ঢাকা , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
সাভার সেটেলমেন্ট অফিসে ঘুষের রমরমা: বেঞ্চ সহকারী হেলালকে ঘিরে তোলপাড় সাভারে তরুণী গণধর্ষণ: দুই আসামি আটক, পলাতক আরও তিনজন ইয়াবা ও হেরোইনসহ ৭ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ধামরাইয়ে ৯ মামলার আসামি ছিনতাইকারী গ্রেফতার সাভারের ভাঙচুর মামলায় জামিনে মুক্ত ছাত্রদল নেতা রেজাউল করিম জুয়েল ঢাকা জেলায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, গ্রেফতার ৪ ব্যবসায়ী ধামরাইয়ে অবৈধ সীসা কারখানায় অভিযান, জরিমানা ৫০ হাজার টাকা নিয়ম না মানায় অপপ্রচার: সাভার সাব-রেজিস্ট্রারের অভিযোগ গাঁজাসহ আশুলিয়ায় ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৬ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
পাসপোর্ট–ভিসা ছাড়াই বিজিবি ও বিএসএফ-এর সহযোগিতায় বাবার মরদেহ শেষবারের মতো দেখতে পেল বাংলাদেশি মেয়ে

“শার্শা সীমান্তে বিজিবি–বিএসএফ-এর মানবিক উদ্যোগে বাবার শেষ দেখা পেলেন মেয়ে মিতু মন্ডল”

বাবার বাড়ি ভারতে, বিয়ে হয়েছে বাংলাদেশে। বাবার মৃত্যু সংবাদ পেলেও কাঁটাতারের বেড়ার কারণে বাঁধা পড়ে গিয়েছিল মেয়ের বাবার শেষ দেখা। তবে শেষ পর্যন্ত দু’দেশের সীমান্তরক্ষীদের মানবিকতায় বাবার মুখটি শেষবারের মতো দেখতে পারলেন বাংলাদেশি মেয়ে মিতু মন্ডল (৩৮)।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণার বাগদা থানার বাঁশঘাটা গ্রামের বাসিন্দা জব্বার মন্ডল (৭৫) বার্ধক্যজনিত কারণে মঙ্গলবার মারা যান। মৃত্যুর খবর পেয়ে বাংলাদেশে থাকা তার বড় মেয়ে মিতু মন্ডল বাবার মরদেহ দেখতে আবেদন করেন।

বুধবার দুপুরে যশোরের শার্শা উপজেলার ধান্যখোলা সীমান্তের মেইন পিলার ২৫/৬-এস এর নিকটে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে মরদেহ দেখার সুযোগ করে দেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)।

বাবার মরদেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন মেয়ে মিতু মন্ডলসহ বাংলাদেশি স্বজনরা। এ সময় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী সদস্যদেরও আবেগাপ্লুত হয়ে চোখ মুছতে দেখা যায়।

সীমান্তে কাঁটাতার পেরিয়ে বাবার মুখ দেখলো মেয়ে মিতু মন্ডল

বাংলাদেশে থাকা জামাতা বাবলু মন্ডল জানান— “পাসপোর্ট–ভিসা না থাকায় শ্বশুরের মৃত্যু সংবাদ পাওয়ার পর আমরা ভীষণ চিন্তায় পড়ে যাই। পরে বিজিবি ক্যাম্পে আবেদন করলে তারা আমাদের শেষবারের মতো মরদেহ দেখার সুযোগ করে দেন। এজন্য আমরা বিজিবির প্রতি কৃতজ্ঞ।”

পরে মরদেহ ভারতে নিয়ে গিয়ে দাফন সম্পন্ন করা হয়। আর বাংলাদেশি স্বজনরা নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ধান্যখোলা বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার সেলিম মিয়া এবং ভারতের ৬৭ বিএসএফ ব্যাটালিয়ন মোস্তফাপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সঞ্জয় কুমার রায়।

সর্বাধিক পঠিত

সাভার সেটেলমেন্ট অফিসে ঘুষের রমরমা: বেঞ্চ সহকারী হেলালকে ঘিরে তোলপাড়

পাসপোর্ট–ভিসা ছাড়াই বিজিবি ও বিএসএফ-এর সহযোগিতায় বাবার মরদেহ শেষবারের মতো দেখতে পেল বাংলাদেশি মেয়ে

“শার্শা সীমান্তে বিজিবি–বিএসএফ-এর মানবিক উদ্যোগে বাবার শেষ দেখা পেলেন মেয়ে মিতু মন্ডল”

আপডেট সময়: ০৬:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫

বাবার বাড়ি ভারতে, বিয়ে হয়েছে বাংলাদেশে। বাবার মৃত্যু সংবাদ পেলেও কাঁটাতারের বেড়ার কারণে বাঁধা পড়ে গিয়েছিল মেয়ের বাবার শেষ দেখা। তবে শেষ পর্যন্ত দু’দেশের সীমান্তরক্ষীদের মানবিকতায় বাবার মুখটি শেষবারের মতো দেখতে পারলেন বাংলাদেশি মেয়ে মিতু মন্ডল (৩৮)।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণার বাগদা থানার বাঁশঘাটা গ্রামের বাসিন্দা জব্বার মন্ডল (৭৫) বার্ধক্যজনিত কারণে মঙ্গলবার মারা যান। মৃত্যুর খবর পেয়ে বাংলাদেশে থাকা তার বড় মেয়ে মিতু মন্ডল বাবার মরদেহ দেখতে আবেদন করেন।

বুধবার দুপুরে যশোরের শার্শা উপজেলার ধান্যখোলা সীমান্তের মেইন পিলার ২৫/৬-এস এর নিকটে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে মরদেহ দেখার সুযোগ করে দেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)।

বাবার মরদেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন মেয়ে মিতু মন্ডলসহ বাংলাদেশি স্বজনরা। এ সময় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী সদস্যদেরও আবেগাপ্লুত হয়ে চোখ মুছতে দেখা যায়।

সীমান্তে কাঁটাতার পেরিয়ে বাবার মুখ দেখলো মেয়ে মিতু মন্ডল

বাংলাদেশে থাকা জামাতা বাবলু মন্ডল জানান— “পাসপোর্ট–ভিসা না থাকায় শ্বশুরের মৃত্যু সংবাদ পাওয়ার পর আমরা ভীষণ চিন্তায় পড়ে যাই। পরে বিজিবি ক্যাম্পে আবেদন করলে তারা আমাদের শেষবারের মতো মরদেহ দেখার সুযোগ করে দেন। এজন্য আমরা বিজিবির প্রতি কৃতজ্ঞ।”

পরে মরদেহ ভারতে নিয়ে গিয়ে দাফন সম্পন্ন করা হয়। আর বাংলাদেশি স্বজনরা নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ধান্যখোলা বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার সেলিম মিয়া এবং ভারতের ৬৭ বিএসএফ ব্যাটালিয়ন মোস্তফাপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সঞ্জয় কুমার রায়।