ঢাকা , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
সাভার সেটেলমেন্ট অফিসে ঘুষের রমরমা: বেঞ্চ সহকারী হেলালকে ঘিরে তোলপাড় সাভারে তরুণী গণধর্ষণ: দুই আসামি আটক, পলাতক আরও তিনজন ইয়াবা ও হেরোইনসহ ৭ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ধামরাইয়ে ৯ মামলার আসামি ছিনতাইকারী গ্রেফতার সাভারের ভাঙচুর মামলায় জামিনে মুক্ত ছাত্রদল নেতা রেজাউল করিম জুয়েল ঢাকা জেলায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, গ্রেফতার ৪ ব্যবসায়ী ধামরাইয়ে অবৈধ সীসা কারখানায় অভিযান, জরিমানা ৫০ হাজার টাকা নিয়ম না মানায় অপপ্রচার: সাভার সাব-রেজিস্ট্রারের অভিযোগ গাঁজাসহ আশুলিয়ায় ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৬ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
আজ রাত ৯টা ৩ মিনিটে ঘটছে শীত অয়নান্ত, শুরু জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক শীতের যাত্রা

আজ শীত অয়নান্ত: বছরের সবচেয়ে ছোট দিন ও দীর্ঘতম রাত

আজ ২০২৫ সালের শীত অয়নান্ত। সহজভাবে বলতে গেলে, আজই উত্তর গোলার্ধে বছরের সবচেয়ে ছোট দিন এবং সবচেয়ে বড় রাতের দেখা মিলবে। এই বিশেষ দিনের মধ্য দিয়েই শুরু হলো জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক শীত।

আবহাওয়াবিদদের হিসাবে বাংলাদেশে শীত শুরু হয়েছে ১ ডিসেম্বর থেকেই। তবে বহু মানুষ শীত অয়নান্তের দিনটিকেই প্রকৃত শীতের সূচনাদিন হিসেবে মনে করেন— এমনটাই জানিয়েছে বিবিসি।

শীত অয়নান্ত আসলে পুরো একটি দিনব্যাপী ঘটনা নয়। এটি একটি নির্দিষ্ট জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক মুহূর্ত। ইউএসএ টুডে জানিয়েছে, বাংলাদেশ সময় আজ রাত ৯টা ৩ মিনিটে শীত অয়নান্ত সংঘটিত হবে। এই সময় উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি দূরে হেলে থাকে। ফলে সূর্যের আলো এখানে সবচেয়ে কম পড়ে।

শীত অয়নান্তের দিনে সূর্য থাকে মকরক্রান্তি রেখার ঠিক ওপর। এর ফলে—দক্ষিণ গোলার্ধে দেখা যায় বছরের সবচেয়ে বড় দিন ও সবচেয়ে ছোট রাত,
উত্তর গোলার্ধে সূর্যের আলো পড়ে সবচেয়ে কম, দিন হয় সবচেয়ে ছোট এবং রাত হয় দীর্ঘতম, এ কারণেই উত্তর গোলার্ধে এই সময় শীতের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়।

উত্তর গোলার্ধে সূর্যের আলো পড়ে সবচেয়ে কম, দিন হয় সবচেয়ে ছোট এবং রাত হয় দীর্ঘতম, এ কারণেই উত্তর গোলার্ধে এই সময় শীতের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়।

বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবী তার নিজ অক্ষের ওপর প্রায় ২৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি কাত হয়ে ঘুরছে। এই কাত থাকার কারণেই ঋতুর পরিবর্তন ঘটে। অনেকে মনে করেন, সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্বের কারণে শীত-গ্রীষ্ম হয়। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলছেন—সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব নয়, বরং পৃথিবীর অক্ষের কাত থাকার কারণেই ঋতু পরিবর্তন ঘটে।

শীত অয়নান্তের পর সূর্য ধীরে ধীরে বিষুবরেখার দিকে উত্তরমুখী যাত্রা শুরু করে। এই যাত্রা চলে প্রায় ছয় মাস।

এরপর আসে গ্রীষ্ম অয়নান্ত। তখন সূর্য অবস্থান করে কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর এবং উত্তর গোলার্ধে দেখা যায় বছরের সবচেয়ে বড় দিন।

শীত ও গ্রীষ্ম অয়নান্তের মাঝখানে আসে দুটি বিষুব— মার্চ বিষুব → বসন্তের সূচনা। সেপ্টেম্বর বিষুব → শরৎ ঋতুর সূচনা। এই সময় দিন ও রাত প্রায় সমান হয়।

জ্যোতির্বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে শীত অয়নান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনে সূর্য আকাশে বছরের সবচেয়ে নিচু অবস্থানে থাকে। তবে বিজ্ঞানীরা জানান, এটি সূর্য ওঠা বা ডোবার সময়ের চূড়ান্ত দিন নয়।

