক পঠিত

গুণগত মানে জোর, বাতিল নিম্নমানের চামড়া

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন নীতিমালা অনুযায়ী ২০২৬ শিক্ষাবর্ষেও ডিজিটাল লটারি পদ্ধতিতে ভর্তি

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির নতুন নীতিমালা প্রকাশ, লটারি পদ্ধতি বহাল

আপডেট সময়: ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নতুন নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) জারি করা নীতিমালায় আগামী শিক্ষাবর্ষে আগের মতোই ডিজিটাল লটারি পদ্ধতিতে ভর্তি বহাল রাখা হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী—অ্যান্ট্রি (প্রবেশ) শ্রেণিতে এবং আসন শূন্য থাকলে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সব শ্রেণিতে ভর্তি করা যাবে। ‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০’ অনুযায়ী ৬ বছরের বেশি বয়সী শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে। তবে নির্ধারিত শিক্ষাবর্ষের ১ জানুয়ারি সর্বনিম্ন বয়স ৫ বছর এবং ৩১ ডিসেম্বর সর্বোচ্চ বয়স ৭ বছর হতে পারবে।

ডিজিটাল লটারি অনুষ্ঠিত হবে কেন্দ্রীয়ভাবে, সময় ও ফি নির্ধারণ করবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ (মাউশি)। ভর্তির সম্পূর্ণ কার্যক্রম মাউশি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে পরিচালনা করবে।

একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ৫টি বিদ্যালয় পর্যন্ত পছন্দক্রম দিতে পারবে। ডাবল শিফট স্কুলের উভয় শিফট বাছাই করলে দুটি পছন্দ হিসেবে গণ্য হবে।

অনলাইন প্রক্রিয়ায় বাড়তি স্বচ্ছতা আনতে শিক্ষার্থীর পছন্দকৃত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য থেকে অবশ্যই একটি প্রতিষ্ঠান চূড়ান্ত করতে হবে—এটি সফটওয়্যারে বাধ্যতামূলক থাকবে।

ঢাকা মহানগরের ৪৪টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় তিনটি গ্রুপে ভাগ থাকবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন সর্বোচ্চ ৩টি থানা ক্যাচমেন্ট এরিয়া হিসেবে নির্ধারণ করা যাবে। ক্যাচমেন্ট এরিয়ার শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০% আসন সংরক্ষিত থাকবে।

বিভিন্ন কোটার হার: ক্যাচমেন্ট কোটা: ৪০%, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান: ৫%, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন: ২%, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মচারীদের সন্তান: মোট ১%, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী: ০.৫%,

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারী: ০.৫%, যমজ: ৩% থেকে কমিয়ে ২%, সহোদর: ২% থেকে বাড়িয়ে ৩%, যমজ–সহোদর কোটায় এক দম্পতির সর্বোচ্চ ৩ সন্তান পর্যন্ত সুবিধা পাবেন।

ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম পাস শিক্ষার্থীদের জন্য ১০% আসন সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক।

ঢাকা মহানগরে: মাউশির মহাপরিচালকের নেতৃত্বে ভর্তি কমিটি, জেলা পর্যায়ে: জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা পর্যায়ে: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), আবেদন ও লটারির সম্ভাব্য সময়সূচি

মাউশির প্রাক্কলিত সময়সূচি অনুযায়ী—১৯ নভেম্বরের মধ্যে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি, ২১ নভেম্বর–৭ ডিসেম্বর: অনলাইন আবেদন, ১৪ ডিসেম্বর: ডিজিটাল লটারি, ১৭–২১ ডিসেম্বর: নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি।