ঢাকা , বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৬ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার সারা দেশে শুরু প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫, প্রথম দিনে বাংলা আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে বিদেশি অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর)-এর বিশেষ অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার, ৮ জন গ্রেফতার দাউদকান্দিতে চালবোঝাই ট্রাক খাদে: ৭ নিহত, আহত ৬ রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ: ‘জাগো আলোক-লগনে’ গানে প্রভাতের সূচনা পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডিবি অভিযানে ইয়াবা-গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আশুলিয়ায় ইয়াবা ও চোলাইমদসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ঢাকা জেলায় ডিবি (উত্তর)-এর বিশেষ অভিযান: জাল টাকা ও হেরোইনসহ দুইজন গ্রেফতার

পাকিস্তানের খাইরপুরে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময়: ০৮:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 186

পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের খাইরপুর জেলার টান্ডো মাস্তি এলাকায় জাতীয় মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ভোরে একটি যাত্রীবাহী কোচের সঙ্গে ভারী কংক্রিট গার্ডার বহনকারী ট্রেইলারের সংঘর্ষে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

উদ্ধারকারী সূত্র জানায়, নিহতদের মধ্যে ৯ জন যাত্রী ছাড়াও বাসচালক ও কন্ডাক্টর রয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন, যাদের খাইরপুর সিভিল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনার শিকার বাসটি পাঞ্জাব থেকে করাচি যাচ্ছিল। দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের হাসপাতালে পাঠান এবং মরদেহ উদ্ধার করেন।

উদ্ধার তৎপরতা ও প্রশাসনের নির্দেশনা
দুর্ঘটনার পর সিন্ধ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) খাইরপুরের এসএসপিকে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা তদারকির নির্দেশ দেন। পাশাপাশি আশপাশের এলাকায় জরুরি সহায়তা নিশ্চিত ও আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার সুবিধার্থে সড়কপথ সচল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
উদ্ধারকারী সংস্থা জানায়, নিহতদের মরদেহ খাইরপুর সিভিল হাসপাতালে রাখা হয়েছে।

এর আগে এম-৯ মোটরওয়েতে আরেক দুর্ঘটনা
এর আগে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) এম-৯ মোটরওয়েতে কাঠোরের কাছে তেলবাহী ট্যাংকার, একটি বাস ও আরও কয়েকটি যানবাহনের সংঘর্ষে অন্তত ১৪ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হন।

উদ্ধারকারী কর্মকর্তারা জানান, নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও ছিলেন। দুর্ঘটনার তীব্রতায় কয়েকজন যাত্রী সেতু থেকে নিচে পড়ে যান।

প্রাথমিক তদন্তে যা জানা গেছে
পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় জড়িত কোচটি ঘটনার সময় সড়কের উল্টো পাশে চলছিল। এ ঘটনায় গাদাপ থানায় রাষ্ট্রের পক্ষে একটি মামলা (এফআইআর) দায়ের করা হয়েছে।

মামলায় অনিচ্ছাকৃত হত্যাকাণ্ড, বেপরোয়া ও অবহেলাজনিত গাড়ি চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।

এফআইআর অনুযায়ী, বিকেল প্রায় ৩টা ৪০ মিনিটে একটি তেলবাহী ট্যাংকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রেইলার ও অন্য একটি গাড়িকে ধাক্কা দেয়। প্রাথমিক সংঘর্ষের পর উল্টো দিক থেকে আসা বাস ও আরেকটি যানবাহন উল্টে যায়। ঘটনাস্থলেই ট্যাংকারচালক নিহত হন এবং অন্যান্য চালক ও যাত্রীরাও প্রাণ হারান।

সর্বাধিক পঠিত

আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৬ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

পাকিস্তানের খাইরপুরে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা

আপডেট সময়: ০৮:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের খাইরপুর জেলার টান্ডো মাস্তি এলাকায় জাতীয় মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ভোরে একটি যাত্রীবাহী কোচের সঙ্গে ভারী কংক্রিট গার্ডার বহনকারী ট্রেইলারের সংঘর্ষে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

উদ্ধারকারী সূত্র জানায়, নিহতদের মধ্যে ৯ জন যাত্রী ছাড়াও বাসচালক ও কন্ডাক্টর রয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন, যাদের খাইরপুর সিভিল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনার শিকার বাসটি পাঞ্জাব থেকে করাচি যাচ্ছিল। দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের হাসপাতালে পাঠান এবং মরদেহ উদ্ধার করেন।

উদ্ধার তৎপরতা ও প্রশাসনের নির্দেশনা
দুর্ঘটনার পর সিন্ধ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) খাইরপুরের এসএসপিকে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা তদারকির নির্দেশ দেন। পাশাপাশি আশপাশের এলাকায় জরুরি সহায়তা নিশ্চিত ও আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার সুবিধার্থে সড়কপথ সচল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
উদ্ধারকারী সংস্থা জানায়, নিহতদের মরদেহ খাইরপুর সিভিল হাসপাতালে রাখা হয়েছে।

এর আগে এম-৯ মোটরওয়েতে আরেক দুর্ঘটনা
এর আগে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) এম-৯ মোটরওয়েতে কাঠোরের কাছে তেলবাহী ট্যাংকার, একটি বাস ও আরও কয়েকটি যানবাহনের সংঘর্ষে অন্তত ১৪ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হন।

উদ্ধারকারী কর্মকর্তারা জানান, নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও ছিলেন। দুর্ঘটনার তীব্রতায় কয়েকজন যাত্রী সেতু থেকে নিচে পড়ে যান।

প্রাথমিক তদন্তে যা জানা গেছে
পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় জড়িত কোচটি ঘটনার সময় সড়কের উল্টো পাশে চলছিল। এ ঘটনায় গাদাপ থানায় রাষ্ট্রের পক্ষে একটি মামলা (এফআইআর) দায়ের করা হয়েছে।

মামলায় অনিচ্ছাকৃত হত্যাকাণ্ড, বেপরোয়া ও অবহেলাজনিত গাড়ি চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।

এফআইআর অনুযায়ী, বিকেল প্রায় ৩টা ৪০ মিনিটে একটি তেলবাহী ট্যাংকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রেইলার ও অন্য একটি গাড়িকে ধাক্কা দেয়। প্রাথমিক সংঘর্ষের পর উল্টো দিক থেকে আসা বাস ও আরেকটি যানবাহন উল্টে যায়। ঘটনাস্থলেই ট্যাংকারচালক নিহত হন এবং অন্যান্য চালক ও যাত্রীরাও প্রাণ হারান।