‘উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বিশেষ স্মারক ডাক টিকিট, উদ্বোধনী খাম ও ডাটাকার্ড প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার (৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এসব ডাকসামগ্রীর উদ্বোধন করেন।
এ উপলক্ষে ১০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক ডাক টিকিট, একটি উদ্বোধনী খাম এবং ৫ টাকা মূল্যমানের একটি ডাটাকার্ড প্রকাশ করা হয়। উদ্বোধনের মাধ্যমে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরার পাশাপাশি দেশের পল্লী উন্নয়ন কার্যক্রমে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদুল হাসান। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, ডাক বিভাগ এবং সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
সরকারি সূত্র জানায়, ৬ জুলাই ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস’ উপলক্ষে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ প্রতি বছরই বিশেষ স্মারক ডাক টিকিট, উদ্বোধনী খাম ও ডাটাকার্ড প্রকাশ করে থাকে। এর মাধ্যমে দেশের গ্রামীণ উন্নয়ন, কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা এবং পল্লী অঞ্চলের সার্বিক অগ্রগতিতে অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি সম্মান জানানো হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানান, জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসের মূল লক্ষ্য হলো গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন, সমবায় কার্যক্রমের সম্প্রসারণ এবং টেকসই পল্লী উন্নয়নের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। একই সঙ্গে আধুনিক, স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ গ্রাম গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ জনগণের সামনে তুলে ধরাও এ দিবস পালনের অন্যতম উদ্দেশ্য।
ডাক বিভাগের প্রকাশিত স্মারক ডাক টিকিট ও উদ্বোধনী খাম সংগ্রাহক, গবেষক এবং ইতিহাস-সংরক্ষণে আগ্রহীদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। জাতীয় দিবস ও গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় আয়োজনকে স্মরণীয় করে রাখতে এসব স্মারক দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ করে আসছে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ।
উল্লেখ্য, ‘উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এবার দেশব্যাপী জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালনে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা, র্যালি, সেমিনার, উন্নয়ন প্রদর্শনী এবং জনসচেতনতামূলক নানা আয়োজনের মাধ্যমে পল্লী উন্নয়নে সরকারের সাফল্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে।

অনলাইন ডেস্ক 












