ঢাকা জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি-উত্তর)। পৃথক তিনটি অভিযানে সাভার ও ধামরাই এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়েছে।
ঢাকা জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার শামীমা পারভিনের নির্দেশনায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর)-এর অফিসার ইনচার্জ সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে ডিবির বিভিন্ন টিম এসব অভিযান পরিচালনা করে।
ডিবি পুলিশ জানায়, ২৪ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সাভার মডেল থানাধীন কাঞ্চনপুর বেদেপল্লী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মো. ফরহাদ (২৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ফরহাদ কাঞ্চনপুর বেদেপল্লীর বাসিন্দা। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তার কাছ থেকে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার ওজন প্রায় ১০ গ্রাম এবং আনুমানিক মূল্য ৩০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
একই রাতে পৃথক অভিযানে ধামরাই থানাধীন ঢুলিভিটা এলাকায় অভিযান চালায় ডিবির আরেকটি দল। রাত ৮টা ৪৫ মিনিটের দিকে পরিচালিত এ অভিযানে মো. সুজল খান (৩২) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সুজল খানের কাছ থেকে হালকা গোলাপি রঙের ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এসব ইয়াবার ওজন প্রায় ১০ গ্রাম এবং আনুমানিক বাজারমূল্য ৩০ হাজার টাকা বলে জানানো হয়েছে।
এরপর ২৪ আগস্ট রাত ১১টা ১০ মিনিটের দিকে সাভার মডেল থানাধীন খাগান এলাকায় আরেকটি অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশ।
এ সময় মো. মনির হোসেন (৩৯) ও আসাদুল ইসলাম (৪১) নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি, তাদের কাছ থেকে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার ওজন প্রায় ৫ গ্রাম এবং আনুমানিক মূল্য ১৫ হাজার টাকা।
অভিযানে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি Pulsar NS160 CC মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোটরসাইকেলটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর ঢাকা মেট্রো ল-৩৯-৬৩২৯ এবং আনুমানিক মূল্য ২ লাখ টাকা।
ঢাকা জেলা ডিবি পুলিশের প্রেস রিলিজে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার মো. মনির হোসেনের বিরুদ্ধে তিনটি মাদক মামলা রয়েছে। এছাড়া আসাদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সাতটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ঢাকা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ খবর ডেস্ক 



