ঢাকা , সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আশুলিয়া ও সাভারে পৃথক তিনটি অভিযানে উদ্ধার প্রায় ১০ লাখ টাকার চোলাইমদ ও ৩০ হাজার টাকা মূল্যের ইয়াবা; গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা

সাভার-আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে ৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি-উত্তর) বিশেষ অভিযানে পৃথক তিনটি অভিযান পরিচালনা করে ১ হাজার লিটার চোলাইমদ ও ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়েছে। এ সময় চারজন পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন-এর নির্দেশনায় পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে ডিবি (উত্তর)-এর অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইদুল ইসলাম-এর নেতৃত্বে একাধিক টিম অংশ নেয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রথম অভিযানে ১৮ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে আশুলিয়া থানার টঙ্গাবাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এসআই (নিঃ) মো. আব্দুল মুত্তালিব। এ সময় পেশাদার মাদক কারবারি শান্ত ইসলাম রহিম (২২)-কে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক ওজন ৫ গ্রাম এবং বাজারমূল্য প্রায় ১৫ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত শান্ত ইসলাম রহিম আশুলিয়া থানার চাঁনগাও এলাহী মার্কেট এলাকার বাসিন্দা। তার পিতার নাম মো. কবির হোসেন এবং মাতার নাম সুমি বেগম।

একই দিনে রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাভার মডেল থানার শোভাপুর রাজফুলবাড়িয়া এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করেন এসআই (নিঃ) মো. জুয়েল মিয়া। অভিযানে মো. আলমগীর হোসেন (৩১)-কে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার ওজন ৫ গ্রাম এবং এর আনুমানিক বাজারমূল্য ১৫ হাজার টাকা। গ্রেপ্তারকৃত আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে পূর্বেও একটি মাদক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পরবর্তীতে ১৯ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে আশুলিয়া থানার ডেন্ডাবর নতুনপাড়া এলাকায় আরও একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন এসআই (নিঃ) শেখ মো. মাসুদ আল মামুন। এ সময় একটি বাসা থেকে সুমন মারমা (৪৫) ও তার স্ত্রী কালাবি চাকমা (৩৮)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযানে তাদের হেফাজত থেকে ১ হাজার লিটার চোলাইমদ উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১০ লাখ টাকা। গ্রেপ্তারকৃত সুমন মারমা রাঙ্গামাটির জুরাইছড়ি উপজেলার বাসিন্দা এবং কালাবি চাকমা রাঙ্গামাটির বরকল উপজেলার বাসিন্দা। তারা দীর্ঘদিন ধরে আশুলিয়ার ডেন্ডাবর নতুনপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় অবস্থান করে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।

ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

গ্রেপ্তারকৃত চার আসামীর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

পুলিশের দাবি, মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদারভাবে পরিচালনা করা হবে।

সর্বাধিক পঠিত

সাভার-আশুলিয়ায় ডিবির পৃথক অভিযান: ১৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৪

আশুলিয়া ও সাভারে পৃথক তিনটি অভিযানে উদ্ধার প্রায় ১০ লাখ টাকার চোলাইমদ ও ৩০ হাজার টাকা মূল্যের ইয়াবা; গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা

সাভার-আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে ৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

আপডেট সময়: ০২:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি-উত্তর) বিশেষ অভিযানে পৃথক তিনটি অভিযান পরিচালনা করে ১ হাজার লিটার চোলাইমদ ও ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়েছে। এ সময় চারজন পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন-এর নির্দেশনায় পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে ডিবি (উত্তর)-এর অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইদুল ইসলাম-এর নেতৃত্বে একাধিক টিম অংশ নেয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রথম অভিযানে ১৮ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে আশুলিয়া থানার টঙ্গাবাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এসআই (নিঃ) মো. আব্দুল মুত্তালিব। এ সময় পেশাদার মাদক কারবারি শান্ত ইসলাম রহিম (২২)-কে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক ওজন ৫ গ্রাম এবং বাজারমূল্য প্রায় ১৫ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত শান্ত ইসলাম রহিম আশুলিয়া থানার চাঁনগাও এলাহী মার্কেট এলাকার বাসিন্দা। তার পিতার নাম মো. কবির হোসেন এবং মাতার নাম সুমি বেগম।

একই দিনে রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাভার মডেল থানার শোভাপুর রাজফুলবাড়িয়া এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করেন এসআই (নিঃ) মো. জুয়েল মিয়া। অভিযানে মো. আলমগীর হোসেন (৩১)-কে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার ওজন ৫ গ্রাম এবং এর আনুমানিক বাজারমূল্য ১৫ হাজার টাকা। গ্রেপ্তারকৃত আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে পূর্বেও একটি মাদক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পরবর্তীতে ১৯ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে আশুলিয়া থানার ডেন্ডাবর নতুনপাড়া এলাকায় আরও একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন এসআই (নিঃ) শেখ মো. মাসুদ আল মামুন। এ সময় একটি বাসা থেকে সুমন মারমা (৪৫) ও তার স্ত্রী কালাবি চাকমা (৩৮)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযানে তাদের হেফাজত থেকে ১ হাজার লিটার চোলাইমদ উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১০ লাখ টাকা। গ্রেপ্তারকৃত সুমন মারমা রাঙ্গামাটির জুরাইছড়ি উপজেলার বাসিন্দা এবং কালাবি চাকমা রাঙ্গামাটির বরকল উপজেলার বাসিন্দা। তারা দীর্ঘদিন ধরে আশুলিয়ার ডেন্ডাবর নতুনপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় অবস্থান করে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।

✒️ আরও পড়ুন 📖  শার্শায় ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেল মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির

ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

গ্রেপ্তারকৃত চার আসামীর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

পুলিশের দাবি, মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদারভাবে পরিচালনা করা হবে।