জানুয়ারি মাসে পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে থাকে। তবুও তখন উত্তর গোলার্ধে শীত অনুভূত হয়। এটি আবারও প্রমাণ করে—ঋতু পরিবর্তনের প্রধান কারণ সূর্য থেকে দূরত্ব নয়, বরং পৃথিবীর ২৩ ডিগ্রি কাত হয়ে থাকা।

সর্বাধিক পঠিত

সাভার সেটেলমেন্ট অফিসে ঘুষের রমরমা: বেঞ্চ সহকারী হেলালকে ঘিরে তোলপাড়

আজ রাত ৯টা ৩ মিনিটে ঘটছে শীত অয়নান্ত, শুরু জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক শীতের যাত্রা

আজ শীত অয়নান্ত: বছরের সবচেয়ে ছোট দিন ও দীর্ঘতম রাত

আপডেট সময়: ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

আজ ২০২৫ সালের শীত অয়নান্ত। সহজভাবে বলতে গেলে, আজই উত্তর গোলার্ধে বছরের সবচেয়ে ছোট দিন এবং সবচেয়ে বড় রাতের দেখা মিলবে। এই বিশেষ দিনের মধ্য দিয়েই শুরু হলো জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক শীত।

আবহাওয়াবিদদের হিসাবে বাংলাদেশে শীত শুরু হয়েছে ১ ডিসেম্বর থেকেই। তবে বহু মানুষ শীত অয়নান্তের দিনটিকেই প্রকৃত শীতের সূচনাদিন হিসেবে মনে করেন— এমনটাই জানিয়েছে বিবিসি।

শীত অয়নান্ত আসলে পুরো একটি দিনব্যাপী ঘটনা নয়। এটি একটি নির্দিষ্ট জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক মুহূর্ত। ইউএসএ টুডে জানিয়েছে, বাংলাদেশ সময় আজ রাত ৯টা ৩ মিনিটে শীত অয়নান্ত সংঘটিত হবে। এই সময় উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি দূরে হেলে থাকে। ফলে সূর্যের আলো এখানে সবচেয়ে কম পড়ে।

শীত অয়নান্তের দিনে সূর্য থাকে মকরক্রান্তি রেখার ঠিক ওপর। এর ফলে—দক্ষিণ গোলার্ধে দেখা যায় বছরের সবচেয়ে বড় দিন ও সবচেয়ে ছোট রাত,
উত্তর গোলার্ধে সূর্যের আলো পড়ে সবচেয়ে কম, দিন হয় সবচেয়ে ছোট এবং রাত হয় দীর্ঘতম, এ কারণেই উত্তর গোলার্ধে এই সময় শীতের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়।

উত্তর গোলার্ধে সূর্যের আলো পড়ে সবচেয়ে কম, দিন হয় সবচেয়ে ছোট এবং রাত হয় দীর্ঘতম, এ কারণেই উত্তর গোলার্ধে এই সময় শীতের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়।

বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবী তার নিজ অক্ষের ওপর প্রায় ২৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি কাত হয়ে ঘুরছে। এই কাত থাকার কারণেই ঋতুর পরিবর্তন ঘটে। অনেকে মনে করেন, সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্বের কারণে শীত-গ্রীষ্ম হয়। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলছেন—সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব নয়, বরং পৃথিবীর অক্ষের কাত থাকার কারণেই ঋতু পরিবর্তন ঘটে।

শীত অয়নান্তের পর সূর্য ধীরে ধীরে বিষুবরেখার দিকে উত্তরমুখী যাত্রা শুরু করে। এই যাত্রা চলে প্রায় ছয় মাস।

এরপর আসে গ্রীষ্ম অয়নান্ত। তখন সূর্য অবস্থান করে কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর এবং উত্তর গোলার্ধে দেখা যায় বছরের সবচেয়ে বড় দিন।

শীত ও গ্রীষ্ম অয়নান্তের মাঝখানে আসে দুটি বিষুব— মার্চ বিষুব → বসন্তের সূচনা। সেপ্টেম্বর বিষুব → শরৎ ঋতুর সূচনা। এই সময় দিন ও রাত প্রায় সমান হয়।

জ্যোতির্বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে শীত অয়নান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনে সূর্য আকাশে বছরের সবচেয়ে নিচু অবস্থানে থাকে। তবে বিজ্ঞানীরা জানান, এটি সূর্য ওঠা বা ডোবার সময়ের চূড়ান্ত দিন নয়।

জানুয়ারি মাসে পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে থাকে। তবুও তখন উত্তর গোলার্ধে শীত অনুভূত হয়। এটি আবারও প্রমাণ করে—ঋতু পরিবর্তনের প্রধান কারণ সূর্য থেকে দূরত্ব নয়, বরং পৃথিবীর ২৩ ডিগ্রি কাত হয়ে থাকা।