ঢাকা , শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
সাভার-আশুলিয়ায় ইয়াবা-হেরোইনসহ ৬ জন গ্রেপ্তার আশুলিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৪ পরিবারকে ৩ লাখ টাকা করে সহায়তা সৌদি আরবের উন্নয়ন প্রকল্পে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরির আশা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়তে বিশ্বনেতাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ধামরাইয়ে ৪৫ পিস ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেপ্তার কোন নামাজে কী আমল করতে হয় ও কীভাবে—সহজ গাইড ৫ ওয়াক্ত নামাজ কীভাবে ফরজ হলো, সহিহ ও শুদ্ধভাবে নামাজ পড়ার নিয়ম সাভার-ধামরাইয়ে ডিবির বিশেষ অভিযান: ইয়াবা-হেরোইনসহ ৬ জন গ্রেপ্তার এবার নিজের যে দুর্বলতার কথা স্বীকার করলেন রাশমিকা বিগ বসে কেন গিয়েছিলেন নোরা ফতেহি? ফাঁস করলেন অজানা গল্প
আজ রাত ৯টা ৩ মিনিটে ঘটছে শীত অয়নান্ত, শুরু জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক শীতের যাত্রা

আজ শীত অয়নান্ত: বছরের সবচেয়ে ছোট দিন ও দীর্ঘতম রাত

আজ ২০২৫ সালের শীত অয়নান্ত। সহজভাবে বলতে গেলে, আজই উত্তর গোলার্ধে বছরের সবচেয়ে ছোট দিন এবং সবচেয়ে বড় রাতের দেখা মিলবে। এই বিশেষ দিনের মধ্য দিয়েই শুরু হলো জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক শীত।

আবহাওয়াবিদদের হিসাবে বাংলাদেশে শীত শুরু হয়েছে ১ ডিসেম্বর থেকেই। তবে বহু মানুষ শীত অয়নান্তের দিনটিকেই প্রকৃত শীতের সূচনাদিন হিসেবে মনে করেন— এমনটাই জানিয়েছে বিবিসি।

শীত অয়নান্ত আসলে পুরো একটি দিনব্যাপী ঘটনা নয়। এটি একটি নির্দিষ্ট জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক মুহূর্ত। ইউএসএ টুডে জানিয়েছে, বাংলাদেশ সময় আজ রাত ৯টা ৩ মিনিটে শীত অয়নান্ত সংঘটিত হবে। এই সময় উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি দূরে হেলে থাকে। ফলে সূর্যের আলো এখানে সবচেয়ে কম পড়ে।

শীত অয়নান্তের দিনে সূর্য থাকে মকরক্রান্তি রেখার ঠিক ওপর। এর ফলে—দক্ষিণ গোলার্ধে দেখা যায় বছরের সবচেয়ে বড় দিন ও সবচেয়ে ছোট রাত,
উত্তর গোলার্ধে সূর্যের আলো পড়ে সবচেয়ে কম, দিন হয় সবচেয়ে ছোট এবং রাত হয় দীর্ঘতম, এ কারণেই উত্তর গোলার্ধে এই সময় শীতের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়।

উত্তর গোলার্ধে সূর্যের আলো পড়ে সবচেয়ে কম, দিন হয় সবচেয়ে ছোট এবং রাত হয় দীর্ঘতম, এ কারণেই উত্তর গোলার্ধে এই সময় শীতের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়।

বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবী তার নিজ অক্ষের ওপর প্রায় ২৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি কাত হয়ে ঘুরছে। এই কাত থাকার কারণেই ঋতুর পরিবর্তন ঘটে। অনেকে মনে করেন, সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্বের কারণে শীত-গ্রীষ্ম হয়। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলছেন—সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব নয়, বরং পৃথিবীর অক্ষের কাত থাকার কারণেই ঋতু পরিবর্তন ঘটে।

শীত অয়নান্তের পর সূর্য ধীরে ধীরে বিষুবরেখার দিকে উত্তরমুখী যাত্রা শুরু করে। এই যাত্রা চলে প্রায় ছয় মাস।

এরপর আসে গ্রীষ্ম অয়নান্ত। তখন সূর্য অবস্থান করে কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর এবং উত্তর গোলার্ধে দেখা যায় বছরের সবচেয়ে বড় দিন।

শীত ও গ্রীষ্ম অয়নান্তের মাঝখানে আসে দুটি বিষুব— মার্চ বিষুব → বসন্তের সূচনা। সেপ্টেম্বর বিষুব → শরৎ ঋতুর সূচনা। এই সময় দিন ও রাত প্রায় সমান হয়।

জ্যোতির্বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে শীত অয়নান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনে সূর্য আকাশে বছরের সবচেয়ে নিচু অবস্থানে থাকে। তবে বিজ্ঞানীরা জানান, এটি সূর্য ওঠা বা ডোবার সময়ের চূড়ান্ত দিন নয়।

