ঢাকা , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
সাভার সেটেলমেন্ট অফিসে ঘুষের রমরমা: বেঞ্চ সহকারী হেলালকে ঘিরে তোলপাড় সাভারে তরুণী গণধর্ষণ: দুই আসামি আটক, পলাতক আরও তিনজন ইয়াবা ও হেরোইনসহ ৭ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ধামরাইয়ে ৯ মামলার আসামি ছিনতাইকারী গ্রেফতার সাভারের ভাঙচুর মামলায় জামিনে মুক্ত ছাত্রদল নেতা রেজাউল করিম জুয়েল ঢাকা জেলায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, গ্রেফতার ৪ ব্যবসায়ী ধামরাইয়ে অবৈধ সীসা কারখানায় অভিযান, জরিমানা ৫০ হাজার টাকা নিয়ম না মানায় অপপ্রচার: সাভার সাব-রেজিস্ট্রারের অভিযোগ গাঁজাসহ আশুলিয়ায় ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৬ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
নাম-পরিচয় ও খুনের কারণ নিয়ে বিভ্রান্তি, সাত মাসে ছয় হত্যাকাণ্ডে পুলিশের তদন্ত ঘিরে চাঞ্চল্য

সাভারে সিরিয়াল কিলার ‘সম্রাট’, পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা

সাভারে সাত মাসের ব্যবধানে ছয়জনকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া কথিত ‘সম্রাট’কে ঘিরে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। পুলিশ যাকে সম্রাট নামে গ্রেফতার করেছে, তার প্রকৃত নাম-পরিচয়, ঠিকানা এমনকি খুনের কারণ নিয়েও দেখা দিয়েছে গুরুতর অসংলগ্নতা ও সন্দেহ। তদন্ত সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে ভুয়া পরিচয় দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত সম্রাট নিজেকে কখনো ‘কিং সম্রাট’, আবার কখনো ‘মশিউর রহমান খান সম্রাট’ বলে দাবি করছে। সে যে নাম ও ঠিকানা পুলিশের কাছে বলেছে, তার সত্যতা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। বরং ওই নামের সঙ্গে সাভার পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের একজন জনপ্রতিনিধির নাম হুবহু মিলে যাওয়ায় বিভ্রান্তি আরও বেড়েছে।

থানার আশপাশেই ছিল তার বিচরণক্ষেত্র
সাভার মডেল থানার পুলিশ জানায়, ভবঘুরে প্রকৃতির এই ব্যক্তি গত কয়েক বছর ধরে থানার সামনের এলাকা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, পৌর কমিউনিটি সেন্টার ও পাকিজার মোড় এলাকায় ঘোরাফেরা করত এবং সেখানেই রাত কাটাত। স্থানীয় দোকানি, পথচারী এমনকি অনেক পুলিশ সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীর কাছ থেকেও সে নিয়মিত টাকা ও খাবার নিত।

নেত্র বিজনেস সেন্টারের মালিক সুবল রায় জানান, “তিন-চার বছর ধরে তাকে এখানে আসতে দেখছি। অপরিচ্ছন্ন থাকত, সারাক্ষণ গালিগালাজ করত। কখনো ভাবিনি সে এমন ভয়ংকর মানুষ হতে পারে।”

থানার সামনের ডাব বিক্রেতা জুয়েল বলেন, “অনেক পুলিশই ওকে চিনত। চা-সিগারেট খেত, টাকা চাইত। কখনো অ্যান্ড্রয়েড ফোন, আবার সবসময় একটা বাটন ফোন ব্যবহার করত।”

খুনের বর্ণনায় অসংলগ্নতা
ঢাকা জেলা পুলিশের সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সম্রাট অজ্ঞাতনামা পাঁচজনসহ ছয়টি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তবে খুনের কারণ সম্পর্কে তার বক্তব্য একেবারেই অসংলগ্ন।

