ঢাকা , শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
সাভারে ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক বাংলাদেশে বিনিয়োগে চীনা ব্যবসায়ীদের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ২ কেজি গাঁজা ও ৫০ পিস ইয়াবাসহ চার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে ঢাকায় প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত তেঁতুলঝোড়া ইউপি নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বিএনপির দুই নেতা, সরব নির্বাচনী মাঠ ৮০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার সাভারে ডাকাতি প্রস্তুতির অভিযোগে ৩ আটক ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার, তিনজন গ্রেপ্তার সাভারে ৩০০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ঢাকা জেলায় বিশেষ অভিযানে ডাকাত দলের ৩ সদস্য গ্রেফতার
গৃহকর্মীর কাজ নিলেও উদ্দেশ্য ছিল চুরি—ধরা পড়ে যাওয়ায় মা-মেয়েকে নির্মমভাবে হত্যা করে আয়েশা

মোহাম্মদপুরে মা–মেয়েকে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করল ডিএমপি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময়: ০৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 114

গৃহকর্মীকে চুরি করতে দেখে ফেলায় লায়লা আফরোজ ও তার মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিয়াকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মা ও মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় নতুন তথ্য দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। চুরির উদ্দেশ্যেই ওই বাসায় গৃহকর্মীর কাজ নেন অভিযুক্ত আয়েশা। মালামাল চুরি করার সময় গৃহকর্ত্রী লায়লা আফরোজ তাকে ধরে ফেললে আতঙ্কে প্রথমে লায়লাকে এবং পরে বিষয়টি দেখে ফেলায় তার মেয়ে নাফিসা বিনতে আজিজকে হত্যা করে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে মিন্টো রোডের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) এস এন মো. নজরুল ইসলাম।

তিনি জানান, “আয়েশা চুরির উদ্দেশ্যেই বাসায় গৃহকর্মীর কাজ নেয়। চুরি ধরে ফেলায় প্রথমে মাকে হত্যা করে। পরে মেয়ে দেখে ফেলায় তাকেও হত্যা করে। হত্যার পর বাসার মালামাল নিয়ে স্কুলড্রেস পরে পালিয়ে যায় আয়েশা।”

গত ৮ ডিসেম্বর সকালে শাহজাহান রোডের একটি ১৪ তলা আবাসিক ভবনের সপ্তম তলার ওই ফ্ল্যাট থেকে লায়লা আফরোজ (৪৮) ও তার নবম শ্রেণির মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিয়ার (১৫) রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১০ ডিসেম্বর বরিশালের নলছিটি এলাকায় তার দাদা শ্বশুরবাড়ি থেকে আয়েশাকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানায়, চুরি করে পালিয়ে যাওয়ার সময় লায়লা আফরোজ তাকে ধরে ফেলেন। একপর্যায়ে আয়েশা ধারালো ছুরি দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে লায়লাকে হত্যা করে। মায়ের চিৎকার শুনে ঘুম থেকে উঠে ড্রয়িংরুমে আসলে নাফিসাকেও একইভাবে হত্যা করে সে।

আয়েশার স্বামী রাব্বির বরাত দিয়ে পুলিশ আরও জানায়, মা-মেয়েকে হত্যার উদ্দেশ্য ছিল না আয়েশার; চুরি ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়েই সে এই নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটায়। সুরতহাল প্রতিবেদনে বলা হয়, লায়লা আফরোজের শরীরে প্রায় ৩০টি ছুরিকাঘাত এবং নাফিসার শরীরে ৪টি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

সাভারে ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক

গৃহকর্মীর কাজ নিলেও উদ্দেশ্য ছিল চুরি—ধরা পড়ে যাওয়ায় মা-মেয়েকে নির্মমভাবে হত্যা করে আয়েশা

মোহাম্মদপুরে মা–মেয়েকে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করল ডিএমপি

আপডেট সময়: ০৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মা ও মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় নতুন তথ্য দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। চুরির উদ্দেশ্যেই ওই বাসায় গৃহকর্মীর কাজ নেন অভিযুক্ত আয়েশা। মালামাল চুরি করার সময় গৃহকর্ত্রী লায়লা আফরোজ তাকে ধরে ফেললে আতঙ্কে প্রথমে লায়লাকে এবং পরে বিষয়টি দেখে ফেলায় তার মেয়ে নাফিসা বিনতে আজিজকে হত্যা করে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে মিন্টো রোডের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) এস এন মো. নজরুল ইসলাম।

তিনি জানান, “আয়েশা চুরির উদ্দেশ্যেই বাসায় গৃহকর্মীর কাজ নেয়। চুরি ধরে ফেলায় প্রথমে মাকে হত্যা করে। পরে মেয়ে দেখে ফেলায় তাকেও হত্যা করে। হত্যার পর বাসার মালামাল নিয়ে স্কুলড্রেস পরে পালিয়ে যায় আয়েশা।”

গত ৮ ডিসেম্বর সকালে শাহজাহান রোডের একটি ১৪ তলা আবাসিক ভবনের সপ্তম তলার ওই ফ্ল্যাট থেকে লায়লা আফরোজ (৪৮) ও তার নবম শ্রেণির মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিয়ার (১৫) রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১০ ডিসেম্বর বরিশালের নলছিটি এলাকায় তার দাদা শ্বশুরবাড়ি থেকে আয়েশাকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানায়, চুরি করে পালিয়ে যাওয়ার সময় লায়লা আফরোজ তাকে ধরে ফেলেন। একপর্যায়ে আয়েশা ধারালো ছুরি দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে লায়লাকে হত্যা করে। মায়ের চিৎকার শুনে ঘুম থেকে উঠে ড্রয়িংরুমে আসলে নাফিসাকেও একইভাবে হত্যা করে সে।

আয়েশার স্বামী রাব্বির বরাত দিয়ে পুলিশ আরও জানায়, মা-মেয়েকে হত্যার উদ্দেশ্য ছিল না আয়েশার; চুরি ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়েই সে এই নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটায়। সুরতহাল প্রতিবেদনে বলা হয়, লায়লা আফরোজের শরীরে প্রায় ৩০টি ছুরিকাঘাত এবং নাফিসার শরীরে ৪টি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।