ঢাকা , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছক্কার পরই আউট! অভিষেক ম্যাচেই ব্যাট হাতে লড়াইয়ে নাসুম আহমেদ

ষষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে বিদায় নিতে হলো নাসুম আহমেদকে। এক বল আগেই ছক্কা হাঁকিয়ে যেন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন শেকল ভাঙার—দলের চাপে আঘাত হানার। কিন্তু পরের বলেই সব উল্টো। আক্রমণের ইচ্ছাই হয়ে উঠল সর্বনাশের কারণ। সাইফ হাসানের পর তিনিও একই ওভারে ছক্কা হাঁকিয়ে আউট হলেন।

বাংলাদেশ স্কোয়াডে গতকালই যোগ করা হয়েছিল নাসুম আহমেদকে। যোগ দেওয়ার পরদিনই নামতে হলো ‘অ্যাকশনে’। কিন্তু শুরুটা বল হাতে নয়, ব্যাট হাতে। হঠাৎ পাওয়া সুযোগে নাসুমের কাঁধে ছিল দায়িত্ব—ধস নামা ইনিংসটা সামাল দেওয়ার।

৩১তম ওভারে বাংলাদেশ তখন ৫ উইকেটে ১২৬ রান। দলের ইনিংস যেন হঠাৎ থমকে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাট হাতে নামেন নাসুম। শুরুটা ছিল ধৈর্য ধরে—প্রথম ২৩ বলে করেন মাত্র ৬ রান। তবে এরপর ধীরে ধীরে বদলে ফেলেন খেলার ছন্দ। গুদাকেশ মোতির বলে ছক্কা হাঁকিয়ে জানান দেন, তিনি শুধু টিকে থাকতে নয়, লড়তেও নেমেছেন। পরের বলে নেন ডাবল, বুঝিয়ে দেন তাল বদলাতে প্রস্তুত।

কিন্তু সেই সাহসিকতাই শেষ পর্যন্ত কাল হয়ে দাঁড়ায় তার জন্য। মোতির পরের বলেই শর্ট মিড উইকেটে ক্যাচ দেন খারি পিয়েরের হাতে। ২৬ বলে ১৪ রান করে ফিরতে হয় নাসুমকে।

তার বিদায়ে ১২৬ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। সাময়িকভাবে ভরসা জাগালেও নাসুমের ছোট্ট ইনিংসটি শেষ হয় হতাশায়। তবে ব্যাট হাতে তার লড়াই দেখিয়েছে—দলে সুযোগ পেলে নিজেকে প্রমাণের জন্য তিনি প্রস্তুত।

পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় আজপ্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও স্ত্রী স্বপ্নার সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা রাষ্ট্রপক্ষের

ছক্কার পরই আউট! অভিষেক ম্যাচেই ব্যাট হাতে লড়াইয়ে নাসুম আহমেদ

আপডেট সময়: ০৪:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

ষষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে বিদায় নিতে হলো নাসুম আহমেদকে। এক বল আগেই ছক্কা হাঁকিয়ে যেন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন শেকল ভাঙার—দলের চাপে আঘাত হানার। কিন্তু পরের বলেই সব উল্টো। আক্রমণের ইচ্ছাই হয়ে উঠল সর্বনাশের কারণ। সাইফ হাসানের পর তিনিও একই ওভারে ছক্কা হাঁকিয়ে আউট হলেন।

বাংলাদেশ স্কোয়াডে গতকালই যোগ করা হয়েছিল নাসুম আহমেদকে। যোগ দেওয়ার পরদিনই নামতে হলো ‘অ্যাকশনে’। কিন্তু শুরুটা বল হাতে নয়, ব্যাট হাতে। হঠাৎ পাওয়া সুযোগে নাসুমের কাঁধে ছিল দায়িত্ব—ধস নামা ইনিংসটা সামাল দেওয়ার।

৩১তম ওভারে বাংলাদেশ তখন ৫ উইকেটে ১২৬ রান। দলের ইনিংস যেন হঠাৎ থমকে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাট হাতে নামেন নাসুম। শুরুটা ছিল ধৈর্য ধরে—প্রথম ২৩ বলে করেন মাত্র ৬ রান। তবে এরপর ধীরে ধীরে বদলে ফেলেন খেলার ছন্দ। গুদাকেশ মোতির বলে ছক্কা হাঁকিয়ে জানান দেন, তিনি শুধু টিকে থাকতে নয়, লড়তেও নেমেছেন। পরের বলে নেন ডাবল, বুঝিয়ে দেন তাল বদলাতে প্রস্তুত।

কিন্তু সেই সাহসিকতাই শেষ পর্যন্ত কাল হয়ে দাঁড়ায় তার জন্য। মোতির পরের বলেই শর্ট মিড উইকেটে ক্যাচ দেন খারি পিয়েরের হাতে। ২৬ বলে ১৪ রান করে ফিরতে হয় নাসুমকে।

তার বিদায়ে ১২৬ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। সাময়িকভাবে ভরসা জাগালেও নাসুমের ছোট্ট ইনিংসটি শেষ হয় হতাশায়। তবে ব্যাট হাতে তার লড়াই দেখিয়েছে—দলে সুযোগ পেলে নিজেকে প্রমাণের জন্য তিনি প্রস্তুত।