ঢাকা , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
সাভার সেটেলমেন্ট অফিসে ঘুষের রমরমা: বেঞ্চ সহকারী হেলালকে ঘিরে তোলপাড় সাভারে তরুণী গণধর্ষণ: দুই আসামি আটক, পলাতক আরও তিনজন ইয়াবা ও হেরোইনসহ ৭ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ধামরাইয়ে ৯ মামলার আসামি ছিনতাইকারী গ্রেফতার সাভারের ভাঙচুর মামলায় জামিনে মুক্ত ছাত্রদল নেতা রেজাউল করিম জুয়েল ঢাকা জেলায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, গ্রেফতার ৪ ব্যবসায়ী ধামরাইয়ে অবৈধ সীসা কারখানায় অভিযান, জরিমানা ৫০ হাজার টাকা নিয়ম না মানায় অপপ্রচার: সাভার সাব-রেজিস্ট্রারের অভিযোগ গাঁজাসহ আশুলিয়ায় ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৬ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
আশুলিয়ার বাইপাইল বাস স্ট্যান্ড এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগে হাতকাটা টিপুসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথবাহিনী।

আশুলিয়ার বাইপাইলে কুখ্যাত চাঁদাবাজ হাতকাটা টিপুসহ ৩ জন গ্রেপ্তার

আশুলিয়ার বাইপাইল বাস স্ট্যান্ড এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগে কুখ্যাত চাঁদাবাজ মোঃ নূর মোহাম্মদ ওরফে হাতকাটা টিপু (৪৫) ও তার দুই সহযোগী আমির হোসেন (৩৫) এবং মোঃ রহমতুল্লাহ শেখ (৩৮)-কে গ্রেপ্তার করেছে যৌথবাহিনী। রবিবার (৩১ আগস্ট) দুপুর ২টায় আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযানে দেশীয় অস্ত্র, চাপাতি, মোবাইল ফোনসহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়।

আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান রাত সাড়ে ৯টায় গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামগড়া আর্মি ক্যাম্পের টহল দল প্রাথমিকভাবে কয়েকজনকে আটক করে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই মূল আসামি হাতকাটা টিপুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

যৌথবাহিনী সূত্রে জানা যায়, হাতকাটা টিপু দীর্ঘদিন ধরে আশুলিয়ার বাইপাইল, ডেন্ডাবরসহ বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি চালিয়ে আসছিলেন। তিনি ও তার দল নিয়মিত বাস স্ট্যান্ডের দোকান ও দূরপাল্লার বাস থেকে চাঁদা আদায় করতেন। চাঁদা না দিলে ব্যবসায়ী ও যাত্রীদের মারধর করা হতো।

টিপুর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ বারবার মানববন্ধন ও জনসমাবেশ করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন >

হাতকাটা টিপু: মানিকগঞ্জের শিবালয় থানার নিহালপুর গ্রামের মোঃ দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।

আমির হোসেন: মানিকগঞ্জ সদরের মাধপপুর গ্রামের মোঃ তাইজুল ইসলামের ছেলে।

রহমতুল্লাহ শেখ: গোপালগঞ্জ সদরের মিয়ার চর মানিকদা গ্রামের জামিল আহম্মেদের ছেলে।

ওসি আব্দুল হান্নান জানান, গ্রেপ্তারের সময় বিপুল দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। গ্রেপ্তারের খবর শুনে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

সর্বাধিক পঠিত

সাভার সেটেলমেন্ট অফিসে ঘুষের রমরমা: বেঞ্চ সহকারী হেলালকে ঘিরে তোলপাড়

আশুলিয়ার বাইপাইল বাস স্ট্যান্ড এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগে হাতকাটা টিপুসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথবাহিনী।

আশুলিয়ার বাইপাইলে কুখ্যাত চাঁদাবাজ হাতকাটা টিপুসহ ৩ জন গ্রেপ্তার

আপডেট সময়: ১০:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

আশুলিয়ার বাইপাইল বাস স্ট্যান্ড এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগে কুখ্যাত চাঁদাবাজ মোঃ নূর মোহাম্মদ ওরফে হাতকাটা টিপু (৪৫) ও তার দুই সহযোগী আমির হোসেন (৩৫) এবং মোঃ রহমতুল্লাহ শেখ (৩৮)-কে গ্রেপ্তার করেছে যৌথবাহিনী। রবিবার (৩১ আগস্ট) দুপুর ২টায় আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযানে দেশীয় অস্ত্র, চাপাতি, মোবাইল ফোনসহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়।

আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান রাত সাড়ে ৯টায় গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামগড়া আর্মি ক্যাম্পের টহল দল প্রাথমিকভাবে কয়েকজনকে আটক করে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই মূল আসামি হাতকাটা টিপুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

যৌথবাহিনী সূত্রে জানা যায়, হাতকাটা টিপু দীর্ঘদিন ধরে আশুলিয়ার বাইপাইল, ডেন্ডাবরসহ বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি চালিয়ে আসছিলেন। তিনি ও তার দল নিয়মিত বাস স্ট্যান্ডের দোকান ও দূরপাল্লার বাস থেকে চাঁদা আদায় করতেন। চাঁদা না দিলে ব্যবসায়ী ও যাত্রীদের মারধর করা হতো।

টিপুর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ বারবার মানববন্ধন ও জনসমাবেশ করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন >

হাতকাটা টিপু: মানিকগঞ্জের শিবালয় থানার নিহালপুর গ্রামের মোঃ দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।

আমির হোসেন: মানিকগঞ্জ সদরের মাধপপুর গ্রামের মোঃ তাইজুল ইসলামের ছেলে।

রহমতুল্লাহ শেখ: গোপালগঞ্জ সদরের মিয়ার চর মানিকদা গ্রামের জামিল আহম্মেদের ছেলে।

ওসি আব্দুল হান্নান জানান, গ্রেপ্তারের সময় বিপুল দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। গ্রেপ্তারের খবর শুনে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।