ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
সাভারে ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতারণা চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার, ৩টি মোবাইল উদ্ধার সাভারে ডিবির পৃথক অভিযানে দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, উদ্ধার ইয়াবা-হেরোইন ও নগদ টাকা সাভারে ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযান: চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, প্রাইভেটকার উদ্ধার সাভার ও আশুলিয়ায় ডিবির বিশেষ অভিযান: গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৪ জন গ্রেপ্তার আলিয়া-দীপিকাকে নিয়ে কী বললেন রাধিকা? তনুশ্রী দত্তের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা ভালো ছিল না, অভিযোগ অভিনেত্রী হেতল যাদবের টানা ১০ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলছে স্কুল-মাদ্রাসা, কলেজে ক্লাস ১ নভেম্বর সাভার-আশুলিয়ায় ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩ সাভার বিএনপি সভাপতি সাইফুলকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ তৃণমূল আমিনবাজারে সরকারি ডিজেল পাচারের অভিযোগ, ট্রাকচালক আটক

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নোয়াবের গভীর উদ্বেগ

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি এ কে আজাদ এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, “সম্প্রতি দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকাকে ঘিরে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এবং সামগ্রিকভাবে দেশের গণমাধ্যম পরিস্থিতি নিয়ে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর সর্বশেষ প্রতিবেদনে গণমাধ্যম ও তথ্য প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে যে চিত্র ফুটে উঠেছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক।”

তিনি আরও বলেন, “গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে অবাধ, নিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশায় জনগণ একত্র হয়েছিল। আমরা বিশ্বাস করেছিলাম, তথ্য ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত হবে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, গত এক বছরে সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেনি।”

জনকণ্ঠ প্রসঙ্গে এ কে আজাদ বলেন, “আমরা আশঙ্কাজনকভাবে লক্ষ্য করেছি, সম্প্রতি একটি ‘মব’ গঠন করে জনকণ্ঠ পত্রিকার উদ্যোক্তাদের উচ্ছেদ এবং দাবি আদায়ের অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। কর্মীদের কোনো দেনা-পাওনা থাকলে তা শ্রম আদালতের মাধ্যমে, আর সংবাদ সংক্রান্ত কোনো বিরোধ হলে তা বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলে মীমাংসার কথা। কিন্তু এসব না করে পত্রিকার কার্যালয় ও অনলাইন পোর্টালে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে।”

টিআইবির প্রতিবেদন তুলে ধরে তিনি জানান, “গত এক বছরে (আগস্ট ২০২৪ – জুলাই ২০২৫) ৪৯৬ জন সাংবাদিক হয়রানির শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ২৬৬ জনকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানসংক্রান্ত হত্যা মামলার আসামি করা হয়েছে। দায়িত্ব পালনের সময় তিনজন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। অন্তত ২৪ জন গণমাধ্যমকর্মী চাকরি হারিয়েছেন, আটটি সংবাদপত্রের সম্পাদক ও ১১টি টেলিভিশন চ্যানেলের বার্তাপ্রধানকে বরখাস্ত করা হয়েছে।”

এই প্রেক্ষাপটে নোয়াবের পক্ষ থেকে সরকারের প্রতি জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে এ কে আজাদ বলেন, “গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। সংবাদপত্র বা গণমাধ্যমে ‘মব’ তৈরি করে মালিকপক্ষকে হুমকি দেওয়ার সংস্কৃতি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।”

তিনি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, গণমাধ্যমের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত হলে তা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে।”

সাভারে ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতারণা চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার, ৩টি মোবাইল উদ্ধার

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নোয়াবের গভীর উদ্বেগ

আপডেট সময়: ১১:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি এ কে আজাদ এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, “সম্প্রতি দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকাকে ঘিরে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এবং সামগ্রিকভাবে দেশের গণমাধ্যম পরিস্থিতি নিয়ে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর সর্বশেষ প্রতিবেদনে গণমাধ্যম ও তথ্য প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে যে চিত্র ফুটে উঠেছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক।”

তিনি আরও বলেন, “গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে অবাধ, নিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশায় জনগণ একত্র হয়েছিল। আমরা বিশ্বাস করেছিলাম, তথ্য ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত হবে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, গত এক বছরে সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেনি।”

জনকণ্ঠ প্রসঙ্গে এ কে আজাদ বলেন, “আমরা আশঙ্কাজনকভাবে লক্ষ্য করেছি, সম্প্রতি একটি ‘মব’ গঠন করে জনকণ্ঠ পত্রিকার উদ্যোক্তাদের উচ্ছেদ এবং দাবি আদায়ের অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। কর্মীদের কোনো দেনা-পাওনা থাকলে তা শ্রম আদালতের মাধ্যমে, আর সংবাদ সংক্রান্ত কোনো বিরোধ হলে তা বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলে মীমাংসার কথা। কিন্তু এসব না করে পত্রিকার কার্যালয় ও অনলাইন পোর্টালে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে।”

টিআইবির প্রতিবেদন তুলে ধরে তিনি জানান, “গত এক বছরে (আগস্ট ২০২৪ – জুলাই ২০২৫) ৪৯৬ জন সাংবাদিক হয়রানির শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ২৬৬ জনকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানসংক্রান্ত হত্যা মামলার আসামি করা হয়েছে। দায়িত্ব পালনের সময় তিনজন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। অন্তত ২৪ জন গণমাধ্যমকর্মী চাকরি হারিয়েছেন, আটটি সংবাদপত্রের সম্পাদক ও ১১টি টেলিভিশন চ্যানেলের বার্তাপ্রধানকে বরখাস্ত করা হয়েছে।”

এই প্রেক্ষাপটে নোয়াবের পক্ষ থেকে সরকারের প্রতি জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে এ কে আজাদ বলেন, “গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। সংবাদপত্র বা গণমাধ্যমে ‘মব’ তৈরি করে মালিকপক্ষকে হুমকি দেওয়ার সংস্কৃতি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।”

✒️ আরও পড়ুন 📖  রংপুরে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়নের বিভাগীয় পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

তিনি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, গণমাধ্যমের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত হলে তা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে।”