তিনি বলেন, “একবার বলছে অনৈতিক কাজের কারণে হত্যা করেছে, আবার বলছে ভবঘুরে নারীদের নিয়ে এসে তাদের অন্য কারো সঙ্গে সম্পর্ক হলে হত্যা করেছে। তার বক্তব্য যাচাই করা হচ্ছে।”

সবশেষ গত রোববার পৌর কমিউনিটি সেন্টারে সংঘটিত জোড়া হত্যাকাণ্ডের বর্ণনায় সম্রাট দাবি করে, তানিয়া ওরফে সোনিয়া নামে এক ভবঘুরে তরুণীকে সেখানে এনে রাখে সে। ওই তরুণীর সঙ্গে আরেক ভবঘুরে যুবকের সম্পর্ক হলে প্রথমে যুবককে এবং পরে তরুণীকে হত্যা করে লাশ পুড়িয়ে ফেলে।

ব্যাংক কলোনির ঠিকানা ভুয়া
ডিবি (উত্তর) পুলিশের পরিদর্শক সাইদুল ইসলাম জানান, সম্রাট তার ঠিকানা হিসেবে সাভার পৌর এলাকার ব্যাংক কলোনির কথা বলেছে। তবে ওই এলাকার একাধিক স্থায়ী বাসিন্দা, কমিউনিটি ও বিট পুলিশের সদস্যরা নিশ্চিত করেছেন—এই নামে বা পরিচয়ে ব্যাংক কলোনিতে কেউ বসবাস করে না।

থানার সামনের বাড়ির মালিক আব্দুর রহিম বলেন, “সে মাঝে মাঝেই পুলিশ, র‍্যাব আর সেনাবাহিনীর পুরনো ড্রেস পরত। এখন ভুয়া তথ্য দিয়ে পুলিশকে বিভ্রান্ত করছে।”

সাত মাসে ছয়টি হত্যাকাণ্ড
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী—
৪ জুলাই: সাভার মডেল মসজিদের সামনে ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধা আসমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার।
২৯ আগস্ট: পৌর কমিউনিটি সেন্টার থেকে অজ্ঞাতনামা পুরুষের মরদেহ।
১১ অক্টোবর: একই স্থান থেকে অজ্ঞাতনামা নারীর মরদেহ।
১৯ ডিসেম্বর: অজ্ঞাতনামা আরেক পুরুষের লাশ উদ্ধার।
১৮ জানুয়ারি: একই স্থানে দুটি পোড়া মরদেহ উদ্ধার।

সর্বশেষ ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজে একটি মরদেহ সরাতে দেখা যায় সম্রাটকে। মজার বিষয় হলো, ঘটনার তদন্তের সময় সে পুলিশের সঙ্গেই ছিল।

প্রকৃত পরিচয়: সবুজ শেখ?
একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, এই সিরিয়াল কিলারের প্রকৃত নাম সবুজ শেখ। তার বাবার নাম পান্না শেখ। জন্মস্থান মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং থানার হলুদিয়া ইউনিয়নের মোসামান্দা গ্রাম। পরিবারটি এলাকায় ভয়ংকর হিসেবেই পরিচিত বলে স্থানীয়রা জানান। তাদের নানা বাড়ি বরিশালে।

সাভার মডেল থানার একাধিক কর্মকর্তা মঙ্গলবার ভোররাতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কারাগারেও বেপরোয়া ছিল
কারামুক্ত একাধিক হাজতির ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েক বছর আগে সবুজ শেখ কাশিমপুর-২ কারাগারের ৬০ নম্বর সেলে বন্দী ছিল। কারাগারের ভেতরেও সে ছিল বেপরোয়া ও চোরাচালান প্রবণ। কারা কর্তৃপক্ষের জন্য সে ছিল একটি বড় সমস্যা।

স্বীকারোক্তি দিয়ে কারাগারে
ছয় হত্যা মামলার আসামি সম্রাটকে সোমবার ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শেষে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন আদালত পুলিশের পরিদর্শক কামাল হোসেন।

এদিকে পুলিশ বলছে, সম্রাটের প্রকৃত পরিচয়, পূর্ব অপরাধ ইতিহাস ও হত্যাকাণ্ডে তার একক নাকি সংঘবদ্ধ সংশ্লিষ্টতা—সবকিছুই নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সর্বাধিক পঠিত

সাভার সেটেলমেন্ট অফিসে ঘুষের রমরমা: বেঞ্চ সহকারী হেলালকে ঘিরে তোলপাড়

নাম-পরিচয় ও খুনের কারণ নিয়ে বিভ্রান্তি, সাত মাসে ছয় হত্যাকাণ্ডে পুলিশের তদন্ত ঘিরে চাঞ্চল্য

সাভারে সিরিয়াল কিলার ‘সম্রাট’, পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা

আপডেট সময়: ০৩:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

সাভারে সাত মাসের ব্যবধানে ছয়জনকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া কথিত ‘সম্রাট’কে ঘিরে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। পুলিশ যাকে সম্রাট নামে গ্রেফতার করেছে, তার প্রকৃত নাম-পরিচয়, ঠিকানা এমনকি খুনের কারণ নিয়েও দেখা দিয়েছে গুরুতর অসংলগ্নতা ও সন্দেহ। তদন্ত সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে ভুয়া পরিচয় দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত সম্রাট নিজেকে কখনো ‘কিং সম্রাট’, আবার কখনো ‘মশিউর রহমান খান সম্রাট’ বলে দাবি করছে। সে যে নাম ও ঠিকানা পুলিশের কাছে বলেছে, তার সত্যতা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। বরং ওই নামের সঙ্গে সাভার পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের একজন জনপ্রতিনিধির নাম হুবহু মিলে যাওয়ায় বিভ্রান্তি আরও বেড়েছে।

থানার আশপাশেই ছিল তার বিচরণক্ষেত্র
সাভার মডেল থানার পুলিশ জানায়, ভবঘুরে প্রকৃতির এই ব্যক্তি গত কয়েক বছর ধরে থানার সামনের এলাকা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, পৌর কমিউনিটি সেন্টার ও পাকিজার মোড় এলাকায় ঘোরাফেরা করত এবং সেখানেই রাত কাটাত। স্থানীয় দোকানি, পথচারী এমনকি অনেক পুলিশ সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীর কাছ থেকেও সে নিয়মিত টাকা ও খাবার নিত।

নেত্র বিজনেস সেন্টারের মালিক সুবল রায় জানান, “তিন-চার বছর ধরে তাকে এখানে আসতে দেখছি। অপরিচ্ছন্ন থাকত, সারাক্ষণ গালিগালাজ করত। কখনো ভাবিনি সে এমন ভয়ংকর মানুষ হতে পারে।”

থানার সামনের ডাব বিক্রেতা জুয়েল বলেন, “অনেক পুলিশই ওকে চিনত। চা-সিগারেট খেত, টাকা চাইত। কখনো অ্যান্ড্রয়েড ফোন, আবার সবসময় একটা বাটন ফোন ব্যবহার করত।”

খুনের বর্ণনায় অসংলগ্নতা
ঢাকা জেলা পুলিশের সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সম্রাট অজ্ঞাতনামা পাঁচজনসহ ছয়টি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তবে খুনের কারণ সম্পর্কে তার বক্তব্য একেবারেই অসংলগ্ন।

তিনি বলেন, “একবার বলছে অনৈতিক কাজের কারণে হত্যা করেছে, আবার বলছে ভবঘুরে নারীদের নিয়ে এসে তাদের অন্য কারো সঙ্গে সম্পর্ক হলে হত্যা করেছে। তার বক্তব্য যাচাই করা হচ্ছে।”

সবশেষ গত রোববার পৌর কমিউনিটি সেন্টারে সংঘটিত জোড়া হত্যাকাণ্ডের বর্ণনায় সম্রাট দাবি করে, তানিয়া ওরফে সোনিয়া নামে এক ভবঘুরে তরুণীকে সেখানে এনে রাখে সে। ওই তরুণীর সঙ্গে আরেক ভবঘুরে যুবকের সম্পর্ক হলে প্রথমে যুবককে এবং পরে তরুণীকে হত্যা করে লাশ পুড়িয়ে ফেলে।

ব্যাংক কলোনির ঠিকানা ভুয়া
ডিবি (উত্তর) পুলিশের পরিদর্শক সাইদুল ইসলাম জানান, সম্রাট তার ঠিকানা হিসেবে সাভার পৌর এলাকার ব্যাংক কলোনির কথা বলেছে। তবে ওই এলাকার একাধিক স্থায়ী বাসিন্দা, কমিউনিটি ও বিট পুলিশের সদস্যরা নিশ্চিত করেছেন—এই নামে বা পরিচয়ে ব্যাংক কলোনিতে কেউ বসবাস করে না।

থানার সামনের বাড়ির মালিক আব্দুর রহিম বলেন, “সে মাঝে মাঝেই পুলিশ, র‍্যাব আর সেনাবাহিনীর পুরনো ড্রেস পরত। এখন ভুয়া তথ্য দিয়ে পুলিশকে বিভ্রান্ত করছে।”

সাত মাসে ছয়টি হত্যাকাণ্ড
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী—
৪ জুলাই: সাভার মডেল মসজিদের সামনে ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধা আসমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার।
২৯ আগস্ট: পৌর কমিউনিটি সেন্টার থেকে অজ্ঞাতনামা পুরুষের মরদেহ।
১১ অক্টোবর: একই স্থান থেকে অজ্ঞাতনামা নারীর মরদেহ।
১৯ ডিসেম্বর: অজ্ঞাতনামা আরেক পুরুষের লাশ উদ্ধার।
১৮ জানুয়ারি: একই স্থানে দুটি পোড়া মরদেহ উদ্ধার।

সর্বশেষ ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজে একটি মরদেহ সরাতে দেখা যায় সম্রাটকে। মজার বিষয় হলো, ঘটনার তদন্তের সময় সে পুলিশের সঙ্গেই ছিল।

প্রকৃত পরিচয়: সবুজ শেখ?
একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, এই সিরিয়াল কিলারের প্রকৃত নাম সবুজ শেখ। তার বাবার নাম পান্না শেখ। জন্মস্থান মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং থানার হলুদিয়া ইউনিয়নের মোসামান্দা গ্রাম। পরিবারটি এলাকায় ভয়ংকর হিসেবেই পরিচিত বলে স্থানীয়রা জানান। তাদের নানা বাড়ি বরিশালে।

সাভার মডেল থানার একাধিক কর্মকর্তা মঙ্গলবার ভোররাতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কারাগারেও বেপরোয়া ছিল
কারামুক্ত একাধিক হাজতির ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েক বছর আগে সবুজ শেখ কাশিমপুর-২ কারাগারের ৬০ নম্বর সেলে বন্দী ছিল। কারাগারের ভেতরেও সে ছিল বেপরোয়া ও চোরাচালান প্রবণ। কারা কর্তৃপক্ষের জন্য সে ছিল একটি বড় সমস্যা।

স্বীকারোক্তি দিয়ে কারাগারে
ছয় হত্যা মামলার আসামি সম্রাটকে সোমবার ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শেষে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন আদালত পুলিশের পরিদর্শক কামাল হোসেন।

এদিকে পুলিশ বলছে, সম্রাটের প্রকৃত পরিচয়, পূর্ব অপরাধ ইতিহাস ও হত্যাকাণ্ডে তার একক নাকি সংঘবদ্ধ সংশ্লিষ্টতা—সবকিছুই নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।