ঢাকা , রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু, চলবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত শিগগিরই নতুন পে স্কেলের আওতায় আসছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা: শিক্ষামন্ত্রী ৪১ কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক সারা আলী খান, সিনেমাপ্রতি নেন ৩ কোটি! আশুলিয়ায় ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, আহত অর্ধশতাধিক সাভারে গোডাউনে চুরির ঘটনায় ডিবির অভিযানে গ্রেপ্তার ১ সাভার-আশুলিয়ায় ডিবির পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার সন্তানধারণের ক্ষমতা কম, চিকিৎসকের কথায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন অভিনেত্রী শ্বেতা ত্রিপাঠী সাভারে ডিবির পৃথক অভিযানে ইয়াবা-হেরোইনসহ ৮ জন গ্রেপ্তার অবশেষে প্রেমের সম্পর্ক স্বীকার জাহ্নবীর, কবে বিয়ে করবেন? কেউ আনন্দে আত্মহারা, কেউ বিরহে বিষণ্ন—তারকাদের করওয়া চৌথে কী ঘটল?
প্রতি বিষয়ের জন্য ফি ১৫০ টাকা, আবেদন করতে হবে অনলাইনে; ম্যানুয়ালি আবেদন গ্রহণ করা হবে না

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু, চলবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে সন্তুষ্ট নন—এমন শিক্ষার্থীদের জন্য ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনের সুযোগ শুরু হয়েছে। রোববার (১ নভেম্বর) থেকে শুরু হওয়া এ আবেদন কার্যক্রম চলবে আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আগ্রহী পরীক্ষার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে আবেদন করতে পারবেন। প্রতিটি বিষয়ের জন্য আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ টাকা।

বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানিয়েছে, ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে হবে নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষা বোর্ডে সরাসরি গিয়ে কিংবা ডাকযোগে বা অন্য কোনো ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আবেদন করার সুযোগ নেই। আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পরীক্ষার্থীদের রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বোর্ডের নাম এবং একটি সচল মোবাইল নম্বর প্রয়োজন হবে।

শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করার সময় পরীক্ষার্থীরা নিজেদের ফলাফল অনুযায়ী নির্দিষ্ট বিষয় নির্বাচন করতে পারবেন। যেসব বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর বা ফলাফল নিয়ে সংশয় রয়েছে, সেসব বিষয় নির্বাচন করে নির্ধারিত ফি জমা দিতে হবে।

যেভাবে করবেন ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন

ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে প্রথমে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর নির্ধারিত ঘরে লিখে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করতে হবে। এরপর ‘সাবমিট’ বাটনে ক্লিক করলে পরীক্ষার্থীর তথ্য ও বিষয়ভিত্তিক ফলাফল দেখা যাবে।

পরবর্তী ধাপে একটি সচল মোবাইল নম্বর দিতে হবে। পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশের পর ওই নম্বরে খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে ফলাফল জানানো হবে। তাই আবেদন করার সময় সঠিক ও সচল মোবাইল নম্বর ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এরপর পরীক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক ফলাফলের তালিকা থেকে যে বিষয় বা বিষয়গুলোর ফল পুনর্নিরীক্ষণ করতে চান, সেগুলো নির্বাচন করতে হবে। বিষয় নির্বাচন সম্পন্ন হলে ‘ফি প্রদান করুন’ বাটনে ক্লিক করে পরবর্তী ধাপে যেতে হবে।

প্রতি বিষয়ে আবেদন ফি ১৫০ টাকা

ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য প্রতিটি বিষয়ের বিপরীতে ১৫০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে দ্বিপত্রবিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রের জন্য পৃথকভাবে আবেদন করতে হবে। অর্থাৎ এ ধরনের বিষয়ের উভয় পত্র পুনর্নিরীক্ষণ করতে চাইলে দুটি পত্রের জন্যই নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হবে।

নির্ধারিত আবেদন ফি মোবাইল ব্যাংকিং ও অন্যান্য অনুমোদিত পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে জমা দেওয়া যাবে। এ জন্য বিকাশ, নগদ, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের রকেট, উপায় এবং সোনালী সেবার মাধ্যমে অর্থ পরিশোধের সুযোগ রয়েছে। পেমেন্ট সম্পন্ন করার বিস্তারিত নির্দেশনা আবেদন পোর্টালের ‘পে’ বাটনে পাওয়া যাবে।

