ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলকাতায় ৮ দিনের রিমান্ডে বাংলাদেশি মডেল শান্তা পাল

ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশি মডেল ও অভিনেত্রী শান্তা পালকে গ্রেপ্তার করেছে লালবাজার গোয়েন্দা বিভাগ এবং তাকে আট দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। গত ৩০ জুলাই (বুধবার) যাদবপুরের বিজয়নগরের একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। শান্তার স্বামীর বিরুদ্ধেও সমান্তরালভাবে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস–এর প্রতিবেদনে জানা গেছে, শান্তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে দুটি ভারতীয় আধার কার্ড, একটি ভোটার আইডি, বাংলাদেশি মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র এবং বাংলাদেশে ইস্যু করা একটি বিমান সংস্থার পরিচয়পত্র।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অ্যাপ-ভিত্তিক ক্যাব ব্যবসায় জড়িত থাকার কারণে শান্তার ওপর পুলিশের নজর পড়ে। ২০২৩ সাল থেকে তিনি কলকাতার যাদবপুরের বিজয়নগরে বসবাস করছিলেন।

সম্প্রতি ঠাকুরপুর থানায় শান্তা নিজেই একটি জালিয়াতির মামলা দায়ের করেছিলেন। সেখানে তিনি ভিন্ন একটি ঠিকানা ব্যবহার করেন। তদন্তে দেখা যায়, শান্তা একাধিক সময় ঠিকানা ও পরিচয় পরিবর্তন করেছেন।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ভারতীয় নাগরিকত্ব ও পরিচয়পত্র সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন। এতে সন্দেহ আরও গাঢ় হয়েছে যে, তার পেছনে একটি বড় চক্র সক্রিয় থাকতে পারে।

এদিকে শান্তার সঙ্গে থাকা এক পুরুষ সঙ্গীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, তবে এখনো তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।

সর্বাধিক পঠিত

গুণগত মানে জোর, বাতিল নিম্নমানের চামড়া

কলকাতায় ৮ দিনের রিমান্ডে বাংলাদেশি মডেল শান্তা পাল

আপডেট সময়: ০৪:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ অগাস্ট ২০২৫

ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশি মডেল ও অভিনেত্রী শান্তা পালকে গ্রেপ্তার করেছে লালবাজার গোয়েন্দা বিভাগ এবং তাকে আট দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। গত ৩০ জুলাই (বুধবার) যাদবপুরের বিজয়নগরের একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। শান্তার স্বামীর বিরুদ্ধেও সমান্তরালভাবে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস–এর প্রতিবেদনে জানা গেছে, শান্তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে দুটি ভারতীয় আধার কার্ড, একটি ভোটার আইডি, বাংলাদেশি মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র এবং বাংলাদেশে ইস্যু করা একটি বিমান সংস্থার পরিচয়পত্র।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অ্যাপ-ভিত্তিক ক্যাব ব্যবসায় জড়িত থাকার কারণে শান্তার ওপর পুলিশের নজর পড়ে। ২০২৩ সাল থেকে তিনি কলকাতার যাদবপুরের বিজয়নগরে বসবাস করছিলেন।

সম্প্রতি ঠাকুরপুর থানায় শান্তা নিজেই একটি জালিয়াতির মামলা দায়ের করেছিলেন। সেখানে তিনি ভিন্ন একটি ঠিকানা ব্যবহার করেন। তদন্তে দেখা যায়, শান্তা একাধিক সময় ঠিকানা ও পরিচয় পরিবর্তন করেছেন।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ভারতীয় নাগরিকত্ব ও পরিচয়পত্র সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন। এতে সন্দেহ আরও গাঢ় হয়েছে যে, তার পেছনে একটি বড় চক্র সক্রিয় থাকতে পারে।

এদিকে শান্তার সঙ্গে থাকা এক পুরুষ সঙ্গীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, তবে এখনো তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।