ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
সাভারে ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতারণা চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার, ৩টি মোবাইল উদ্ধার সাভারে ডিবির পৃথক অভিযানে দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, উদ্ধার ইয়াবা-হেরোইন ও নগদ টাকা সাভারে ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযান: চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, প্রাইভেটকার উদ্ধার সাভার ও আশুলিয়ায় ডিবির বিশেষ অভিযান: গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৪ জন গ্রেপ্তার আলিয়া-দীপিকাকে নিয়ে কী বললেন রাধিকা? তনুশ্রী দত্তের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা ভালো ছিল না, অভিযোগ অভিনেত্রী হেতল যাদবের টানা ১০ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলছে স্কুল-মাদ্রাসা, কলেজে ক্লাস ১ নভেম্বর সাভার-আশুলিয়ায় ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩ সাভার বিএনপি সভাপতি সাইফুলকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ তৃণমূল আমিনবাজারে সরকারি ডিজেল পাচারের অভিযোগ, ট্রাকচালক আটক

আশুলিয়া এলাকায় যৌথবাহিনীর চিরুনি অভিযান: ৮ জন গ্রেপ্তার

সাভারের আশুলিয়ার জামগড়া, রূপায়ণ মাঠ ও ভাদাইল এলাকায় যৌথবাহিনী একযোগে চিরুনি অভিযান চালিয়েছে। সোমবার (৪ আগস্ট) সকাল থেকে শুরু হয়ে বেলা পর্যন্ত চলা এ অভিযানে ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ মোট ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মো. আল আমিন মন্ডল (ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার মূল আসামি), জুনায়েদ হাসান জুনু (একাধিক অস্ত্র মামলার আসামি), রোমান ইসলাম (কিশোর গ্যাংয়ের সক্রিয় সদস্য), মো. স্বপন, রাফিউল ইসলাম রকি, মনির হোসেন, ইয়ামিন হোসেন, নুরুল হক (স্থানীয়ভাবে চিহ্নিত অপরাধী)।

অভিযান চলাকালে গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ২০টিরও বেশি দেশীয় ধারালো অস্ত্র, একটি ইলেকট্রিক শকার, দুইটি চোরাই মোটরসাইকেল, পাঁচটি মোবাইল ফোন, ১০টি সিমকার্ড এবং বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।

আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান জানান, “সকাল থেকেই জামগড়া, রূপায়ণ মাঠ ও ভাদাইল এলাকায় যৌথভাবে অভিযান চালানো হয়। আটকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানের পর তাদের থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

পুলিশ আরও জানায়, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও মোটরসাইকেল চুরিতে জড়িত ছিল। এছাড়া, গ্রেপ্তারদের মধ্যে কয়েকজন সম্প্রতি সংঘটিত কয়েকটি সংঘর্ষ ও হামলার সাথেও জড়িত থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

এলাকাবাসীর অনেকে জানান, জামগড়া ও ভাদাইল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই কিছু তরুণ সংঘবদ্ধভাবে নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্যে সাধারণ মানুষ ভীতসন্ত্রস্ত ছিলেন। যৌথবাহিনীর এই অভিযানকে তারা স্বাগত জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে এমন উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পূর্বের মামলাগুলোর পাশাপাশি নতুন করে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য আইনে একাধিক মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। খুব শিগগিরই তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।

সাভারে ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতারণা চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার, ৩টি মোবাইল উদ্ধার

আশুলিয়া এলাকায় যৌথবাহিনীর চিরুনি অভিযান: ৮ জন গ্রেপ্তার

আপডেট সময়: ০২:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫

সাভারের আশুলিয়ার জামগড়া, রূপায়ণ মাঠ ও ভাদাইল এলাকায় যৌথবাহিনী একযোগে চিরুনি অভিযান চালিয়েছে। সোমবার (৪ আগস্ট) সকাল থেকে শুরু হয়ে বেলা পর্যন্ত চলা এ অভিযানে ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ মোট ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মো. আল আমিন মন্ডল (ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার মূল আসামি), জুনায়েদ হাসান জুনু (একাধিক অস্ত্র মামলার আসামি), রোমান ইসলাম (কিশোর গ্যাংয়ের সক্রিয় সদস্য), মো. স্বপন, রাফিউল ইসলাম রকি, মনির হোসেন, ইয়ামিন হোসেন, নুরুল হক (স্থানীয়ভাবে চিহ্নিত অপরাধী)।

অভিযান চলাকালে গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ২০টিরও বেশি দেশীয় ধারালো অস্ত্র, একটি ইলেকট্রিক শকার, দুইটি চোরাই মোটরসাইকেল, পাঁচটি মোবাইল ফোন, ১০টি সিমকার্ড এবং বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।

আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান জানান, “সকাল থেকেই জামগড়া, রূপায়ণ মাঠ ও ভাদাইল এলাকায় যৌথভাবে অভিযান চালানো হয়। আটকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানের পর তাদের থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

পুলিশ আরও জানায়, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও মোটরসাইকেল চুরিতে জড়িত ছিল। এছাড়া, গ্রেপ্তারদের মধ্যে কয়েকজন সম্প্রতি সংঘটিত কয়েকটি সংঘর্ষ ও হামলার সাথেও জড়িত থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

এলাকাবাসীর অনেকে জানান, জামগড়া ও ভাদাইল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই কিছু তরুণ সংঘবদ্ধভাবে নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্যে সাধারণ মানুষ ভীতসন্ত্রস্ত ছিলেন। যৌথবাহিনীর এই অভিযানকে তারা স্বাগত জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে এমন উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পূর্বের মামলাগুলোর পাশাপাশি নতুন করে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য আইনে একাধিক মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। খুব শিগগিরই তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।