ঢাকা , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
সাভার সেটেলমেন্ট অফিসে ঘুষের রমরমা: বেঞ্চ সহকারী হেলালকে ঘিরে তোলপাড় সাভারে তরুণী গণধর্ষণ: দুই আসামি আটক, পলাতক আরও তিনজন ইয়াবা ও হেরোইনসহ ৭ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ধামরাইয়ে ৯ মামলার আসামি ছিনতাইকারী গ্রেফতার সাভারের ভাঙচুর মামলায় জামিনে মুক্ত ছাত্রদল নেতা রেজাউল করিম জুয়েল ঢাকা জেলায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, গ্রেফতার ৪ ব্যবসায়ী ধামরাইয়ে অবৈধ সীসা কারখানায় অভিযান, জরিমানা ৫০ হাজার টাকা নিয়ম না মানায় অপপ্রচার: সাভার সাব-রেজিস্ট্রারের অভিযোগ গাঁজাসহ আশুলিয়ায় ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৬ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
জামায়াতে ইসলামীসহ আট দলের যৌথ কর্মসূচি — আগামী মাসে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের হুমকি

গণভোটসহ পাঁচ দফা দাবিতে দেশের সব বিভাগীয় শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ শনিবার

গণভোটসহ পাঁচ দফা দাবিতে শনিবার (২৫ অক্টোবর) ঢাকাসহ দেশের সব বিভাগীয় শহর ও মহানগরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ আটটি রাজনৈতিক দল।

অংশগ্রহণকারী দলগুলো হলো— বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি)।

রোববার (২০ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন জোটের শীর্ষ নেতারা। তারা জানান, দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে আগামী মাস থেকে সারাদেশে আরও বৃহত্তর আন্দোলন শুরু হবে।

বিক্ষোভ সফল করতে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এই আন্দোলনে সকলের অংশগ্রহণ অপরিহার্য।”

✋ জোটের পাঁচ দফা দাবি:
1️⃣ ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের আদেশ জারি ও আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যে তার ওপর গণভোট আয়োজন।
2️⃣ আগামী জাতীয় নির্বাচনে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (PR) পদ্ধতি চালু।
3️⃣ অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য সমান সুযোগ (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) নিশ্চিত।
4️⃣ সরকারের দমন-পীড়ন, দুর্নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার দৃশ্যমান করা।
5️⃣ জাতীয় পার্টি ও ১৪-দলীয় জোটের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা।

📢 আগের ও পরবর্তী কর্মসূচি:
এর আগে ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত ২০ অক্টোবর রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে দলগুলো। শনিবার (২৫ অক্টোবর) সব বিভাগীয় শহরে সমাবেশ, আর ২৭ অক্টোবর জেলা শহরগুলোতে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হবে জামায়াত ও তাদের সমমনা দলগুলোর উদ্যোগে।

জোটের নেতারা জানিয়েছেন, “এ কর্মসূচি হচ্ছে নির্বাচনী সংস্কার ও জনগণের মতামত প্রতিফলনের আন্দোলনের অংশ, যা ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারিত হবে।”

সর্বাধিক পঠিত

সাভার সেটেলমেন্ট অফিসে ঘুষের রমরমা: বেঞ্চ সহকারী হেলালকে ঘিরে তোলপাড়

জামায়াতে ইসলামীসহ আট দলের যৌথ কর্মসূচি — আগামী মাসে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের হুমকি

গণভোটসহ পাঁচ দফা দাবিতে দেশের সব বিভাগীয় শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ শনিবার

আপডেট সময়: ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

গণভোটসহ পাঁচ দফা দাবিতে শনিবার (২৫ অক্টোবর) ঢাকাসহ দেশের সব বিভাগীয় শহর ও মহানগরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ আটটি রাজনৈতিক দল।

অংশগ্রহণকারী দলগুলো হলো— বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি)।

রোববার (২০ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন জোটের শীর্ষ নেতারা। তারা জানান, দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে আগামী মাস থেকে সারাদেশে আরও বৃহত্তর আন্দোলন শুরু হবে।

বিক্ষোভ সফল করতে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এই আন্দোলনে সকলের অংশগ্রহণ অপরিহার্য।”

✋ জোটের পাঁচ দফা দাবি:
1️⃣ ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের আদেশ জারি ও আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যে তার ওপর গণভোট আয়োজন।
2️⃣ আগামী জাতীয় নির্বাচনে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (PR) পদ্ধতি চালু।
3️⃣ অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য সমান সুযোগ (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) নিশ্চিত।
4️⃣ সরকারের দমন-পীড়ন, দুর্নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার দৃশ্যমান করা।
5️⃣ জাতীয় পার্টি ও ১৪-দলীয় জোটের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা।

📢 আগের ও পরবর্তী কর্মসূচি:
এর আগে ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত ২০ অক্টোবর রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে দলগুলো। শনিবার (২৫ অক্টোবর) সব বিভাগীয় শহরে সমাবেশ, আর ২৭ অক্টোবর জেলা শহরগুলোতে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হবে জামায়াত ও তাদের সমমনা দলগুলোর উদ্যোগে।

জোটের নেতারা জানিয়েছেন, “এ কর্মসূচি হচ্ছে নির্বাচনী সংস্কার ও জনগণের মতামত প্রতিফলনের আন্দোলনের অংশ, যা ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারিত হবে।”