ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
সাভারে ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতারণা চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার, ৩টি মোবাইল উদ্ধার সাভারে ডিবির পৃথক অভিযানে দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, উদ্ধার ইয়াবা-হেরোইন ও নগদ টাকা সাভারে ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযান: চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, প্রাইভেটকার উদ্ধার সাভার ও আশুলিয়ায় ডিবির বিশেষ অভিযান: গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৪ জন গ্রেপ্তার আলিয়া-দীপিকাকে নিয়ে কী বললেন রাধিকা? তনুশ্রী দত্তের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা ভালো ছিল না, অভিযোগ অভিনেত্রী হেতল যাদবের টানা ১০ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলছে স্কুল-মাদ্রাসা, কলেজে ক্লাস ১ নভেম্বর সাভার-আশুলিয়ায় ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩ সাভার বিএনপি সভাপতি সাইফুলকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ তৃণমূল আমিনবাজারে সরকারি ডিজেল পাচারের অভিযোগ, ট্রাকচালক আটক
চোরাই ল্যাপটপ ও ৬ মোবাইল ফোন উদ্ধার, দুই আসামির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা

সাভারে ডিবির অভিযানে চোরচক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

ঢাকার সাভারে বিশেষ অভিযান চালিয়ে পেশাদার চোরচক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) উত্তর বিভাগ। এ সময় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের হেফাজত থেকে একটি HP ProBook ল্যাপটপসহ বিভিন্ন কোম্পানির ছয়টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (২৯ আগস্ট ২০২৬) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সাভার মডেল থানাধীন যাদুরচর পূর্বপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ঢাকা জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের নির্দেশনায় ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর) বিভাগের অফিসার ইনচার্জ সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোঃ শাহাদাৎ হোসেন-সহ ডিবির কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা অভিযানে অংশ নেন।

অভিযানে গ্রেপ্তার পাঁচজন

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—কক্সবাজারের চকরিয়া থানার কোনাখালী চরপাড়া এলাকার মৃত ফিরোজের ছেলে মোঃ হামিদ (৩৬), চকরিয়া থানার কোনাখালী এলাকার মৃত বদি আলমের ছেলে মোঃ আলম আলমগীর (২৮), একই এলাকার মৃত মোক্তার আহম্মেদের ছেলে মোঃ কাউছার (৩২), কোনাখালী চরপাড়া এলাকার ফিরোজ আহম্মেদের ছেলে মোঃ রুবেল (২৬) এবং পেকুয়া থানার সিকদারপাড়া এলাকার আব্দুল হামিদের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন রানা (২৪)।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজন বর্তমানে সাভারের আলম হাউজিং ও আলমনগর হাউজিং এলাকায় বসবাস করছিলেন।

উদ্ধার হয়েছে ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন

অভিযান শেষে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের হেফাজতে থাকা মালামাল তল্লাশি করে একটি সিলভার রঙের HP ProBook ল্যাপটপ, বিভিন্ন কোম্পানির পাঁচটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন এবং একটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া এসব মালামালের বিষয়ে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এগুলো চুরি করে সংগ্রহ করা হয়েছিল কি না এবং চুরির সঙ্গে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।

দুই আসামির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা

ঢাকা জেলা ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার মোঃ আলম আলমগীরের বিরুদ্ধে চুরি ও চোরাই মালামাল হেফাজতে রাখার অভিযোগে চারটি মামলা রয়েছে।

অন্যদিকে মোঃ কাউছারের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগে দুটি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাদের বিরুদ্ধে পূর্বের মামলাগুলোর তথ্যও যাচাই করা হচ্ছে।

সংঘবদ্ধ চোরচক্রের বিষয়ে তদন্ত

ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাভারসহ আশপাশের এলাকায় চুরি ও সংঘবদ্ধ অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় যাদুরচর পূর্বপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, চোরাই মালামালগুলো কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে এবং এসব মালামালের প্রকৃত মালিক কারা—এসব বিষয় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধীদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আদালতে প্রেরণ

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার পাঁচজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে চুরির মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা জেলা পুলিশ।

