ঢাকা , শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
সাভার-আশুলিয়ায় ইয়াবা-হেরোইনসহ ৬ জন গ্রেপ্তার আশুলিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৪ পরিবারকে ৩ লাখ টাকা করে সহায়তা সৌদি আরবের উন্নয়ন প্রকল্পে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরির আশা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়তে বিশ্বনেতাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ধামরাইয়ে ৪৫ পিস ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেপ্তার কোন নামাজে কী আমল করতে হয় ও কীভাবে—সহজ গাইড ৫ ওয়াক্ত নামাজ কীভাবে ফরজ হলো, সহিহ ও শুদ্ধভাবে নামাজ পড়ার নিয়ম সাভার-ধামরাইয়ে ডিবির বিশেষ অভিযান: ইয়াবা-হেরোইনসহ ৬ জন গ্রেপ্তার এবার নিজের যে দুর্বলতার কথা স্বীকার করলেন রাশমিকা বিগ বসে কেন গিয়েছিলেন নোরা ফতেহি? ফাঁস করলেন অজানা গল্প
সিসিটিভি ফুটেজে মিলেছে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ, ঢাকায় আনা হচ্ছে অভিযুক্তকে

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ড, মূল আসামি গৃহকর্মী আয়েশা গ্রেফতার

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আলোচিত মা ও মেয়ে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মূল আসামি গৃহকর্মী আয়েশাকে গ্রেফতার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে।

পুলিশ জানায়, নিহতদের বাসায় কর্মরত গৃহকর্মী আয়েশাকে বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠি জেলার নলছিটি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে ঢাকায় নিয়ে আসা হচ্ছে।

তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা জানান, মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডে মা ও মেয়েকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত গৃহকর্মী আয়েশাকে নলছিটি থেকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি সেখানে তার দাদা শ্বশুরবাড়িতে আত্মগোপনে ছিলেন।

তিনি আরও জানান, তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ও সহকারী কমিশনারের সরাসরি তত্ত্বাবধানে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শহিদুল ওসমান মাসুম ও এসআই খোরশেদ আলমের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডের একটি বহুতল ভবনের সপ্তম তলার ফ্ল্যাটে গত সোমবার ৮ ডিসেম্বর সকালে এ জোড়া হত্যাকাণ্ড ঘটে। ঘটনার সময় নিহত লায়লা আফরোজের (৪৮) স্বামী এবং পেশায় শিক্ষক এ জে এম আজিজুল ইসলাম কর্মস্থলে ছিলেন।

নিহতরা হলেন—লায়লা আফরোজ (৪৮), নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজ (১৫), নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের দুজনকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে জানা যায়, লায়লা আফরোজের শরীরে প্রায় ৩০টি এবং তার মেয়ে নাফিসার দেহে অন্তত ৬টি গভীর ক্ষতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

হত্যাকাণ্ডের শুরু থেকেই প্রধান সন্দেহভাজন ছিলেন মাত্র চার দিন আগে বাসায় কাজে যোগ দেওয়া গৃহকর্মী আয়েশা। পুলিশের হাতে আসা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়— অভিযুক্ত গৃহকর্মী সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে বাসায় প্রবেশ করেন এবং সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে নিহত মেয়ের স্কুল ড্রেস পরে কাঁধে ব্যাগ নিয়ে ফ্ল্যাট থেকে বের হয়ে যান।

ঘটনার নৃশংসতা দেখে পুলিশ ধারণা করছে, হত্যাকাণ্ডটি হয় অতিরিক্ত ক্ষোভ থেকে সংঘটিত হয়েছে অথবা এতে ‘প্রশিক্ষিত কিলারের’ মতো আচরণ লক্ষ্য করা গেছে। পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে এমন ভয়াবহ ও নির্মম সুরতহাল তারা দেখেননি। বর্তমানে আসামিকে ঢাকায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে ঘটনার পেছনের মূল কারণ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য প্রকাশ করবে পুলিশ।

সাভার-আশুলিয়ায় ইয়াবা-হেরোইনসহ ৬ জন গ্রেপ্তার

সিসিটিভি ফুটেজে মিলেছে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ, ঢাকায় আনা হচ্ছে অভিযুক্তকে

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ড, মূল আসামি গৃহকর্মী আয়েশা গ্রেফতার

আপডেট সময়: ০১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আলোচিত মা ও মেয়ে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মূল আসামি গৃহকর্মী আয়েশাকে গ্রেফতার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে।

পুলিশ জানায়, নিহতদের বাসায় কর্মরত গৃহকর্মী আয়েশাকে বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠি জেলার নলছিটি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে ঢাকায় নিয়ে আসা হচ্ছে।

তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা জানান, মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডে মা ও মেয়েকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত গৃহকর্মী আয়েশাকে নলছিটি থেকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি সেখানে তার দাদা শ্বশুরবাড়িতে আত্মগোপনে ছিলেন।

তিনি আরও জানান, তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ও সহকারী কমিশনারের সরাসরি তত্ত্বাবধানে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শহিদুল ওসমান মাসুম ও এসআই খোরশেদ আলমের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডের একটি বহুতল ভবনের সপ্তম তলার ফ্ল্যাটে গত সোমবার ৮ ডিসেম্বর সকালে এ জোড়া হত্যাকাণ্ড ঘটে। ঘটনার সময় নিহত লায়লা আফরোজের (৪৮) স্বামী এবং পেশায় শিক্ষক এ জে এম আজিজুল ইসলাম কর্মস্থলে ছিলেন।

নিহতরা হলেন—লায়লা আফরোজ (৪৮), নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজ (১৫), নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের দুজনকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে জানা যায়, লায়লা আফরোজের শরীরে প্রায় ৩০টি এবং তার মেয়ে নাফিসার দেহে অন্তত ৬টি গভীর ক্ষতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

হত্যাকাণ্ডের শুরু থেকেই প্রধান সন্দেহভাজন ছিলেন মাত্র চার দিন আগে বাসায় কাজে যোগ দেওয়া গৃহকর্মী আয়েশা। পুলিশের হাতে আসা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়— অভিযুক্ত গৃহকর্মী সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে বাসায় প্রবেশ করেন এবং সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে নিহত মেয়ের স্কুল ড্রেস পরে কাঁধে ব্যাগ নিয়ে ফ্ল্যাট থেকে বের হয়ে যান।

ঘটনার নৃশংসতা দেখে পুলিশ ধারণা করছে, হত্যাকাণ্ডটি হয় অতিরিক্ত ক্ষোভ থেকে সংঘটিত হয়েছে অথবা এতে ‘প্রশিক্ষিত কিলারের’ মতো আচরণ লক্ষ্য করা গেছে। পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে এমন ভয়াবহ ও নির্মম সুরতহাল তারা দেখেননি। বর্তমানে আসামিকে ঢাকায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে ঘটনার পেছনের মূল কারণ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য প্রকাশ করবে পুলিশ।