ঢাকা , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি

দিনাজপুর ফুলবাড়ীতে গণসংহতি আন্দোলনের ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে গণসংহতি আন্দোলনের ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টায় আসাদ স্মৃতি শহীদে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর জেলা জনসম্মতি আন্দোলনের সংগঠক সৈয়দ সাইফুল ইসলাম জুয়েল, ফুলবাড়ী উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মাহমুদ হাসান বাবু, ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মোতালিব পাপ্পু, মেরাজ, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন ফুলবাড়ী উপজেলা শাখার সদস্য সচিব বিদায় হাসান স্বাধীন, রায়হান মাসুমসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

বক্তারা বলেন, ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে গণসংহতি আন্দোলন জনগণের স্বার্থকেই প্রাধান্য দিয়ে কাজ করে আসছে। সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লড়াই অব্যাহত রয়েছে এবং আগামী দিনেও গণতান্ত্রিক সংগ্রামে সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

মোতালিব পাপ্পু বলেন, “বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন একসাথে চলতে হবে। বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়তে হবে যেখানে অধিকার ও মর্যাদা সবার জন্য নিশ্চিত হবে।” তিনি আরও যোগ করেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই হবে একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার অগ্রযাত্রার প্রধান শর্ত।

এরদোয়ানকে আমন্ত্রণ জানালেন প্রধানমন্ত্রী

আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি

দিনাজপুর ফুলবাড়ীতে গণসংহতি আন্দোলনের ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

আপডেট সময়: ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে গণসংহতি আন্দোলনের ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টায় আসাদ স্মৃতি শহীদে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর জেলা জনসম্মতি আন্দোলনের সংগঠক সৈয়দ সাইফুল ইসলাম জুয়েল, ফুলবাড়ী উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মাহমুদ হাসান বাবু, ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মোতালিব পাপ্পু, মেরাজ, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন ফুলবাড়ী উপজেলা শাখার সদস্য সচিব বিদায় হাসান স্বাধীন, রায়হান মাসুমসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

বক্তারা বলেন, ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে গণসংহতি আন্দোলন জনগণের স্বার্থকেই প্রাধান্য দিয়ে কাজ করে আসছে। সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লড়াই অব্যাহত রয়েছে এবং আগামী দিনেও গণতান্ত্রিক সংগ্রামে সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

মোতালিব পাপ্পু বলেন, “বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন একসাথে চলতে হবে। বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়তে হবে যেখানে অধিকার ও মর্যাদা সবার জন্য নিশ্চিত হবে।” তিনি আরও যোগ করেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই হবে একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার অগ্রযাত্রার প্রধান শর্ত।