ঢাকা , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
সাভার সেটেলমেন্ট অফিসে ঘুষের রমরমা: বেঞ্চ সহকারী হেলালকে ঘিরে তোলপাড় সাভারে তরুণী গণধর্ষণ: দুই আসামি আটক, পলাতক আরও তিনজন ইয়াবা ও হেরোইনসহ ৭ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ধামরাইয়ে ৯ মামলার আসামি ছিনতাইকারী গ্রেফতার সাভারের ভাঙচুর মামলায় জামিনে মুক্ত ছাত্রদল নেতা রেজাউল করিম জুয়েল ঢাকা জেলায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, গ্রেফতার ৪ ব্যবসায়ী ধামরাইয়ে অবৈধ সীসা কারখানায় অভিযান, জরিমানা ৫০ হাজার টাকা নিয়ম না মানায় অপপ্রচার: সাভার সাব-রেজিস্ট্রারের অভিযোগ গাঁজাসহ আশুলিয়ায় ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৬ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
তিতাস গ্যাসের গাফিলতির অভিযোগ, দ্রুত সমাধান না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

সাভারের আমিনবাজারে দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকটে ক্ষুব্ধ বাসিন্দাদের মানববন্ধন

সাভারের আমিনবাজারের বড়দেশী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলমান গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা মানববন্ধন করেছেন। শুক্রবার (১৫ আগস্ট) জুমার নামাজের পর ‘আমিনবাজার ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ’ ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ছাড়াও সাভারের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আলহাজ্ব কফিল উদ্দিনসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কফিল উদ্দিন বলেন, “সাভারে বারবার গ্যাস বিচ্ছিন্ন হওয়া বন্ধে তিতাস গ্যাসকে অবশ্যই সমাধান খুঁজতে হবে। প্রয়োজনে তাদেরকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাতে হবে। সাভারের মানুষের এই দুর্দশা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। কেরানীগঞ্জের সাথে যুক্ত করার কারণে সাভারবাসী অবহেলিত হচ্ছেন। আমরা সাভারে ছিলাম, সাভারেই থাকতে চাই।”

সাভারের আমিনবাজারে দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকটে ক্ষুব্ধ বাসিন্দাদের মানববন্ধন

অভিযোগ করে বক্তারা আরও বলেন, আমিনবাজারের গ্যাস পাইপলাইনে ঘন ঘন লিকেজ হলেও তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ কার্যকর সমাধান দিচ্ছে না। “একটি লাইনে বারবার সমস্যা কেন হবে? এটি তিতাসের গাফিলতিরই প্রমাণ। এই পরিস্থিতি আর মেনে নেওয়া হবে না”—এমন ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। দ্রুত সমাধান না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে তিতাস গ্যাসের উপমহাব্যবস্থাপক (প্রকৌশলী) মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম জানান, “গ্যাসের চাপ কম থাকা এবং পুরনো পাইপলাইনে লিকেজের কারণে সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে। তবে পর্যাপ্ত সরবরাহ পেলে সমস্যা দূর হবে বলে আশা করছি এবং দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।”

প্রসঙ্গত, গত জুলাই মাসেও বড়দেশী এলাকায় প্রায় তিন সপ্তাহ তীব্র গ্যাস সংকট চলেছিল। এ সময়ে এলাকার লক্ষাধিক মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েন। বিকল্প উপায়ে রান্না, হোটেল-রেস্তোরাঁর ওপর নির্ভরশীলতা ও সিএনজি স্টেশন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। কিছুদিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও সম্প্রতি আবারও একই সমস্যার কারণে স্থানীয়রা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছেন।

সর্বাধিক পঠিত

সাভার সেটেলমেন্ট অফিসে ঘুষের রমরমা: বেঞ্চ সহকারী হেলালকে ঘিরে তোলপাড়

তিতাস গ্যাসের গাফিলতির অভিযোগ, দ্রুত সমাধান না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

সাভারের আমিনবাজারে দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকটে ক্ষুব্ধ বাসিন্দাদের মানববন্ধন

আপডেট সময়: ০৬:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৫

সাভারের আমিনবাজারের বড়দেশী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলমান গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা মানববন্ধন করেছেন। শুক্রবার (১৫ আগস্ট) জুমার নামাজের পর ‘আমিনবাজার ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ’ ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ছাড়াও সাভারের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আলহাজ্ব কফিল উদ্দিনসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কফিল উদ্দিন বলেন, “সাভারে বারবার গ্যাস বিচ্ছিন্ন হওয়া বন্ধে তিতাস গ্যাসকে অবশ্যই সমাধান খুঁজতে হবে। প্রয়োজনে তাদেরকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাতে হবে। সাভারের মানুষের এই দুর্দশা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। কেরানীগঞ্জের সাথে যুক্ত করার কারণে সাভারবাসী অবহেলিত হচ্ছেন। আমরা সাভারে ছিলাম, সাভারেই থাকতে চাই।”

সাভারের আমিনবাজারে দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকটে ক্ষুব্ধ বাসিন্দাদের মানববন্ধন

অভিযোগ করে বক্তারা আরও বলেন, আমিনবাজারের গ্যাস পাইপলাইনে ঘন ঘন লিকেজ হলেও তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ কার্যকর সমাধান দিচ্ছে না। “একটি লাইনে বারবার সমস্যা কেন হবে? এটি তিতাসের গাফিলতিরই প্রমাণ। এই পরিস্থিতি আর মেনে নেওয়া হবে না”—এমন ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। দ্রুত সমাধান না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে তিতাস গ্যাসের উপমহাব্যবস্থাপক (প্রকৌশলী) মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম জানান, “গ্যাসের চাপ কম থাকা এবং পুরনো পাইপলাইনে লিকেজের কারণে সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে। তবে পর্যাপ্ত সরবরাহ পেলে সমস্যা দূর হবে বলে আশা করছি এবং দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।”

প্রসঙ্গত, গত জুলাই মাসেও বড়দেশী এলাকায় প্রায় তিন সপ্তাহ তীব্র গ্যাস সংকট চলেছিল। এ সময়ে এলাকার লক্ষাধিক মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েন। বিকল্প উপায়ে রান্না, হোটেল-রেস্তোরাঁর ওপর নির্ভরশীলতা ও সিএনজি স্টেশন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। কিছুদিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও সম্প্রতি আবারও একই সমস্যার কারণে স্থানীয়রা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছেন।