ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
সাভারে ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতারণা চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার, ৩টি মোবাইল উদ্ধার সাভারে ডিবির পৃথক অভিযানে দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, উদ্ধার ইয়াবা-হেরোইন ও নগদ টাকা সাভারে ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযান: চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, প্রাইভেটকার উদ্ধার সাভার ও আশুলিয়ায় ডিবির বিশেষ অভিযান: গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৪ জন গ্রেপ্তার আলিয়া-দীপিকাকে নিয়ে কী বললেন রাধিকা? তনুশ্রী দত্তের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা ভালো ছিল না, অভিযোগ অভিনেত্রী হেতল যাদবের টানা ১০ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলছে স্কুল-মাদ্রাসা, কলেজে ক্লাস ১ নভেম্বর সাভার-আশুলিয়ায় ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩ সাভার বিএনপি সভাপতি সাইফুলকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ তৃণমূল আমিনবাজারে সরকারি ডিজেল পাচারের অভিযোগ, ট্রাকচালক আটক

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালাস পেলেন খালেদা ও তারেক

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

বুধবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চে এ মামলার আপিল শুনানি শেষ হয়। রায় দেওয়ার জন্য এদিন ঠিক করেন সর্বোচ্চ আদালত। হাইকোর্ট ও নিম্ন আদালতের রায় বাতিল করে আপিল বিভাগ তার পর্যবেক্ষণ বলেছেন, প্রতিহিংসা থেকে এ বিচার করা হয়েছিল।

এ মামলায় ১০ বছরের সাজা হয় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার। একই সাজা হয় দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানেরও। রায়ে সব আসামির খালাসের প্রত্যাশা ছিল আইনজীবীদের। তারা জানান, জিয়া পরিবারকে হেনস্তা করতেই বিচারের নামে প্রহসন করেছে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার।

আর রাষ্ট্রপক্ষ শুনানিতে বলেন, ধারণার ভিত্তিতে কাউকে সাজা দেওয়া ঠিক হয়নি। আর দুদকের অবস্থান ছিল, মামলার নথিপত্র, সাক্ষ্যপ্রমাণে কোথাও বেগম জিয়াসহ আসামিদের দুর্নীতি অনিয়ম কিংবা বিশ্বাসভঙ্গের প্রমাণ মেলেনি।
 
মঙ্গলবার খালাস চেয়ে শুনানি করেন এ মামলার আরেক আসামি কাজী সালিমুল হকের আইনজীবী। এরমধ্য দিয়ে শেষ হয় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার আপিল শুনানি।
 
২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় জেলে যেতে হয় বেগম জিয়াকে। পরে নজিরবিহীনভাবে হাইকোর্টে এসে বিএনপি নেত্রীর সাজা বাড়ানো হয়। এ মামলায় দুই বছর এক মাস ১৩ দিন জেল খাটেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

সাভারে ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতারণা চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার, ৩টি মোবাইল উদ্ধার

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালাস পেলেন খালেদা ও তারেক

আপডেট সময়: ১২:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৫

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

বুধবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চে এ মামলার আপিল শুনানি শেষ হয়। রায় দেওয়ার জন্য এদিন ঠিক করেন সর্বোচ্চ আদালত। হাইকোর্ট ও নিম্ন আদালতের রায় বাতিল করে আপিল বিভাগ তার পর্যবেক্ষণ বলেছেন, প্রতিহিংসা থেকে এ বিচার করা হয়েছিল।

এ মামলায় ১০ বছরের সাজা হয় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার। একই সাজা হয় দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানেরও। রায়ে সব আসামির খালাসের প্রত্যাশা ছিল আইনজীবীদের। তারা জানান, জিয়া পরিবারকে হেনস্তা করতেই বিচারের নামে প্রহসন করেছে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার।

আর রাষ্ট্রপক্ষ শুনানিতে বলেন, ধারণার ভিত্তিতে কাউকে সাজা দেওয়া ঠিক হয়নি। আর দুদকের অবস্থান ছিল, মামলার নথিপত্র, সাক্ষ্যপ্রমাণে কোথাও বেগম জিয়াসহ আসামিদের দুর্নীতি অনিয়ম কিংবা বিশ্বাসভঙ্গের প্রমাণ মেলেনি।
 
মঙ্গলবার খালাস চেয়ে শুনানি করেন এ মামলার আরেক আসামি কাজী সালিমুল হকের আইনজীবী। এরমধ্য দিয়ে শেষ হয় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার আপিল শুনানি।
 
২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় জেলে যেতে হয় বেগম জিয়াকে। পরে নজিরবিহীনভাবে হাইকোর্টে এসে বিএনপি নেত্রীর সাজা বাড়ানো হয়। এ মামলায় দুই বছর এক মাস ১৩ দিন জেল খাটেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

✒️ আরও পড়ুন 📖  আশুলিয়ায় ৬ যুবককে গুলি করে হত্যা ও জীবন্ত পুড়িয়ে ফেলার মামলা: আজ সিদ্ধান্ত আসছে অভিযোগ গঠন নিয়ে