ঢাকা , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে স্ট্যাটিক, মোবাইল ও কেন্দ্রীয় রিজার্ভ—এই তিন ধাপেই মোতায়েন হবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

তিন ধাপে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা: ইসির বৈঠকে চূড়ান্ত রূপরেখা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময়: ০৬:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
  • 141

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিন ধাপে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এ নির্বাচনে স্থায়ী (স্ট্যাটিক) ডেপ্লয়মেন্ট, মোবাইল ইউনিট এবং কেন্দ্রীয় রিজার্ভ বাহিনী—এই তিনটি ধাপে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে।

তিনি জানান, কেন্দ্রভিত্তিক স্থায়ী নিরাপত্তা টিমের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে স্থায়ী ও অস্থায়ী চেকপোস্ট থাকবে। মোবাইল চেকপোস্টগুলো এক স্থান থেকে আরেক স্থানে সরে গিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। অন্যদিকে মোবাইল ইউনিট ঘুরে ঘুরে পুরো এলাকাজুড়ে নজরদারি চালাবে।

তবে একটি মোবাইল ইউনিট কতগুলো ভোটকেন্দ্রের দায়িত্ব পালন করবে, তা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। আখতার আহমেদ বলেন, “এটি নির্ভর করবে ভৌগোলিক অবস্থান, সড়ক যোগাযোগ এবং এলাকার পরিস্থিতির ওপর। সংশ্লিষ্ট বাহিনী তাদের মূল্যায়ন করেই এটি নির্ধারণ করবে।”

তিনি আরও জানান, কেন্দ্রীয় রিজার্ভ বাহিনী প্রধান রিজার্ভ শক্তি হিসেবে প্রস্তুত থাকবে। এছাড়া প্রচলিত স্ট্রাইকিং ফোর্স দ্রুত প্রতিক্রিয়া ইউনিট হিসেবে মাঠে কাজ করবে।

ইসি সচিব বলেন, “সংশ্লিষ্ট সমস্ত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী এজেন্সির সঙ্গে আমরা বৈঠকে বসেছি। প্রয়োজন হলে পরে আলাদাভাবে বিভিন্ন বাহিনীর সঙ্গে ছোট পরিসরে বৈঠক করা হবে।”

নির্বাচনকালীন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তারা আগের মতোই নীতিমালা ও দিকনির্দেশনা দেবে বলে জানান ইসি সচিব। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন সামগ্রিকভাবে সব কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয় করবে।

ইসি ভবনে একটি পর্যবেক্ষণ সেল গঠন করা হবে, যা সংশ্লিষ্ট বাহিনীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয়ে কাজ করবে। সেলের আকার কিংবা কতজন প্রতিনিধি থাকবেন—তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানান আখতার আহমেদ।

বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে চার নির্বাচন কমিশনার, ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সব আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ডিবির পৃথক অভিযানে বিপুল মাদক উদ্ধার, আটক ৩

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে স্ট্যাটিক, মোবাইল ও কেন্দ্রীয় রিজার্ভ—এই তিন ধাপেই মোতায়েন হবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

তিন ধাপে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা: ইসির বৈঠকে চূড়ান্ত রূপরেখা

আপডেট সময়: ০৬:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিন ধাপে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এ নির্বাচনে স্থায়ী (স্ট্যাটিক) ডেপ্লয়মেন্ট, মোবাইল ইউনিট এবং কেন্দ্রীয় রিজার্ভ বাহিনী—এই তিনটি ধাপে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে।

তিনি জানান, কেন্দ্রভিত্তিক স্থায়ী নিরাপত্তা টিমের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে স্থায়ী ও অস্থায়ী চেকপোস্ট থাকবে। মোবাইল চেকপোস্টগুলো এক স্থান থেকে আরেক স্থানে সরে গিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। অন্যদিকে মোবাইল ইউনিট ঘুরে ঘুরে পুরো এলাকাজুড়ে নজরদারি চালাবে।

তবে একটি মোবাইল ইউনিট কতগুলো ভোটকেন্দ্রের দায়িত্ব পালন করবে, তা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। আখতার আহমেদ বলেন, “এটি নির্ভর করবে ভৌগোলিক অবস্থান, সড়ক যোগাযোগ এবং এলাকার পরিস্থিতির ওপর। সংশ্লিষ্ট বাহিনী তাদের মূল্যায়ন করেই এটি নির্ধারণ করবে।”

তিনি আরও জানান, কেন্দ্রীয় রিজার্ভ বাহিনী প্রধান রিজার্ভ শক্তি হিসেবে প্রস্তুত থাকবে। এছাড়া প্রচলিত স্ট্রাইকিং ফোর্স দ্রুত প্রতিক্রিয়া ইউনিট হিসেবে মাঠে কাজ করবে।

ইসি সচিব বলেন, “সংশ্লিষ্ট সমস্ত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী এজেন্সির সঙ্গে আমরা বৈঠকে বসেছি। প্রয়োজন হলে পরে আলাদাভাবে বিভিন্ন বাহিনীর সঙ্গে ছোট পরিসরে বৈঠক করা হবে।”

নির্বাচনকালীন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তারা আগের মতোই নীতিমালা ও দিকনির্দেশনা দেবে বলে জানান ইসি সচিব। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন সামগ্রিকভাবে সব কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয় করবে।

ইসি ভবনে একটি পর্যবেক্ষণ সেল গঠন করা হবে, যা সংশ্লিষ্ট বাহিনীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয়ে কাজ করবে। সেলের আকার কিংবা কতজন প্রতিনিধি থাকবেন—তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানান আখতার আহমেদ।

বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে চার নির্বাচন কমিশনার, ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সব আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।