ফি পরিশোধের পর আবেদন প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি ধাপ রয়েছে। পেমেন্ট সম্পন্ন করে পরীক্ষার্থীকে পুনরায় আবেদন পোর্টালে ফিরে গিয়ে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। শুধু টাকা পরিশোধ করলেই আবেদন সম্পূর্ণ হবে না; চূড়ান্তভাবে আবেদন জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

একাধিক বিষয়ে আবেদনের সুযোগ

কোনো পরীক্ষার্থী প্রথমবার আবেদন জমা দেওয়ার পর নতুন করে অন্য কোনো বিষয়ের ফল পুনর্নিরীক্ষণ করতে চাইলে একই পদ্ধতি অনুসরণ করে আবার আবেদন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে নতুন বিষয় নির্বাচন করে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হবে। তবে দ্বিতীয়বার আবেদনের সময় আগের মতো নতুন করে মোবাইল নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

বিষয় নির্বাচনে সতর্ক থাকার পরামর্শ

আবেদন করার সময় বিষয় নির্বাচন করার ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীদের বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। ফি পরিশোধের আগে নির্বাচিত কোনো বিষয় পরিবর্তন করতে চাইলে অথবা তালিকা থেকে বাদ দিতে চাইলে ‘মুছে ফেলুন’ বাটনে ক্লিক করে সেটি বাতিল করা যাবে। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন বিষয় নির্বাচন করা সম্ভব।

তবে একবার নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে আবেদন চূড়ান্তভাবে জমা দেওয়ার পর নির্বাচিত বিষয় আর বাতিল করার সুযোগ থাকবে না। একই সঙ্গে কোনো কারণে আবেদন বাতিল করতে হলেও জমা দেওয়া ফি ফেরত পাওয়া যাবে না। তাই আবেদন চূড়ান্ত করার আগে বিষয় নির্বাচন, পত্রের সংখ্যা এবং পেমেন্টের তথ্য ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া জরুরি।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্নের আহ্বান

শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে। ফলে আগ্রহী পরীক্ষার্থীদের শেষ দিনের জন্য অপেক্ষা না করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আবেদন সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ফল পুনর্নিরীক্ষণ কার্যক্রম মূলত পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নসংক্রান্ত নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় কোনো অনিচ্ছাকৃত ভুল বা অসংগতি রয়েছে কি না, তা যাচাইয়ের সুযোগ তৈরি করে। তাই প্রকাশিত ফলাফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা নিয়ম মেনে আবেদন করে নিজেদের ফল পুনরায় যাচাইয়ের সুযোগ নিতে পারবেন।

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু, চলবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত

প্রতি বিষয়ের জন্য ফি ১৫০ টাকা, আবেদন করতে হবে অনলাইনে; ম্যানুয়ালি আবেদন গ্রহণ করা হবে না

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু, চলবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত

আপডেট সময়: এক ঘন্টা আগে

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে সন্তুষ্ট নন—এমন শিক্ষার্থীদের জন্য ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনের সুযোগ শুরু হয়েছে। রোববার (১ নভেম্বর) থেকে শুরু হওয়া এ আবেদন কার্যক্রম চলবে আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আগ্রহী পরীক্ষার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে আবেদন করতে পারবেন। প্রতিটি বিষয়ের জন্য আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ টাকা।

বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানিয়েছে, ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে হবে নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষা বোর্ডে সরাসরি গিয়ে কিংবা ডাকযোগে বা অন্য কোনো ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আবেদন করার সুযোগ নেই। আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পরীক্ষার্থীদের রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বোর্ডের নাম এবং একটি সচল মোবাইল নম্বর প্রয়োজন হবে।

শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করার সময় পরীক্ষার্থীরা নিজেদের ফলাফল অনুযায়ী নির্দিষ্ট বিষয় নির্বাচন করতে পারবেন। যেসব বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর বা ফলাফল নিয়ে সংশয় রয়েছে, সেসব বিষয় নির্বাচন করে নির্ধারিত ফি জমা দিতে হবে।

যেভাবে করবেন ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন

ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে প্রথমে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর নির্ধারিত ঘরে লিখে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করতে হবে। এরপর ‘সাবমিট’ বাটনে ক্লিক করলে পরীক্ষার্থীর তথ্য ও বিষয়ভিত্তিক ফলাফল দেখা যাবে।

