ঢাকার আশুলিয়ায় বকেয়া বেতন পরিশোধের কথা বলে ডেকে নিয়ে এক নারী মাদ্রাসা শিক্ষিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দারুন নাজাত মহিলা মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং দ্রুত গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় থানা ভবনের সামনে ‘উলামায়ে কেরাম ও সর্বস্তরের জনতা’ ব্যানারে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচিতে প্রায় দুই শতাধিক আলেম-ওলামা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “ধর্ষণকারী নুরুল ইসলাম ও তার সহযোগী তাজুল ইসলামকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন জঘন্য অপরাধে জড়াতে সাহস না পায়।”
ঘটনার বিবরণ
মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় শ্রীপুরের তালটেকী দারুন নাজাত মহিলা মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষিকাকে তার বকেয়া বেতন বুঝিয়ে দেওয়ার কথা বলে মাদ্রাসায় ডাকেন প্রিন্সিপাল নুরুল ইসলাম। পরে তিনি শিক্ষিকাকে বেতন দেওয়ার কথা বলে পার্শ্ববর্তী সুবন্দী ফাতেমাতুজ জোইরা মহিলা মাদ্রাসায় নিয়ে যান।
সেখানে নিয়ে শিক্ষক তাজুল ইসলামের সহযোগিতায় নারী শিক্ষিকাকে ধর্ষণ করা হয় এবং দীর্ঘ সময় তাকে একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়। রাত সাড়ে ৯টার দিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে ভুক্তভোগী শিক্ষিকা আশুলিয়া থানায় এসে প্রিন্সিপাল নুরুল ইসলাম ও তার সহকারী তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে এবং দ্রুত বিচার দাবি জোরালো হচ্ছে।

সাভার উপজেলা প্রতিনিধি 






