ঢাকা , শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
সাভার-আশুলিয়ায় ইয়াবা-হেরোইনসহ ৬ জন গ্রেপ্তার আশুলিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৪ পরিবারকে ৩ লাখ টাকা করে সহায়তা সৌদি আরবের উন্নয়ন প্রকল্পে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরির আশা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়তে বিশ্বনেতাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ধামরাইয়ে ৪৫ পিস ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেপ্তার কোন নামাজে কী আমল করতে হয় ও কীভাবে—সহজ গাইড ৫ ওয়াক্ত নামাজ কীভাবে ফরজ হলো, সহিহ ও শুদ্ধভাবে নামাজ পড়ার নিয়ম সাভার-ধামরাইয়ে ডিবির বিশেষ অভিযান: ইয়াবা-হেরোইনসহ ৬ জন গ্রেপ্তার এবার নিজের যে দুর্বলতার কথা স্বীকার করলেন রাশমিকা বিগ বসে কেন গিয়েছিলেন নোরা ফতেহি? ফাঁস করলেন অজানা গল্প
ফয়সাল করিম মাসুদ ও স্বার্থসংশ্লিষ্টদের হিসাবে ১২৭ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন, আদালতের নির্দেশ

হাদি হত্যা মামলায় প্রধান আসামির ৮ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

হাদি হত্যা মামলায় প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ। ছবি: সংগৃহীত

ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক আহ্বায়ক ও মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আটটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের অবকাশকালীন বিচারক মো. আবদুল্লাহ আল মামুন এ আদেশ দেন। হাদি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ নির্দেশ দেন।

তদন্তে উঠে এসেছে বিপুল অস্বাভাবিক লেনদেন
আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তদন্তকালে জানা গেছে, ফয়সাল করিম ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে ১২৭ কোটি টাকার বেশি অস্বাভাবিক লেনদেন হয়েছে।

এ ছাড়া এসব হিসাবে বর্তমানে প্রায় ৬৫ লাখ টাকা জমা রয়েছে। এসব অর্থের উৎস ও লেনদেনের বৈধতা যাচাই করা জরুরি বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়। তদন্তের স্বার্থে এবং যাতে অভিযুক্তরা অর্থ তুলে নিতে বা স্থানান্তর করতে না পারে, সে জন্য ব্যাংক হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন—এমন যুক্তিতে আদালত এ আদেশ দেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফশিল ঘোষণার পরদিন ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনের বক্স-কালভার্ট রোডে একটি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে রিকশায় থাকা শরিফ ওসমান বিন হাদিকে মাথায় গুলি করা হয়।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন, যেখানে ফয়সাল করিম মাসুদকে প্রধান আসামি করা হয়। পরে শরিফ ওসমান বিন হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়। হাদি হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি ও আদালতের পরবর্তী আদেশের দিকে এখন তাকিয়ে রয়েছে দেশবাসী।

সাভার-আশুলিয়ায় ইয়াবা-হেরোইনসহ ৬ জন গ্রেপ্তার

ফয়সাল করিম মাসুদ ও স্বার্থসংশ্লিষ্টদের হিসাবে ১২৭ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন, আদালতের নির্দেশ

হাদি হত্যা মামলায় প্রধান আসামির ৮ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

আপডেট সময়: ০৫:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক আহ্বায়ক ও মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আটটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের অবকাশকালীন বিচারক মো. আবদুল্লাহ আল মামুন এ আদেশ দেন। হাদি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ নির্দেশ দেন।

তদন্তে উঠে এসেছে বিপুল অস্বাভাবিক লেনদেন
আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তদন্তকালে জানা গেছে, ফয়সাল করিম ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে ১২৭ কোটি টাকার বেশি অস্বাভাবিক লেনদেন হয়েছে।

এ ছাড়া এসব হিসাবে বর্তমানে প্রায় ৬৫ লাখ টাকা জমা রয়েছে। এসব অর্থের উৎস ও লেনদেনের বৈধতা যাচাই করা জরুরি বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়। তদন্তের স্বার্থে এবং যাতে অভিযুক্তরা অর্থ তুলে নিতে বা স্থানান্তর করতে না পারে, সে জন্য ব্যাংক হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন—এমন যুক্তিতে আদালত এ আদেশ দেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফশিল ঘোষণার পরদিন ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনের বক্স-কালভার্ট রোডে একটি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে রিকশায় থাকা শরিফ ওসমান বিন হাদিকে মাথায় গুলি করা হয়।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন, যেখানে ফয়সাল করিম মাসুদকে প্রধান আসামি করা হয়। পরে শরিফ ওসমান বিন হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়। হাদি হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি ও আদালতের পরবর্তী আদেশের দিকে এখন তাকিয়ে রয়েছে দেশবাসী।