ঢাকা , শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
সাভার-আশুলিয়ায় ইয়াবা-হেরোইনসহ ৬ জন গ্রেপ্তার আশুলিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৪ পরিবারকে ৩ লাখ টাকা করে সহায়তা সৌদি আরবের উন্নয়ন প্রকল্পে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরির আশা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়তে বিশ্বনেতাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ধামরাইয়ে ৪৫ পিস ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেপ্তার কোন নামাজে কী আমল করতে হয় ও কীভাবে—সহজ গাইড ৫ ওয়াক্ত নামাজ কীভাবে ফরজ হলো, সহিহ ও শুদ্ধভাবে নামাজ পড়ার নিয়ম সাভার-ধামরাইয়ে ডিবির বিশেষ অভিযান: ইয়াবা-হেরোইনসহ ৬ জন গ্রেপ্তার এবার নিজের যে দুর্বলতার কথা স্বীকার করলেন রাশমিকা বিগ বসে কেন গিয়েছিলেন নোরা ফতেহি? ফাঁস করলেন অজানা গল্প
"আকাশ জ্বলছিল, রাস্তায় মৃতদেহ... ঢাকা তখন ছিল এক মৃত শহর" — প্রত্যক্ষদর্শীর চোখে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রহরের ভয়াবহতা।

২৫ মার্চের কালরাত্রি: মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ঢাকার নিস্তব্ধ আতঙ্ক

ঢাকা, মার্চ ১৯৭১। শহরের রাস্তায় তখন রাতের অন্ধকার। কিন্তু সেই অন্ধকারকে চিরে চিরে আসছিল গুলির শব্দ, মর্টারের বিস্ফোরণ আর মানুষের আর্তচিৎকার। ২৫ মার্চের রাতেই পাকিস্তানি সেনারা চালায় ‘অপারেশন সার্চলাইট’—যার উদ্দেশ্য ছিল নিরস্ত্র বাঙালিদের আন্দোলন চিরতরে স্তব্ধ করা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বসবাসকারী রোকেয়া হলের এক প্রাক্তন শিক্ষার্থী স্মৃতিচারণ করে বলেন—
“হঠাৎ দেখি হলের বাইরে আলোর ঝলকানি, সঙ্গে বিকট শব্দ। আমাদের কক্ষের জানালায় গুলি এসে লাগে। একসময় জানালা দিয়ে দেখি, করিডরে সহপাঠীরা পড়ে আছে… নিঃশ্বাস নেই কারও।”

পিলখানা, আজিমপুর, পল্টন, পুরান ঢাকা—সবখানেই চলছিল নির্বিচার হত্যা ও অগ্নিসংযোগ। সেনারা ঘরে ঘরে ঢুকে মানুষ টেনে বের করছিল, কেউ গুলি খেয়ে পড়ছে, কেউ আতঙ্কে প্রাণ বাঁচাতে ছুটছে।

পুরান ঢাকার এক বৃদ্ধ তখনকার দৃশ্য মনে করে বলেন—
“রাস্তায় যতদূর চোখ যায়, লাশ আর লাশ। চারপাশে বারুদের গন্ধ, আগুনে জ্বলছিল ঘরবাড়ি। শহরটা যেন কবরস্থানে পরিণত হয়েছিল।”

রাত পেরিয়ে যখন ভোর হলো, ঢাকার আকাশে ছিল ধোঁয়ার কালো মেঘ। রেডিও পাকিস্তানের হাতে, সংবাদপত্র সেনাদের সেন্সরে আটকে। আর মানুষ? তারা তখনো ঘরে আটকা, মনে শুধু প্রশ্ন—”এ শহর কি আর কখনো আগের মতো হবে?”

সাভার-আশুলিয়ায় ইয়াবা-হেরোইনসহ ৬ জন গ্রেপ্তার

"আকাশ জ্বলছিল, রাস্তায় মৃতদেহ... ঢাকা তখন ছিল এক মৃত শহর" — প্রত্যক্ষদর্শীর চোখে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রহরের ভয়াবহতা।

২৫ মার্চের কালরাত্রি: মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ঢাকার নিস্তব্ধ আতঙ্ক

আপডেট সময়: ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫

ঢাকা, মার্চ ১৯৭১। শহরের রাস্তায় তখন রাতের অন্ধকার। কিন্তু সেই অন্ধকারকে চিরে চিরে আসছিল গুলির শব্দ, মর্টারের বিস্ফোরণ আর মানুষের আর্তচিৎকার। ২৫ মার্চের রাতেই পাকিস্তানি সেনারা চালায় ‘অপারেশন সার্চলাইট’—যার উদ্দেশ্য ছিল নিরস্ত্র বাঙালিদের আন্দোলন চিরতরে স্তব্ধ করা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বসবাসকারী রোকেয়া হলের এক প্রাক্তন শিক্ষার্থী স্মৃতিচারণ করে বলেন—
“হঠাৎ দেখি হলের বাইরে আলোর ঝলকানি, সঙ্গে বিকট শব্দ। আমাদের কক্ষের জানালায় গুলি এসে লাগে। একসময় জানালা দিয়ে দেখি, করিডরে সহপাঠীরা পড়ে আছে… নিঃশ্বাস নেই কারও।”

পিলখানা, আজিমপুর, পল্টন, পুরান ঢাকা—সবখানেই চলছিল নির্বিচার হত্যা ও অগ্নিসংযোগ। সেনারা ঘরে ঘরে ঢুকে মানুষ টেনে বের করছিল, কেউ গুলি খেয়ে পড়ছে, কেউ আতঙ্কে প্রাণ বাঁচাতে ছুটছে।

পুরান ঢাকার এক বৃদ্ধ তখনকার দৃশ্য মনে করে বলেন—
“রাস্তায় যতদূর চোখ যায়, লাশ আর লাশ। চারপাশে বারুদের গন্ধ, আগুনে জ্বলছিল ঘরবাড়ি। শহরটা যেন কবরস্থানে পরিণত হয়েছিল।”

রাত পেরিয়ে যখন ভোর হলো, ঢাকার আকাশে ছিল ধোঁয়ার কালো মেঘ। রেডিও পাকিস্তানের হাতে, সংবাদপত্র সেনাদের সেন্সরে আটকে। আর মানুষ? তারা তখনো ঘরে আটকা, মনে শুধু প্রশ্ন—”এ শহর কি আর কখনো আগের মতো হবে?”

✒️ আরও পড়ুন 📖  ২২ জুন: ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা