ঢাকা , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
সাভার সেটেলমেন্ট অফিসে ঘুষের রমরমা: বেঞ্চ সহকারী হেলালকে ঘিরে তোলপাড় সাভারে তরুণী গণধর্ষণ: দুই আসামি আটক, পলাতক আরও তিনজন ইয়াবা ও হেরোইনসহ ৭ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ধামরাইয়ে ৯ মামলার আসামি ছিনতাইকারী গ্রেফতার সাভারের ভাঙচুর মামলায় জামিনে মুক্ত ছাত্রদল নেতা রেজাউল করিম জুয়েল ঢাকা জেলায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, গ্রেফতার ৪ ব্যবসায়ী ধামরাইয়ে অবৈধ সীসা কারখানায় অভিযান, জরিমানা ৫০ হাজার টাকা নিয়ম না মানায় অপপ্রচার: সাভার সাব-রেজিস্ট্রারের অভিযোগ গাঁজাসহ আশুলিয়ায় ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৬ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
শিশুদের জন্য নোংরা পরিবেশে আইসক্রিম তৈরি, দুই জনকে কারাদণ্ড – কারখানাটি ব্যবহার করছিল লাভেলা আইসক্রিমের প্যাকেট।

সাভারে বিএসটিআই অনুমোদন ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদন, কারখানা সিলগালা

সাভারে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এর অনুমোদন ছাড়াই শিশুদের জন্য আইসক্রিম তৈরি করছিল একটি কারখানা। অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদনের অভিযোগে সেখানে অভিযান চালিয়ে কারখানাটি সিলগালা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে কারখানার দায়িত্বে থাকা হেলালকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং সহকারী ম্যানেজার নাঈমকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে কারখানাটিকে সিলগালা করে দেওয়া হয়।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের নাজিমনগর এলাকায় আইমান ফুড এন্ড এগ্রো নামের ওই কারখানায় অভিযান পরিচালনা করেন সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু বক্কর সরকার।

প্রতিষ্ঠানটি কয়েক মাস ধরে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন না নিয়েই ‘কুলপি’ ও ‘আইসনলি’ ব্র্যান্ডের আইসক্রিম তৈরি করে বাজারে সরবরাহ করছিল। জানা যায়, এসব আইসক্রিম খেয়ে অনেক শিশু অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে আরও বেরিয়ে আসে, প্রতিষ্ঠানটি বাজারে প্রতারণার মাধ্যমে নিজেদের পণ্য বিক্রির জন্য পরিচিত ব্র্যান্ড লাভেলা আইসক্রিমের প্যাকেট ব্যবহার করছিল। এতে ভোক্তাদের প্রতারিত হওয়ার পাশাপাশি শিশুদের স্বাস্থ্যের ওপর গুরুতর প্রভাব পড়ছিল।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু বক্কর সরকার জানান, “শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে এ ধরনের প্রতারণা ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্য উৎপাদন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে।”

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা প্রশাসনের এমন পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের অননুমোদিত ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্য উৎপাদন বন্ধ থাকে সে দাবি জানিয়েছেন।

সর্বাধিক পঠিত

সাভার সেটেলমেন্ট অফিসে ঘুষের রমরমা: বেঞ্চ সহকারী হেলালকে ঘিরে তোলপাড়

শিশুদের জন্য নোংরা পরিবেশে আইসক্রিম তৈরি, দুই জনকে কারাদণ্ড – কারখানাটি ব্যবহার করছিল লাভেলা আইসক্রিমের প্যাকেট।

সাভারে বিএসটিআই অনুমোদন ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদন, কারখানা সিলগালা

আপডেট সময়: ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সাভারে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এর অনুমোদন ছাড়াই শিশুদের জন্য আইসক্রিম তৈরি করছিল একটি কারখানা। অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদনের অভিযোগে সেখানে অভিযান চালিয়ে কারখানাটি সিলগালা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে কারখানার দায়িত্বে থাকা হেলালকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং সহকারী ম্যানেজার নাঈমকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে কারখানাটিকে সিলগালা করে দেওয়া হয়।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের নাজিমনগর এলাকায় আইমান ফুড এন্ড এগ্রো নামের ওই কারখানায় অভিযান পরিচালনা করেন সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু বক্কর সরকার।

প্রতিষ্ঠানটি কয়েক মাস ধরে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন না নিয়েই ‘কুলপি’ ও ‘আইসনলি’ ব্র্যান্ডের আইসক্রিম তৈরি করে বাজারে সরবরাহ করছিল। জানা যায়, এসব আইসক্রিম খেয়ে অনেক শিশু অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে আরও বেরিয়ে আসে, প্রতিষ্ঠানটি বাজারে প্রতারণার মাধ্যমে নিজেদের পণ্য বিক্রির জন্য পরিচিত ব্র্যান্ড লাভেলা আইসক্রিমের প্যাকেট ব্যবহার করছিল। এতে ভোক্তাদের প্রতারিত হওয়ার পাশাপাশি শিশুদের স্বাস্থ্যের ওপর গুরুতর প্রভাব পড়ছিল।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু বক্কর সরকার জানান, “শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে এ ধরনের প্রতারণা ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্য উৎপাদন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে।”

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা প্রশাসনের এমন পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের অননুমোদিত ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্য উৎপাদন বন্ধ থাকে সে দাবি জানিয়েছেন।