জানুয়ারি মাসে পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে থাকে। তবুও তখন উত্তর গোলার্ধে শীত অনুভূত হয়। এটি আবারও প্রমাণ করে—ঋতু পরিবর্তনের প্রধান কারণ সূর্য থেকে দূরত্ব নয়, বরং পৃথিবীর ২৩ ডিগ্রি কাত হয়ে থাকা।

সাভার-আশুলিয়ায় ইয়াবা-হেরোইনসহ ৬ জন গ্রেপ্তার

আজ রাত ৯টা ৩ মিনিটে ঘটছে শীত অয়নান্ত, শুরু জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক শীতের যাত্রা

আজ শীত অয়নান্ত: বছরের সবচেয়ে ছোট দিন ও দীর্ঘতম রাত

আপডেট সময়: ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

আজ ২০২৫ সালের শীত অয়নান্ত। সহজভাবে বলতে গেলে, আজই উত্তর গোলার্ধে বছরের সবচেয়ে ছোট দিন এবং সবচেয়ে বড় রাতের দেখা মিলবে। এই বিশেষ দিনের মধ্য দিয়েই শুরু হলো জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক শীত।

আবহাওয়াবিদদের হিসাবে বাংলাদেশে শীত শুরু হয়েছে ১ ডিসেম্বর থেকেই। তবে বহু মানুষ শীত অয়নান্তের দিনটিকেই প্রকৃত শীতের সূচনাদিন হিসেবে মনে করেন— এমনটাই জানিয়েছে বিবিসি।

শীত অয়নান্ত আসলে পুরো একটি দিনব্যাপী ঘটনা নয়। এটি একটি নির্দিষ্ট জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক মুহূর্ত। ইউএসএ টুডে জানিয়েছে, বাংলাদেশ সময় আজ রাত ৯টা ৩ মিনিটে শীত অয়নান্ত সংঘটিত হবে। এই সময় উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি দূরে হেলে থাকে। ফলে সূর্যের আলো এখানে সবচেয়ে কম পড়ে।

শীত অয়নান্তের দিনে সূর্য থাকে মকরক্রান্তি রেখার ঠিক ওপর। এর ফলে—দক্ষিণ গোলার্ধে দেখা যায় বছরের সবচেয়ে বড় দিন ও সবচেয়ে ছোট রাত,
উত্তর গোলার্ধে সূর্যের আলো পড়ে সবচেয়ে কম, দিন হয় সবচেয়ে ছোট এবং রাত হয় দীর্ঘতম, এ কারণেই উত্তর গোলার্ধে এই সময় শীতের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়।

উত্তর গোলার্ধে সূর্যের আলো পড়ে সবচেয়ে কম, দিন হয় সবচেয়ে ছোট এবং রাত হয় দীর্ঘতম, এ কারণেই উত্তর গোলার্ধে এই সময় শীতের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়।

বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবী তার নিজ অক্ষের ওপর প্রায় ২৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি কাত হয়ে ঘুরছে। এই কাত থাকার কারণেই ঋতুর পরিবর্তন ঘটে। অনেকে মনে করেন, সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্বের কারণে শীত-গ্রীষ্ম হয়। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলছেন—সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব নয়, বরং পৃথিবীর অক্ষের কাত থাকার কারণেই ঋতু পরিবর্তন ঘটে।

শীত অয়নান্তের পর সূর্য ধীরে ধীরে বিষুবরেখার দিকে উত্তরমুখী যাত্রা শুরু করে। এই যাত্রা চলে প্রায় ছয় মাস।

এরপর আসে গ্রীষ্ম অয়নান্ত। তখন সূর্য অবস্থান করে কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর এবং উত্তর গোলার্ধে দেখা যায় বছরের সবচেয়ে বড় দিন।

✒️ আরও পড়ুন 📖  দেশজুড়ে শীতের দাপট, জানুয়ারিতে বাড়তে পারে শৈত্যপ্রবাহ

শীত ও গ্রীষ্ম অয়নান্তের মাঝখানে আসে দুটি বিষুব— মার্চ বিষুব → বসন্তের সূচনা। সেপ্টেম্বর বিষুব → শরৎ ঋতুর সূচনা। এই সময় দিন ও রাত প্রায় সমান হয়।

জ্যোতির্বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে শীত অয়নান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনে সূর্য আকাশে বছরের সবচেয়ে নিচু অবস্থানে থাকে। তবে বিজ্ঞানীরা জানান, এটি সূর্য ওঠা বা ডোবার সময়ের চূড়ান্ত দিন নয়।

জানুয়ারি মাসে পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে থাকে। তবুও তখন উত্তর গোলার্ধে শীত অনুভূত হয়। এটি আবারও প্রমাণ করে—ঋতু পরিবর্তনের প্রধান কারণ সূর্য থেকে দূরত্ব নয়, বরং পৃথিবীর ২৩ ডিগ্রি কাত হয়ে থাকা।