সারা দেশে নির্বাচনি প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই দেশে ফিরবেন এবং নির্বাচনে অংশ নেবেন তিনি।
গত এক মাস ধরে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে দলীয় প্রার্থী বাছাই, তৃণমূলে সভা-সমাবেশ ও ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগ শুরু করেছে বিএনপি।
🔹 আসন বণ্টনে আলোচনা শুরু
নির্বাচনে আসন ভাগাভাগি নিয়ে ইতোমধ্যে মিত্র দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে বিএনপি। দলটির নীতিনির্ধারকরা জানিয়েছেন, মিত্রদের আসন ছাড় দেওয়ার বিষয়ে তারা ইতিবাচক, এবং চলতি মাসের মধ্যেই এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।
🔹 এনসিপির সঙ্গে জটিল সমীকরণ
যদিও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আলাদা জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে, তবুও বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন যে এনসিপির জন্য আসন ছাড় দেওয়ার বিষয়ে তারা ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করছেন।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপি ও এনসিপির মধ্যে বাকযুদ্ধ ও পাল্টা অভিযোগ বেড়ে গেছে। প্রায় প্রতিদিনই এক দলের নেতা অপর দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছেন, যার জবাবে আবার পাল্টা অভিযোগ আসছে।
🔹 জোট রাজনীতিতে নতুন গুঞ্জন
এনসিপি আলাদাভাবে নির্বাচনকেন্দ্রিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তারা ইতোমধ্যে গণতন্ত্র মঞ্চের জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), নাগরিক ঐক্য, গণসংহতি আন্দোলন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, ভাসানী জনশক্তি পার্টি, এবি পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদ-এর সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছে।
গুঞ্জন রয়েছে, এনসিপির নেতৃত্বে নতুন একটি জোট গঠনের আলোচনা চলছে, তবে দলটি জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সঙ্গে জোটে যেতে অনাগ্রহী।
🔹 ‘রাজনীতিতে শেষ কথা নেই’
এনসিপির সিনিয়র নেতাদের একজন জানিয়েছেন, “আমরা ৩০০ আসনেই প্রার্থী দেব। বিএনপি বা জামায়াতের কোনো জোটেই যাচ্ছি না। নতুন জোট হলে এনসিপির নেতৃত্বেই হবে।” তবে দলটির আরেক নেতা বলেন, “রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই।” অন্যদিকে, বিএনপির নীতিনির্ধারকরা জানিয়েছেন, এনসিপির সঙ্গে তাদের সুসম্পর্ক রয়েছে, এবং এনসিপি আলাদা জোট করলেও তাদের জন্য আসন ছাড় দেওয়ার বিষয়ে বিএনপি ইতিবাচক মনোভাব রাখছে।

অনলাইন ডেস্ক 