পুলিশের অভিযান অব্যাহত

সাভার শিল্পাঞ্চল ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত তৎপরতা রয়েছে। ঢাকা জেলা ডিবির এ অভিযানকে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে দেখছে পুলিশ।

তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তারা আইনগতভাবে নির্দোষ—এটি আইনের স্বাভাবিক নীতি।

সাভারে ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতারণা চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার, ৩টি মোবাইল উদ্ধার

চোরাই ল্যাপটপ ও ৬ মোবাইল ফোন উদ্ধার, দুই আসামির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা

সাভারে ডিবির অভিযানে চোরচক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

আপডেট সময়: ০২:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকার সাভারে বিশেষ অভিযান চালিয়ে পেশাদার চোরচক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) উত্তর বিভাগ। এ সময় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের হেফাজত থেকে একটি HP ProBook ল্যাপটপসহ বিভিন্ন কোম্পানির ছয়টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (২৯ আগস্ট ২০২৬) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সাভার মডেল থানাধীন যাদুরচর পূর্বপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ঢাকা জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের নির্দেশনায় ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর) বিভাগের অফিসার ইনচার্জ সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোঃ শাহাদাৎ হোসেন-সহ ডিবির কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা অভিযানে অংশ নেন।

অভিযানে গ্রেপ্তার পাঁচজন

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—কক্সবাজারের চকরিয়া থানার কোনাখালী চরপাড়া এলাকার মৃত ফিরোজের ছেলে মোঃ হামিদ (৩৬), চকরিয়া থানার কোনাখালী এলাকার মৃত বদি আলমের ছেলে মোঃ আলম আলমগীর (২৮), একই এলাকার মৃত মোক্তার আহম্মেদের ছেলে মোঃ কাউছার (৩২), কোনাখালী চরপাড়া এলাকার ফিরোজ আহম্মেদের ছেলে মোঃ রুবেল (২৬) এবং পেকুয়া থানার সিকদারপাড়া এলাকার আব্দুল হামিদের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন রানা (২৪)।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজন বর্তমানে সাভারের আলম হাউজিং ও আলমনগর হাউজিং এলাকায় বসবাস করছিলেন।

উদ্ধার হয়েছে ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন

অভিযান শেষে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের হেফাজতে থাকা মালামাল তল্লাশি করে একটি সিলভার রঙের HP ProBook ল্যাপটপ, বিভিন্ন কোম্পানির পাঁচটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন এবং একটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া এসব মালামালের বিষয়ে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এগুলো চুরি করে সংগ্রহ করা হয়েছিল কি না এবং চুরির সঙ্গে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।

দুই আসামির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা

ঢাকা জেলা ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার মোঃ আলম আলমগীরের বিরুদ্ধে চুরি ও চোরাই মালামাল হেফাজতে রাখার অভিযোগে চারটি মামলা রয়েছে।

✒️ আরও পড়ুন 📖  যশোরে কিবরিয়া ফিলিং স্টেশনে তেল কম দেওয়ার অভিযোগে মানববন্ধন

অন্যদিকে মোঃ কাউছারের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগে দুটি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাদের বিরুদ্ধে পূর্বের মামলাগুলোর তথ্যও যাচাই করা হচ্ছে।

সংঘবদ্ধ চোরচক্রের বিষয়ে তদন্ত

ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাভারসহ আশপাশের এলাকায় চুরি ও সংঘবদ্ধ অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় যাদুরচর পূর্বপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, চোরাই মালামালগুলো কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে এবং এসব মালামালের প্রকৃত মালিক কারা—এসব বিষয় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধীদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আদালতে প্রেরণ

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার পাঁচজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে চুরির মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা জেলা পুলিশ।

পুলিশের অভিযান অব্যাহত

সাভার শিল্পাঞ্চল ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত তৎপরতা রয়েছে। ঢাকা জেলা ডিবির এ অভিযানকে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে দেখছে পুলিশ।

তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তারা আইনগতভাবে নির্দোষ—এটি আইনের স্বাভাবিক নীতি।