ঢাকা , শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নির্মাণাধীন বাড়ির প্রবেশপথে দেয়াল তুলে বাধা, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ – তদন্তে নেমেছে পুলিশ

তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নে সাবেক মেম্বারের বাড়ির প্রবেশপথ অবরুদ্ধ, তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে সাবেক ইউপি সদস্য ও স্থানীয় বিএনপি সভাপতি মো. কামাল হোসেনের নির্মাণাধীন বাড়ির গেটে দেয়াল তুলে প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি সাভার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগপত্রে কামাল হোসেন উল্লেখ করেন, তিনি সাভার থানাধীন জামুর ক্ষিদ্রগতি মৌজার ভরারী দক্ষিণপাড়ায় ৭.৫ শতাংশ জমি বৈধভাবে ক্রয় করে ভোগদখল করে আসছেন এবং গত ৬ মাস ধরে সেখানে বাড়ি নির্মাণ করছেন।

কিন্তু প্রতিবেশী মো. জয়নাল আবেদীন (৫৭), নজরুল ইসলাম (৩৮) ও আলতাব হোসেন (৫৮) বিভিন্ন সময় তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে আসছিলেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত ২ আগস্ট সকাল ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে উল্লিখিত তিনজন অভিযুক্ত মিলে তার নির্মাণাধীন বাড়ির সামনে দেয়াল তুলে রাস্তাটি বন্ধ করে দেয়। এ সময় বাধা দিতে গেলে তারা কামাল হোসেনকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে এবং হুমকি দিয়ে বলে, “এই রাস্তা দিয়ে চলতে হলে আমাদের টাকা দিতে হবে।” এছাড়াও তারা তাকে মারধরের জন্য উদ্যত হয় এবং প্রাণনাশের হুমকিও প্রদান করে।

ঘটনা প্রসঙ্গে মো. কামাল হোসেন বলেন,
“আমি বৈধভাবে জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ করছি। কিন্তু হঠাৎ করে প্রতিপক্ষরা বেআইনিভাবে আমার বাড়ির প্রবেশপথ বন্ধ করে দিয়েছে। আমি মনে করি, এটা আমাকে হয়রানি ও রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করার ষড়যন্ত্র।” আমি নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। তাই আইনের আশ্রয় নিয়েছি।” তিনি আরও বলেন, “আমি প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি, দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং আমার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।

এ বিষয়ে সাভার মডেল থানাধীন ট্যানারী পুলিশ ফাঁড়ির এস আই মজিবুর রহমান জানান, “লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা চলছে। অনেকে মনে করছেন, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া একটি উসকানিমূলক পদক্ষেপ বলে মনে করছেন অনেকে। এ ধরনের কাজ আইনত দণ্ডনীয় এবং ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

সর্বাধিক পঠিত

গুণগত মানে জোর, বাতিল নিম্নমানের চামড়া

নির্মাণাধীন বাড়ির প্রবেশপথে দেয়াল তুলে বাধা, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ – তদন্তে নেমেছে পুলিশ

তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নে সাবেক মেম্বারের বাড়ির প্রবেশপথ অবরুদ্ধ, তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

আপডেট সময়: ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫

সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে সাবেক ইউপি সদস্য ও স্থানীয় বিএনপি সভাপতি মো. কামাল হোসেনের নির্মাণাধীন বাড়ির গেটে দেয়াল তুলে প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি সাভার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগপত্রে কামাল হোসেন উল্লেখ করেন, তিনি সাভার থানাধীন জামুর ক্ষিদ্রগতি মৌজার ভরারী দক্ষিণপাড়ায় ৭.৫ শতাংশ জমি বৈধভাবে ক্রয় করে ভোগদখল করে আসছেন এবং গত ৬ মাস ধরে সেখানে বাড়ি নির্মাণ করছেন।

কিন্তু প্রতিবেশী মো. জয়নাল আবেদীন (৫৭), নজরুল ইসলাম (৩৮) ও আলতাব হোসেন (৫৮) বিভিন্ন সময় তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে আসছিলেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত ২ আগস্ট সকাল ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে উল্লিখিত তিনজন অভিযুক্ত মিলে তার নির্মাণাধীন বাড়ির সামনে দেয়াল তুলে রাস্তাটি বন্ধ করে দেয়। এ সময় বাধা দিতে গেলে তারা কামাল হোসেনকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে এবং হুমকি দিয়ে বলে, “এই রাস্তা দিয়ে চলতে হলে আমাদের টাকা দিতে হবে।” এছাড়াও তারা তাকে মারধরের জন্য উদ্যত হয় এবং প্রাণনাশের হুমকিও প্রদান করে।

ঘটনা প্রসঙ্গে মো. কামাল হোসেন বলেন,
“আমি বৈধভাবে জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ করছি। কিন্তু হঠাৎ করে প্রতিপক্ষরা বেআইনিভাবে আমার বাড়ির প্রবেশপথ বন্ধ করে দিয়েছে। আমি মনে করি, এটা আমাকে হয়রানি ও রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করার ষড়যন্ত্র।” আমি নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। তাই আইনের আশ্রয় নিয়েছি।” তিনি আরও বলেন, “আমি প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি, দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং আমার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।

এ বিষয়ে সাভার মডেল থানাধীন ট্যানারী পুলিশ ফাঁড়ির এস আই মজিবুর রহমান জানান, “লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা চলছে। অনেকে মনে করছেন, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া একটি উসকানিমূলক পদক্ষেপ বলে মনে করছেন অনেকে। এ ধরনের কাজ আইনত দণ্ডনীয় এবং ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।