ঢাকা , রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
কুমিল্লায় কিশোরী জান্নাতুল তাজমীন হত্যা: আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, গ্রেপ্তার অটোরিকশাচালক প্রথম রানেই ব্যাট তুলে উদযাপন, চার শূন্যের চাপ কাটিয়ে লিটনের ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার বিতর্ক পেছনে ফেলে আল নাসরের জার্সিতে ফিরেই গোল, রোনালদোর ক্যারিয়ারে ৯৮০তম মাইলফলক মুকেশ আম্বানিকে ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী’ বলে কটাক্ষ ইলন মাস্কের, স্টারলিংক নিয়ে নতুন বিতর্ক সাভারে ডিবি পুলিশের অভিযান: ১৩০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার জুমার দিন দুই খুতবার মাঝে যেসব দোয়া পড়বেন কক্সবাজারে হোটেলকক্ষে কুলসুমা হত্যা: সাত দিন পর রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে অভিযুক্ত ইরফান গ্রেফতার রোগ প্রতিরোধে সহায়ক ১০ ধরনের খাবার, সুস্থ থাকতে রাখুন প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় উৎসবের আগে ত্বক উজ্জ্বল ও সতেজ রাখতে খাদ্যতালিকায় রাখুন যেসব খাবার
সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পর পেটে গজ রেখে সেলাই দেওয়ার অভিযোগ; ছয় মাস ধরে নানা জটিলতায় চিকিৎসাধীন থাকার পর ঢাকা মেডিক্যালে নার্স বিথী আক্তারের মৃত্যু।

সিজারের পর পেটে গজ রেখে সেলাই: ছয় মাস পর নার্স বিথী আক্তারের মৃত্যু

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের সময় পেটের ভেতরে গজ রেখে সেলাই করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠা ডিপ্লোমা মিডওয়াইফ নার্স বিথী আক্তার (২৫) মারা গেছেন। দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস নানা শারীরিক জটিলতা ও চিকিৎসার মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে ঢাকার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বিথী আক্তারের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন তার স্বামী রাকিবুল ইসলাম।

বিথী আক্তার রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তমিজ উদ্দিন মৃধার পাড়া এলাকার বাসিন্দা রাকিবুল ইসলামের স্ত্রী। মৃত্যুর সময় তিনি স্বামী ও ছোট্ট সন্তানসহ স্বজনদের রেখে গেছেন।

সিজারের পর থেকেই শারীরিক জটিলতা

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৬ মে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বিথী আক্তারের সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের সময় তার পেটের ভেতরে গজ থেকে যায় এবং সেটি অপসারণ না করেই অস্ত্রোপচারের স্থান সেলাই করে দেওয়া হয়।

পরিবারের দাবি, অস্ত্রোপচারের পর থেকেই বিথী আক্তার নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগতে শুরু করেন। ধীরে ধীরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে এবং তীব্র ব্যথাসহ বিভিন্ন জটিলতা দেখা দেয়।

পরিবারের অভিযোগে আরও বলা হয়, অস্ত্রোপচারের প্রায় দুই মাস পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পুনরায় বড় ধরনের অস্ত্রোপচার করাতে হয়। পরবর্তী সময়ে অন্ত্রে গুরুতর জটিলতা দেখা দিলে তাকে নিবিড় চিকিৎসার আওতায় নেওয়া হয়।

একাধিক জটিল চিকিৎসা, কমে যায় ওজন

দীর্ঘ সময় ধরে অসুস্থ থাকার কারণে বিথীর শারীরিক অবস্থার ব্যাপক অবনতি ঘটে বলে পরিবার জানিয়েছে। তাদের দাবি, একসময় তার ওজন ছিল প্রায় ৬১ কেজি। দীর্ঘ চিকিৎসা ও অসুস্থতার মধ্যে তা কমে প্রায় ৩৮ কেজিতে নেমে আসে।

চিকিৎসার অংশ হিসেবে তাকে আইসিইউতে থাকতে হয়েছে বলেও পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ ছাড়া বাইপাস সার্জারিসহ একাধিক জটিল চিকিৎসা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে পরিবার।

