যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের ব্রুকলিনে অবস্থিত মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে আটক আছেন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। তার সঙ্গে আটক রয়েছেন স্ত্রী ও সাবেক ফার্স্ট লেডি সিলিয়া ফ্লোরেস।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ভোর রাতে ভেনেজুয়েলায় বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শনিবার রাতে তাদের যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে এসে ব্রুকলিনের বন্দিশিবিরে পাঠানো হয়।
মার্কিন কর্তৃপক্ষ মাদুরো ও ফ্লোরেসের বিরুদ্ধে মাদক পাচার ও অস্ত্র চোরাচালানের গুরুতর অভিযোগ এনেছে। যদিও এসব অভিযোগ শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছেন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সময় সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে অবস্থিত ফেডারেল আদালতে প্রথমবারের মতো তাদের হাজির করা হবে। রোববার আদালতের এক মুখপাত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, ভেনেজুয়েলার আদালতের আদেশে দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তবে তাকেও কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন সাময়িকী দ্য আটলান্টিক-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ডেলসি রদ্রিগেজ যদি “সঠিক সিদ্ধান্ত” না নেন, তাহলে তাকে নিকোলাস মাদুরোর চেয়েও বড় মূল্য দিতে হতে পারে। মাদুরোকে গ্রেপ্তারের মার্কিন অভিযানের বিরোধিতা করায় রদ্রিগেজকে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনায় ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে।

অনলাইন ডেস্ক 








