ঢাকা জেলার সাভার এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৩০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিনজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি-উত্তর)। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৯০ হাজার টাকা। গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ঢাকা জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার শামীমা পারভিন-এর নির্দেশনায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা করে ডিবি (উত্তর)।
প্রথম অভিযানে ডিবি (উত্তর)-এর অফিসার ইনচার্জ সাইদুল ইসলাম-এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) সুজিত কুমার মৃধা সঙ্গীয় ফোর্সসহ গত ২৫ জুন রাত ১০টা ৫ মিনিটে সাভার মডেল থানার ফুলবাড়িয়া রাজাঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় ৫০ পিস ইয়াবাসহ মো. ছাদেক হোসেন (২৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতার ছাদেক হোসেনের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া থানার রঘুনাথপুর এলাকায়। বর্তমানে তিনি সাভারের শোভাপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা ৫০ পিস ইয়াবার মোট ওজন প্রায় ৫ গ্রাম এবং যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৫ হাজার টাকা।
অন্যদিকে, দ্বিতীয় অভিযানে ২৬ জুন ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে সাভার মডেল থানার বলিয়ারপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এসআই (নিঃ) শেখ মাসুদ আল মামুন। এ সময় মো. আব্দুল কাইয়ুম (৪০) ও মো. মুন্না (২৮) নামে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ২৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, যার মোট ওজন প্রায় ২৫ গ্রাম এবং আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৭৫ হাজার টাকা।
পুলিশের তথ্যমতে, গ্রেফতার আব্দুল কাইয়ুম সাভারের বলিয়ারপুর এলাকার বাসিন্দা এবং তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে ৭টি মাদক মামলা রয়েছে। অপর আসামি মুন্নাও একই এলাকার দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা।
ঢাকা জেলা পুলিশ জানিয়েছে, মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে চলমান বিশেষ অভিযান আরও জোরদার করা হবে। সমাজে মাদকের বিস্তার রোধ এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
গ্রেফতার তিন আসামীর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে জেলা পুলিশের নিয়মিত অভিযান চলমান থাকবে এবং মাদক কারবারে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা তৎপরতা আরও জোরদার করা হবে।

বাংলাদেশ খবর ডেস্ক 