পরবর্তী ধাপে একটি সচল মোবাইল নম্বর দিতে হবে। পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশের পর ওই নম্বরে খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে ফলাফল জানানো হবে। তাই আবেদন করার সময় সঠিক ও সচল মোবাইল নম্বর ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এরপর পরীক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক ফলাফলের তালিকা থেকে যে বিষয় বা বিষয়গুলোর ফল পুনর্নিরীক্ষণ করতে চান, সেগুলো নির্বাচন করতে হবে। বিষয় নির্বাচন সম্পন্ন হলে ‘ফি প্রদান করুন’ বাটনে ক্লিক করে পরবর্তী ধাপে যেতে হবে।

✒️ আরও পড়ুন 📖  নিউইয়র্ক সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রতি বিষয়ে আবেদন ফি ১৫০ টাকা

ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য প্রতিটি বিষয়ের বিপরীতে ১৫০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে দ্বিপত্রবিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রের জন্য পৃথকভাবে আবেদন করতে হবে। অর্থাৎ এ ধরনের বিষয়ের উভয় পত্র পুনর্নিরীক্ষণ করতে চাইলে দুটি পত্রের জন্যই নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হবে।

নির্ধারিত আবেদন ফি মোবাইল ব্যাংকিং ও অন্যান্য অনুমোদিত পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে জমা দেওয়া যাবে। এ জন্য বিকাশ, নগদ, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের রকেট, উপায় এবং সোনালী সেবার মাধ্যমে অর্থ পরিশোধের সুযোগ রয়েছে। পেমেন্ট সম্পন্ন করার বিস্তারিত নির্দেশনা আবেদন পোর্টালের ‘পে’ বাটনে পাওয়া যাবে।

ফি পরিশোধের পর আবেদন প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি ধাপ রয়েছে। পেমেন্ট সম্পন্ন করে পরীক্ষার্থীকে পুনরায় আবেদন পোর্টালে ফিরে গিয়ে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। শুধু টাকা পরিশোধ করলেই আবেদন সম্পূর্ণ হবে না; চূড়ান্তভাবে আবেদন জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

একাধিক বিষয়ে আবেদনের সুযোগ

কোনো পরীক্ষার্থী প্রথমবার আবেদন জমা দেওয়ার পর নতুন করে অন্য কোনো বিষয়ের ফল পুনর্নিরীক্ষণ করতে চাইলে একই পদ্ধতি অনুসরণ করে আবার আবেদন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে নতুন বিষয় নির্বাচন করে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হবে। তবে দ্বিতীয়বার আবেদনের সময় আগের মতো নতুন করে মোবাইল নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

বিষয় নির্বাচনে সতর্ক থাকার পরামর্শ

আবেদন করার সময় বিষয় নির্বাচন করার ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীদের বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। ফি পরিশোধের আগে নির্বাচিত কোনো বিষয় পরিবর্তন করতে চাইলে অথবা তালিকা থেকে বাদ দিতে চাইলে ‘মুছে ফেলুন’ বাটনে ক্লিক করে সেটি বাতিল করা যাবে। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন বিষয় নির্বাচন করা সম্ভব।

তবে একবার নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে আবেদন চূড়ান্তভাবে জমা দেওয়ার পর নির্বাচিত বিষয় আর বাতিল করার সুযোগ থাকবে না। একই সঙ্গে কোনো কারণে আবেদন বাতিল করতে হলেও জমা দেওয়া ফি ফেরত পাওয়া যাবে না। তাই আবেদন চূড়ান্ত করার আগে বিষয় নির্বাচন, পত্রের সংখ্যা এবং পেমেন্টের তথ্য ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া জরুরি।

✒️ আরও পড়ুন 📖  গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৩২ নম্বরের বাড়ি

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্নের আহ্বান

শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে। ফলে আগ্রহী পরীক্ষার্থীদের শেষ দিনের জন্য অপেক্ষা না করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আবেদন সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ফল পুনর্নিরীক্ষণ কার্যক্রম মূলত পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নসংক্রান্ত নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় কোনো অনিচ্ছাকৃত ভুল বা অসংগতি রয়েছে কি না, তা যাচাইয়ের সুযোগ তৈরি করে। তাই প্রকাশিত ফলাফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা নিয়ম মেনে আবেদন করে নিজেদের ফল পুনরায় যাচাইয়ের সুযোগ নিতে পারবেন।