ঢাকার সাভারে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ডাকাত ও ছিনতাইকারী দলের সন্দেহভাজন চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি-উত্তর)। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে তিনটি ধারালো ছোরা ও একটি খেলনা পিস্তুল উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেশের বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর ) দিবাগত রাত ১টার দিকে সাভার মডেল থানাধীন পাঁচগাছিয়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ঢাকা জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের নির্দেশনায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি-উত্তর) অফিসার ইনচার্জ সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল অংশ নেয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মতিউর রহমান। এ সময় তাঁর সঙ্গে গোয়েন্দা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—সাভার মডেল থানার তেঁতুলঝোড়া এলাকার মটুকপাড়ার বাসিন্দা মো. জামাল হোসেন (৪০), একই এলাকার আব্দুল রউফ রবিন (২৭), যশোরের মনিরামপুর থানার বাসিন্দা মো. নাজমুল (৩৬), যিনি বর্তমানে সাভারের মটুকপাড়ায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন, এবং সাভারের আমিনবাজারের পাঁচগাছিয়া এলাকার মো. জুবায়ের হোসেন (২৫)।
ডিবি পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে চারটি বস্তু উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে কাঠের বাটযুক্ত আনুমানিক ১৬ ইঞ্চি লম্বা একটি ধারালো ছোরা, ১৪ দশমিক ৫ ইঞ্চি লম্বা একটি ছোরা, ১১ দশমিক ৫ ইঞ্চি লম্বা আরেকটি ছোরা এবং আনুমানিক ৯ দশমিক ৫ ইঞ্চি লম্বা একটি খেলনা পিস্তুল।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের প্রস্তুতির অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অংশ হিসেবে এসব আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট ঘটনার সঙ্গে তাঁদের সম্পৃক্ততা যাচাইয়ের বিষয়টি আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ।
এদিকে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের অপরাধসংক্রান্ত পূর্ববর্তী রেকর্ড (পিসিপিআর) পর্যালোচনা করে মো. জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে দুটি মাদক মামলা থাকার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার চারজনকে ডাকাতির প্রস্তুতির মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশ খবর ডেস্ক 







