সাভারের আশুলিয়ায় বিএনপি নেতা মোঃ বাছেদ দেওয়ান–কে নিয়ে ‘‘অভিযোগের পাহাড়’’ শিরোনামে প্রকাশিত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তারা অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে প্রতিপক্ষের লোকজন বাছেদ দেওয়ানকে হেয় প্রতিপন্ন করতে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।
আশুলিয়া থানা বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে পাথালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পারভেজ দেওয়ানের সঙ্গে আঁতাত করে বাছেদ দেওয়ান ব্যবসা করেছেন—এমন তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও কাল্পনিক। তাদের দাবি, বাছেদ দেওয়ান একজন পরিচ্ছন্ন ও ত্যাগী রাজনীতিবিদ, যিনি ২০০৩ ও ২০০৯ সালে পরপর দুইবার পাথালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত পারভেজ দেওয়ানের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দিতা করেন।
নেতাকর্মীরা বলেন, নির্বাচনে নানাবিধ অনিয়মের প্রতিবাদ করায় নির্বাচনের দিন প্রশাসনের সহযোগিতায় অন্যায়ভাবে তাকে ভোটকেন্দ্র থেকে আটক করে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, গত ১৬ বছরে মামলা–হামলা, পুলিশি হয়রানি এবং রাজনৈতিক কোন্দলের কারণে বাছেদ দেওয়ান কখনো নিজের বাড়িতে রাত কাটাতে পারেননি। প্রায় এক ডজন মিথ্যা মামলায় আসামি করে তাকে পরিবার-পরিজন ছেড়ে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকতে হয়েছে।
ঢাকা–আরিচা মহাসড়কের পাশে সিএনবি জমিতে অবৈধ বালু ব্যবসা বা বংশী নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগকেও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন বিএনপি নেতারা। তারা বলেন, বাছেদ দেওয়ানের কোনো বালুর ব্যবসা নেই, বরং তিনি তার পৈতৃক জমি ভাড়া দিয়েছেন। সেখানে মামুন নামে এক ব্যবসায়ী ট্রলারে অন্য স্থান থেকে বালু এনে বিক্রি করেন। বংশী নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগটি মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, কারণ এলাকাটিতে কোনো ড্রেজার পরিচালিত হয় না।
এ বিষয়ে পাথালিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব আনোয়ার হোসেন নিশ্চিত করেছেন যে বংশী নদী থেকে কোনো ধরনের ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করা হয় না।
বিএনপি নেতা মোঃ বাছেদ দেওয়ান বলেন, “আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য প্রতিপক্ষের লোকজন মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। বর্তমানে ঢাকা-১৯ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ডাঃ দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবুর নেতৃত্বে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছি। আমাদের দলে কোনো ধরনের কোন্দল নেই।” তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য করা কিংবা মামলার মাধ্যমে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ বানোয়াট, অসত্য ও ভিত্তিহীন।

সাভার উপজেলা প্রতিনিধি 





