ঢাকা , সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ; ট্রাম্পের সংবর্ধনায় অংশগ্রহণ, বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বৈঠক ও প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের কর্মসূচি

জাতিসংঘে প্রথম ভাষণ দেবেন তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সফরে যাচ্ছেন। ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষে ভাষণ দেবেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি হবে তারেক রহমানের প্রথম নিউইয়র্ক সফর এবং একই সঙ্গে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তার প্রথম আনুষ্ঠানিক ভাষণ।

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক কূটনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সফরে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক করবেন এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন, বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে দেশের অবস্থান তুলে ধরবেন।

বাংলাদেশের জন্য বিশেষ গুরুত্বের অধিবেশন

এবারের ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। কারণ, এই অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। জাতিসংঘের মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশের এই নেতৃত্বকে দেশের কূটনৈতিক সাফল্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

ট্রাম্পের সংবর্ধনায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। এছাড়া নিউইয়র্কে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। সফরের ফাঁকে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে একাধিক সাইডলাইন বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

কূটনৈতিক সূত্রের মতে, এসব বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, উন্নয়ন সহযোগিতা, জলবায়ু পরিবর্তন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, অভিবাসন এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

সংক্ষিপ্ত হলেও গুরুত্বপূর্ণ সফর

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফর হবে সংক্ষিপ্ত। তিনি নিউইয়র্কে চার থেকে পাঁচ দিন অবস্থান করবেন। আগামী ২৫ অথবা ২৬ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করবেন। সফরসঙ্গীর সংখ্যা ৩৫ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হবে।

‘পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠন’ এবারের মূল প্রতিপাদ্য

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— ‘পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠন, পরিবর্তন মোকাবিলা এবং সবার জন্য কার্যকর জাতিসংঘ গড়ে তোলা।’

জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এই প্রতিপাদ্যকে বহুপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার এবং বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘকে আরও কার্যকর করে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ আহ্বান হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

ছয় অগ্রাধিকার সামনে এনেছেন ড. খলিলুর রহমান

৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে ড. খলিলুর রহমান ছয়টি প্রধান অগ্রাধিকার নির্ধারণ করেছেন। এগুলো হলো—

  • আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা জোরদার;
  • টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে গতি বৃদ্ধি;
  • জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও পরিবেশ সংরক্ষণ;
  • মানবাধিকার সুরক্ষা ও উন্নয়ন;
  • কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ উদীয়মান প্রযুক্তির কার্যকর বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা;
  • জাতিসংঘ ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় সংস্কার।

তিনি বিশেষভাবে প্রতিরোধমূলক কূটনীতি, সংঘাত প্রতিরোধ, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

এ ছাড়া উন্নয়ন অর্থায়নের ঘাটতি কমানো, বৈশ্বিক ডিজিটাল কমপ্যাক্ট বাস্তবায়ন এবং জাতিসংঘকে আরও দক্ষ, কার্যকর ও সময়োপযোগী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের বিষয়েও এবারের অধিবেশনে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

২২ সেপ্টেম্বর শুরু হবে উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্ক

জাতিসংঘের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ২২ সেপ্টেম্বর শুরু হবে উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্ক, যা চলবে ২২ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর এবং ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এ সময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা সাধারণ পরিষদে বক্তব্য রাখবেন এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নিজ নিজ দেশের অবস্থান তুলে ধরবেন।

আলোচনায় থাকবে বৈশ্বিক নানা সংকট

এবারের সাধারণ বিতর্কে যুদ্ধ ও সংঘাত, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা, মানবাধিকার, টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক আইনের শাসনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যু প্রাধান্য পাবে।

বিশ্বের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ আন্তর্জাতিক কূটনীতি, শান্তি, উন্নয়ন, মানবাধিকার ও বৈশ্বিক সহযোগিতার সবচেয়ে বড় বহুপক্ষীয় ফোরাম। আন্তর্জাতিক নানা সংকট ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমন্বয়, নীতিনির্ধারণ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণে এই অধিবেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম জাতিসংঘ ভাষণ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় দেশের অবস্থান বিশ্বদরবারে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করবে।

সর্বাধিক পঠিত

সাভার-আশুলিয়ায় ডিবির পৃথক অভিযান: ১৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৪

২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ; ট্রাম্পের সংবর্ধনায় অংশগ্রহণ, বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বৈঠক ও প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের কর্মসূচি

জাতিসংঘে প্রথম ভাষণ দেবেন তারেক রহমান

আপডেট সময়: ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সফরে যাচ্ছেন। ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষে ভাষণ দেবেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি হবে তারেক রহমানের প্রথম নিউইয়র্ক সফর এবং একই সঙ্গে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তার প্রথম আনুষ্ঠানিক ভাষণ।

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক কূটনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সফরে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক করবেন এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন, বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে দেশের অবস্থান তুলে ধরবেন।

বাংলাদেশের জন্য বিশেষ গুরুত্বের অধিবেশন

এবারের ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। কারণ, এই অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। জাতিসংঘের মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশের এই নেতৃত্বকে দেশের কূটনৈতিক সাফল্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

ট্রাম্পের সংবর্ধনায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। এছাড়া নিউইয়র্কে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। সফরের ফাঁকে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে একাধিক সাইডলাইন বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

কূটনৈতিক সূত্রের মতে, এসব বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, উন্নয়ন সহযোগিতা, জলবায়ু পরিবর্তন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, অভিবাসন এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

সংক্ষিপ্ত হলেও গুরুত্বপূর্ণ সফর

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফর হবে সংক্ষিপ্ত। তিনি নিউইয়র্কে চার থেকে পাঁচ দিন অবস্থান করবেন। আগামী ২৫ অথবা ২৬ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করবেন। সফরসঙ্গীর সংখ্যা ৩৫ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হবে।

‘পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠন’ এবারের মূল প্রতিপাদ্য

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— ‘পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠন, পরিবর্তন মোকাবিলা এবং সবার জন্য কার্যকর জাতিসংঘ গড়ে তোলা।’

✒️ আরও পড়ুন 📖  গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশের গেজেট প্রকাশ: মৃত্যুদণ্ড–যাবজ্জীবনসহ কঠোর সাজা

জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এই প্রতিপাদ্যকে বহুপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার এবং বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘকে আরও কার্যকর করে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ আহ্বান হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

ছয় অগ্রাধিকার সামনে এনেছেন ড. খলিলুর রহমান

৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে ড. খলিলুর রহমান ছয়টি প্রধান অগ্রাধিকার নির্ধারণ করেছেন। এগুলো হলো—

  • আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা জোরদার;
  • টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে গতি বৃদ্ধি;
  • জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও পরিবেশ সংরক্ষণ;
  • মানবাধিকার সুরক্ষা ও উন্নয়ন;
  • কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ উদীয়মান প্রযুক্তির কার্যকর বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা;
  • জাতিসংঘ ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় সংস্কার।

তিনি বিশেষভাবে প্রতিরোধমূলক কূটনীতি, সংঘাত প্রতিরোধ, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

এ ছাড়া উন্নয়ন অর্থায়নের ঘাটতি কমানো, বৈশ্বিক ডিজিটাল কমপ্যাক্ট বাস্তবায়ন এবং জাতিসংঘকে আরও দক্ষ, কার্যকর ও সময়োপযোগী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের বিষয়েও এবারের অধিবেশনে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

২২ সেপ্টেম্বর শুরু হবে উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্ক

জাতিসংঘের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ২২ সেপ্টেম্বর শুরু হবে উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্ক, যা চলবে ২২ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর এবং ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এ সময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা সাধারণ পরিষদে বক্তব্য রাখবেন এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নিজ নিজ দেশের অবস্থান তুলে ধরবেন।

আলোচনায় থাকবে বৈশ্বিক নানা সংকট

এবারের সাধারণ বিতর্কে যুদ্ধ ও সংঘাত, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা, মানবাধিকার, টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক আইনের শাসনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যু প্রাধান্য পাবে।

বিশ্বের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ আন্তর্জাতিক কূটনীতি, শান্তি, উন্নয়ন, মানবাধিকার ও বৈশ্বিক সহযোগিতার সবচেয়ে বড় বহুপক্ষীয় ফোরাম। আন্তর্জাতিক নানা সংকট ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমন্বয়, নীতিনির্ধারণ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণে এই অধিবেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

✒️ আরও পড়ুন 📖  জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা আজ সন্ধ্যায়

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম জাতিসংঘ ভাষণ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় দেশের অবস্থান বিশ্বদরবারে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করবে।