যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারণ সরকারি খাদ্য গুদামে নিম্নমানের চাল মজুদ ও ধান ক্রয়ের হিসাবের গড়মিল পাওয়ায় গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামসেদ ইকবালুর রহমানকে কাগজপত্রসহ দুদক যশোর অফিসে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
🔍 দুদকের আকস্মিক অভিযান
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে দুদক যশোর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আল-আমীন এর নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, শার্শা উপজেলার ১৭টি রাইস মিল থেকে প্রায় ১২,৬১৬ মেট্রিক টন চাল এবং ১,০৫৬ মেট্রিক টন ধান ক্রয় করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামসেদ ইকবাল প্রতি কেজি চাল থেকে ৬০ পয়সা করে কমিশন নিয়েছেন এবং ধান ক্রয়ের ক্ষেত্রেও অনিয়ম করেছেন।
⚠️ অভিযানে অনিয়মের প্রমাণ
অভিযানের সময় ৪, ৫ এবং ৬ নম্বর গুদামে নিম্নমানের চাল মজুদ পাওয়া যায়। এছাড়া, ধান ক্রয়ের আর্থিক হিসাবও দেখাতে ব্যর্থ হন কর্মকর্তারা। এ কারণে দুদক কর্মকর্তা জামসেদ ইকবালকে কাগজপত্রসহ যশোর দুদক অফিসে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
🗣️ স্থানীয়দের অভিযোগ: ‘সিন্ডিকেটে চলছে অনিয়ম’
এলাকার সাধারণ মানুষ ও কিছু ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামসেদ ইকবাল ও উপ-খাদ্য পরিদর্শক ফারজানার নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে খাদ্য গুদামে নানা ধরণের অনিয়ম, নিম্নমানের চাল সরবরাহ ও কমিশন বাণিজ্যে জড়িত।

শহিদুল ইসলাম, শার্শা প্রতিনিধি 





