ঢাকা জেলার আশুলিয়ায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি-উত্তর)। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঢাকা জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার শামীমা পারভিন-এর নির্দেশনায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এ সাফল্য অর্জিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর)-এর অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইদুল ইসলাম। তার নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মো. মতিউর রহমান সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ সোমবার (১৩ জুলাই) রাত আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে আশুলিয়া থানার ধামসোনা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানে গ্রেফতার হওয়া দুইজন হলেন মো. সাব্বির সরকার (২৪) এবং মো. রাসেল (২৫)।
গ্রেফতারকৃত মো. সাব্বির সরকারের পিতার নাম মো. খোরশেদ সরকার এবং মাতার নাম মোসা. সুফিয়া বেগম। তার গ্রামের বাড়ি ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার বগাবাড়ি এলাকায়।
অপরদিকে, গ্রেফতারকৃত মো. রাসেলের পিতা মৃত চাঁন মিয়া এবং মাতা নাসিমা বেগম। তার স্থায়ী ঠিকানা ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা থানার সরলপাড়া (স্বল্প গ্রাম) এলাকায়। বর্তমানে তিনি আশুলিয়ার বাইপাইল ভূঁইয়াপাড়া এলাকায় বাদল ভূঁইয়ার বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ১০০ (একশত) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার মোট ওজন প্রায় ১০ গ্রাম এবং যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩০ হাজার টাকা।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে আশুলিয়াসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল। তারা সংঘবদ্ধভাবে ইয়াবা সংগ্রহ করে স্থানীয় মাদকসেবী ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করত বলে ধারণা করছে তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃত মো. সাব্বির সরকারের বিরুদ্ধে পূর্বে একটি ছিনতাই মামলা রয়েছে। এছাড়া মো. রাসেলের বিরুদ্ধে দুটি মাদক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
ঢাকা জেলা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং মাদক ব্যবসায়ী কিংবা মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত দুই আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সংশ্লিষ্ট আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরবর্তীতে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ খবর ডেস্ক 





