ঢাকা , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
একটি লেদ থেকে উদ্ধার বিপুল সরঞ্জাম, ৩০টি আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সক্ষমতা

খুলনায় গোপন অস্ত্র কারখানার সন্ধান, তিনজন গ্রেফতার

খুলনা নগরীতে গোপনে পরিচালিত একটি অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর জোড়াগেট এলাকার ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রের পাশের একটি লেদ থেকে অস্ত্র তৈরির বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এ সময় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) উপকমিশনার (দক্ষিণ) তাজুল ইসলাম জানান, উদ্ধারকৃত যন্ত্রাংশ দিয়ে অন্তত ৩০টি আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি করা সম্ভব। অস্ত্র তৈরি ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত আরও ব্যক্তিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, “নগরীর একটি নির্দিষ্ট এলাকায় গোপনে অস্ত্র তৈরির কারখানা পরিচালিত হচ্ছে—এমন নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্য আমাদের কাছে ছিল। সেই তথ্যের ভিত্তিতে ডিবির একটি টিম অভিযান পরিচালনা করে।”

পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা যন্ত্রাংশগুলো মূলত অস্ত্রের প্রাথমিক কাঠামো তৈরিতে ব্যবহৃত হতো। এসব যন্ত্রাংশ অ্যাসেম্বল করা হলে প্রায় ৩০টি আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি করা সম্ভব।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, কারখানাটি অন্তত ছয় মাস ধরে গোপনে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। উপপুলিশ কমিশনার তাজুল ইসলাম আরও বলেন, “এই ঘটনার সঙ্গে আরও ব্যবসায়ী ও কারিগর জড়িত থাকতে পারে। আমাদের অভিযান এখানেই শেষ নয়। পরবর্তী অপারেশনের মাধ্যমে অস্ত্রচক্রের সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।”

ডিবির পৃথক অভিযানে বিপুল মাদক উদ্ধার, আটক ৩

একটি লেদ থেকে উদ্ধার বিপুল সরঞ্জাম, ৩০টি আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সক্ষমতা

খুলনায় গোপন অস্ত্র কারখানার সন্ধান, তিনজন গ্রেফতার

আপডেট সময়: ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

খুলনা নগরীতে গোপনে পরিচালিত একটি অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর জোড়াগেট এলাকার ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রের পাশের একটি লেদ থেকে অস্ত্র তৈরির বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এ সময় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) উপকমিশনার (দক্ষিণ) তাজুল ইসলাম জানান, উদ্ধারকৃত যন্ত্রাংশ দিয়ে অন্তত ৩০টি আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি করা সম্ভব। অস্ত্র তৈরি ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত আরও ব্যক্তিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, “নগরীর একটি নির্দিষ্ট এলাকায় গোপনে অস্ত্র তৈরির কারখানা পরিচালিত হচ্ছে—এমন নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্য আমাদের কাছে ছিল। সেই তথ্যের ভিত্তিতে ডিবির একটি টিম অভিযান পরিচালনা করে।”

পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা যন্ত্রাংশগুলো মূলত অস্ত্রের প্রাথমিক কাঠামো তৈরিতে ব্যবহৃত হতো। এসব যন্ত্রাংশ অ্যাসেম্বল করা হলে প্রায় ৩০টি আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি করা সম্ভব।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, কারখানাটি অন্তত ছয় মাস ধরে গোপনে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। উপপুলিশ কমিশনার তাজুল ইসলাম আরও বলেন, “এই ঘটনার সঙ্গে আরও ব্যবসায়ী ও কারিগর জড়িত থাকতে পারে। আমাদের অভিযান এখানেই শেষ নয়। পরবর্তী অপারেশনের মাধ্যমে অস্ত্রচক্রের সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।”