অসুস্থতার কারণে নিজের নবজাতক সন্তানকে স্বাভাবিকভাবে কোলে নেওয়া কিংবা দুধ খাওয়ানোর মতো অবস্থাতেও ছিলেন না বিথী। ফলে জন্মের পর থেকেই তার ছোট্ট সন্তান মায়ের স্বাভাবিক স্নেহ-যত্ন থেকে বঞ্চিত ছিল বলে স্বজনরা জানিয়েছেন।

চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে পরিবারের অভিযোগ

পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের সময় চিকিৎসকদের অবহেলার কারণেই পেটের ভেতরে গজ থেকে যেতে পারে। পরিবারের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই অস্ত্রোপচারে ডা. তামান্না ও ইন্টার্ন চিকিৎসক অরবিন্দ যুক্ত ছিলেন।

তবে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বা অভিযুক্ত চিকিৎসকদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে যথাযথ তদন্ত ও চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি পর্যালোচনা প্রয়োজন।

ছয় মাসের লড়াই শেষে মৃত্যু

অস্ত্রোপচারের পর থেকে প্রায় ছয় মাস ধরে শারীরিক জটিলতার সঙ্গে লড়াই করেছেন বিথী আক্তার। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর শেষ পর্যন্ত তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সেখানে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

বিথীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পরিবার, স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিশেষ করে তার ছোট সন্তানকে ঘিরে স্বজনদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও শোকের সৃষ্টি হয়েছে।

তদন্তের দাবি ইউএনওর

বিথী আক্তারের মৃত্যুর বিষয়ে গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল হুদা গণমাধ্যমকে বলেন, তিনি বিথীর মৃত্যুর খবর শুনেছেন এবং ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।

তিনি জানান, বিথীর শিশুসন্তানকে দেখতে জেলা প্রশাসক ইতোমধ্যে তার বাড়িতে গেছেন। ইউএনও নিজেও শিশুটিকে দেখতে দুইবার ওই বাড়িতে গিয়েছেন।

এ ঘটনায় তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং কেউ দায়ী হলে তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলেও তিনি মত দেন।

চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগে নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি

একজন প্রসূতির অস্ত্রোপচারের পর পেটের ভেতরে গজ থেকে যাওয়ার অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে চিকিৎসা নথি, অস্ত্রোপচারের বিবরণ, পরবর্তী চিকিৎসার প্রতিবেদন, অস্ত্রোপচারে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের বক্তব্য এবং প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞ মতামত পর্যালোচনা করে প্রকৃত ঘটনা নির্ধারণ করা জরুরি।

বিথী আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের অভিযোগের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকদের বক্তব্য গ্রহণ এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়-দায়িত্ব নির্ধারণের দাবি উঠেছে।

পরিবারের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

কুমিল্লায় কিশোরী জান্নাতুল তাজমীন হত্যা: আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, গ্রেপ্তার অটোরিকশাচালক

সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পর পেটে গজ রেখে সেলাই দেওয়ার অভিযোগ; ছয় মাস ধরে নানা জটিলতায় চিকিৎসাধীন থাকার পর ঢাকা মেডিক্যালে নার্স বিথী আক্তারের মৃত্যু।

সিজারের পর পেটে গজ রেখে সেলাই: ছয় মাস পর নার্স বিথী আক্তারের মৃত্যু

আপডেট সময়: ০১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের সময় পেটের ভেতরে গজ রেখে সেলাই করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠা ডিপ্লোমা মিডওয়াইফ নার্স বিথী আক্তার (২৫) মারা গেছেন। দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস নানা শারীরিক জটিলতা ও চিকিৎসার মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে ঢাকার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বিথী আক্তারের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন তার স্বামী রাকিবুল ইসলাম।

বিথী আক্তার রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তমিজ উদ্দিন মৃধার পাড়া এলাকার বাসিন্দা রাকিবুল ইসলামের স্ত্রী। মৃত্যুর সময় তিনি স্বামী ও ছোট্ট সন্তানসহ স্বজনদের রেখে গেছেন।

সিজারের পর থেকেই শারীরিক জটিলতা

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৬ মে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বিথী আক্তারের সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের সময় তার পেটের ভেতরে গজ থেকে যায় এবং সেটি অপসারণ না করেই অস্ত্রোপচারের স্থান সেলাই করে দেওয়া হয়।

পরিবারের দাবি, অস্ত্রোপচারের পর থেকেই বিথী আক্তার নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগতে শুরু করেন। ধীরে ধীরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে এবং তীব্র ব্যথাসহ বিভিন্ন জটিলতা দেখা দেয়।

