ঢাকা , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
ইয়াবা ও হেরোইনসহ ৭ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ধামরাইয়ে ৯ মামলার আসামি ছিনতাইকারী গ্রেফতার সাভারের ভাঙচুর মামলায় জামিনে মুক্ত ছাত্রদল নেতা রেজাউল করিম জুয়েল ঢাকা জেলায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, গ্রেফতার ৪ ব্যবসায়ী ধামরাইয়ে অবৈধ সীসা কারখানায় অভিযান, জরিমানা ৫০ হাজার টাকা নিয়ম না মানায় অপপ্রচার: সাভার সাব-রেজিস্ট্রারের অভিযোগ গাঁজাসহ আশুলিয়ায় ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৬ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার সারা দেশে শুরু প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫, প্রথম দিনে বাংলা আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে বিদেশি অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার
যশোরের শার্শা উপজেলার ঠেঙামারী বিলে জমে থাকা পানি ও কচুরিপানায় বোরো মৌসুমে জমি অনাবাদী থাকার আশঙ্কা

ঠেঙামারী বিলে কচুরিপানা ও জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত কৃষকরা, হুমকিতে বোরো চাষ

ঠেঙামারী বিলে কচুরিপানায় বিপর্যস্ত কৃষকরা | যশোরের শার্শায় বোরো চাষে অনিশ্চয়তা

যশোরের শার্শা উপজেলার ঠেঙামারী বিলে নতুন করে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা ও কচুরিপানার প্রকট সমস্যা। বিলে এখনো জমে রয়েছে ৫ থেকে ৭ ফুট পানি। মাঠজুড়ে কচুরিপানা ছড়িয়ে পড়ায় জমিতে প্রবেশ করাও দুরূহ হয়ে পড়েছে। এর ফলে চলতি বোরো মৌসুমেও হাজার হাজার বিঘা জমি পতিত থাকার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ইরি-বোরো মৌসুম ঘনিয়ে আসলেও কৃষকরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বীজতলা তৈরির ব্যাপারে। নভেম্বরের শেষ দিকে বীজতলা তৈরির সময় হলেও এখনো বিলের পানি নামার কোনো লক্ষণ নেই। উপরন্তু ইছামতি নদীর পানি এখনো প্রবেশ করছে বিলে।

স্থানীয় কৃষক নায়েব আলী জানান, “এক বিঘা জমির কচুরিপানা পরিস্কার করতে কমপক্ষে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা খরচ পড়বে। এতে কচুরিপানা ফেলার জন্য দুই কাঠা জমি ফেলে রাখতে হবে।”

আরেক কৃষক আব্দুস সাত্তার বলেন, “মাঠে কচুরিপানা কাটার ম্যাশিন আনা হয়েছে। যদি এতে খরচ কম হয় এবং কচুরিপানা সহজে নষ্ট হয়, তাহলে ম্যাশিন দিয়ে জমি পরিস্কার করব। কিন্তু সময়মতো পানি না নামলে ধান রোপণ সম্ভব নয়।”

শনিবার থেকে স্থানীয়রা নিজ উদ্যোগে ম্যাশিনের সাহায্যে কচুরিপানা পরিস্কার কার্যক্রম শুরু করেছেন। তবে কৃষকদের আশঙ্কা, এত খরচ করেও যদি সময়মতো পানি না নামে, তবে সব শ্রম ও অর্থ ব্যর্থ হবে।

কায়বা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল হোসেন জানান, “সরকার খাল সংস্কার ও দাউদখালী খালমুখে বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে এলাকার জলাবদ্ধতা অনেকটাই কমবে এবং কৃষকরা উপকৃত হবেন।”

স্থানীয় কৃষকরা ঠেঙামারী বিলে টেকসই ও স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন যাতে প্রতি বছর এমন জলাবদ্ধতায় ফসল উৎপাদন বাধাগ্রস্ত না হয়।

সর্বাধিক পঠিত

ইয়াবা ও হেরোইনসহ ৭ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

যশোরের শার্শা উপজেলার ঠেঙামারী বিলে জমে থাকা পানি ও কচুরিপানায় বোরো মৌসুমে জমি অনাবাদী থাকার আশঙ্কা

ঠেঙামারী বিলে কচুরিপানা ও জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত কৃষকরা, হুমকিতে বোরো চাষ

আপডেট সময়: ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

ঠেঙামারী বিলে কচুরিপানায় বিপর্যস্ত কৃষকরা | যশোরের শার্শায় বোরো চাষে অনিশ্চয়তা

যশোরের শার্শা উপজেলার ঠেঙামারী বিলে নতুন করে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা ও কচুরিপানার প্রকট সমস্যা। বিলে এখনো জমে রয়েছে ৫ থেকে ৭ ফুট পানি। মাঠজুড়ে কচুরিপানা ছড়িয়ে পড়ায় জমিতে প্রবেশ করাও দুরূহ হয়ে পড়েছে। এর ফলে চলতি বোরো মৌসুমেও হাজার হাজার বিঘা জমি পতিত থাকার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ইরি-বোরো মৌসুম ঘনিয়ে আসলেও কৃষকরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বীজতলা তৈরির ব্যাপারে। নভেম্বরের শেষ দিকে বীজতলা তৈরির সময় হলেও এখনো বিলের পানি নামার কোনো লক্ষণ নেই। উপরন্তু ইছামতি নদীর পানি এখনো প্রবেশ করছে বিলে।

স্থানীয় কৃষক নায়েব আলী জানান, “এক বিঘা জমির কচুরিপানা পরিস্কার করতে কমপক্ষে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা খরচ পড়বে। এতে কচুরিপানা ফেলার জন্য দুই কাঠা জমি ফেলে রাখতে হবে।”

আরেক কৃষক আব্দুস সাত্তার বলেন, “মাঠে কচুরিপানা কাটার ম্যাশিন আনা হয়েছে। যদি এতে খরচ কম হয় এবং কচুরিপানা সহজে নষ্ট হয়, তাহলে ম্যাশিন দিয়ে জমি পরিস্কার করব। কিন্তু সময়মতো পানি না নামলে ধান রোপণ সম্ভব নয়।”

শনিবার থেকে স্থানীয়রা নিজ উদ্যোগে ম্যাশিনের সাহায্যে কচুরিপানা পরিস্কার কার্যক্রম শুরু করেছেন। তবে কৃষকদের আশঙ্কা, এত খরচ করেও যদি সময়মতো পানি না নামে, তবে সব শ্রম ও অর্থ ব্যর্থ হবে।

কায়বা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল হোসেন জানান, “সরকার খাল সংস্কার ও দাউদখালী খালমুখে বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে এলাকার জলাবদ্ধতা অনেকটাই কমবে এবং কৃষকরা উপকৃত হবেন।”

স্থানীয় কৃষকরা ঠেঙামারী বিলে টেকসই ও স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন যাতে প্রতি বছর এমন জলাবদ্ধতায় ফসল উৎপাদন বাধাগ্রস্ত না হয়।