পরিবারের অভিযোগে আরও বলা হয়, অস্ত্রোপচারের প্রায় দুই মাস পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পুনরায় বড় ধরনের অস্ত্রোপচার করাতে হয়। পরবর্তী সময়ে অন্ত্রে গুরুতর জটিলতা দেখা দিলে তাকে নিবিড় চিকিৎসার আওতায় নেওয়া হয়।

একাধিক জটিল চিকিৎসা, কমে যায় ওজন

দীর্ঘ সময় ধরে অসুস্থ থাকার কারণে বিথীর শারীরিক অবস্থার ব্যাপক অবনতি ঘটে বলে পরিবার জানিয়েছে। তাদের দাবি, একসময় তার ওজন ছিল প্রায় ৬১ কেজি। দীর্ঘ চিকিৎসা ও অসুস্থতার মধ্যে তা কমে প্রায় ৩৮ কেজিতে নেমে আসে।

চিকিৎসার অংশ হিসেবে তাকে আইসিইউতে থাকতে হয়েছে বলেও পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ ছাড়া বাইপাস সার্জারিসহ একাধিক জটিল চিকিৎসা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে পরিবার।

✒️ আরও পড়ুন 📖  সাভারে প্রকাশ্যে ইয়াবা সেবন, ৯ যুবকের কারাদণ্ড

অসুস্থতার কারণে নিজের নবজাতক সন্তানকে স্বাভাবিকভাবে কোলে নেওয়া কিংবা দুধ খাওয়ানোর মতো অবস্থাতেও ছিলেন না বিথী। ফলে জন্মের পর থেকেই তার ছোট্ট সন্তান মায়ের স্বাভাবিক স্নেহ-যত্ন থেকে বঞ্চিত ছিল বলে স্বজনরা জানিয়েছেন।

চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে পরিবারের অভিযোগ

পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের সময় চিকিৎসকদের অবহেলার কারণেই পেটের ভেতরে গজ থেকে যেতে পারে। পরিবারের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই অস্ত্রোপচারে ডা. তামান্না ও ইন্টার্ন চিকিৎসক অরবিন্দ যুক্ত ছিলেন।

তবে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বা অভিযুক্ত চিকিৎসকদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে যথাযথ তদন্ত ও চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি পর্যালোচনা প্রয়োজন।

ছয় মাসের লড়াই শেষে মৃত্যু

অস্ত্রোপচারের পর থেকে প্রায় ছয় মাস ধরে শারীরিক জটিলতার সঙ্গে লড়াই করেছেন বিথী আক্তার। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর শেষ পর্যন্ত তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সেখানে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

বিথীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পরিবার, স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিশেষ করে তার ছোট সন্তানকে ঘিরে স্বজনদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও শোকের সৃষ্টি হয়েছে।

তদন্তের দাবি ইউএনওর

বিথী আক্তারের মৃত্যুর বিষয়ে গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল হুদা গণমাধ্যমকে বলেন, তিনি বিথীর মৃত্যুর খবর শুনেছেন এবং ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।

তিনি জানান, বিথীর শিশুসন্তানকে দেখতে জেলা প্রশাসক ইতোমধ্যে তার বাড়িতে গেছেন। ইউএনও নিজেও শিশুটিকে দেখতে দুইবার ওই বাড়িতে গিয়েছেন।

এ ঘটনায় তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং কেউ দায়ী হলে তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলেও তিনি মত দেন।

চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগে নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি

একজন প্রসূতির অস্ত্রোপচারের পর পেটের ভেতরে গজ থেকে যাওয়ার অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে চিকিৎসা নথি, অস্ত্রোপচারের বিবরণ, পরবর্তী চিকিৎসার প্রতিবেদন, অস্ত্রোপচারে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের বক্তব্য এবং প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞ মতামত পর্যালোচনা করে প্রকৃত ঘটনা নির্ধারণ করা জরুরি।

✒️ আরও পড়ুন 📖  খাদ্য নিরাপত্তায় বিনিয়োগে জোর বাণিজ্য উপদেষ্টার

বিথী আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের অভিযোগের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকদের বক্তব্য গ্রহণ এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়-দায়িত্ব নির্ধারণের দাবি উঠেছে।

পরিবারের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।